সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: জমিতে চাষ করাকে কেন্দ্র করে প্রতিবেশীদের সঙ্গে বিবাদের জেরে আদ্রা থানা এলাকায় কুরবান আনসারি(৪৯) খুন হয়েছিলেন। সেই খুনের ঘটনায় জড়িত পাঁচ অভিযুক্তকে সোমবার রাতে আদ্রা থানার পুলিস গ্রেপ্তার করেছে। পুলিস সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতরা হল কোশল আনসারি, লালমোহন আনসারি, আকবর আনসারি, আসগর আনসারি ও জাকির আনসারি। ধৃতদের প্রত্যেকের বাড়ি আদ্রা থানার গগনাবাদ গ্রাম পঞ্চায়েতের বেলাডাঙা গ্রামে। ধৃতদের মঙ্গলবার রঘুনাথপুর মহকুমা আদালতে পেশ করা হলে বিচারক তাদের সাতদিনের পুলিস হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।
Advertisement
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, গ্রামের একটি জমিতে চাষ করাকে কেন্দ্র করে কুরবান সাহেবের সঙ্গে প্রতিবেশীদের ঝামেলা হয়েছিল। গত ৯ নভেম্বর সেই জমিতে লাঙল দিয়ে কুরবানসাহেব বাড়ি ফেরেন। কিছুক্ষণ পরেই তাঁকে প্রতিবেশীদের কয়েকজন ডেকে নিয়ে যায়। জমিতে ‘কেন লাঙল দিয়েছে’ সেই নিয়ে প্রতিবেশীদের সঙ্গে তাঁর কথা কাটাকাটি হয়। সেসময় তাঁকে বাঁশ, শাবল দিয়ে ব্যাপক মারধর করা হয়। আর তাতেই তিনি গুরুতর জখম হন। পরিবারের সদস্যরা তাঁকে রঘুনাথপুর সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসক তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।
ঘটনার খবর পেয়ে ওইদিন আদ্রা থানার পুলিস বাহিনী গ্রামে যায়। গ্রামে পুলিস পিকেটও বসানো হয়। ঘটনার পর অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। সমস্ত গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে।
মৃতের ভাইজি জান্নাতুন খাতুন তাঁর কাকাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানান। ওই দিনই আদ্রা থানায় মোট ১৩ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, সোমবার খবর পেয়ে স্থানীয় একটি জঙ্গল থেকে পুলিস অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের হেফাজতে রেখে খুনের ঘটনার তদন্ত করা হবে।
ঘটনার খবর পেয়ে ওইদিন আদ্রা থানার পুলিস বাহিনী গ্রামে যায়। গ্রামে পুলিস পিকেটও বসানো হয়। ঘটনার পর অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়। সমস্ত গ্রাম পুরুষ শূন্য হয়ে পড়ে।
মৃতের ভাইজি জান্নাতুন খাতুন তাঁর কাকাকে খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ জানান। ওই দিনই আদ্রা থানায় মোট ১৩ জনের নামে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, সোমবার খবর পেয়ে স্থানীয় একটি জঙ্গল থেকে পুলিস অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করে। ধৃতদের হেফাজতে রেখে খুনের ঘটনার তদন্ত করা হবে।



