সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: রবিবার ১৬৩তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে রেলশহর আদ্রায় বিবেকানন্দ জন্মজয়ন্তী উৎসব কমিটির পক্ষ থেকে সাংস্কৃতিক ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়। এদিন বিবেকানন্দ ক্রীড়াঙ্গনে(ওয়ারলেস ময়দান) এই অনুষ্ঠান হয়। এলাকার প্রবীণা পারুল বন্দ্যোপাধ্যায় সর্বপ্রথম স্বামীজির প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন। তারপর একে একে কমিটির সদস্যরা মাল্যদান করেন। এরপরই মানুষের জীবনে স্বামী বিবেকানন্দের কী গুরুত্ব সেই সম্পর্কে কমিটির সদস্যরা বক্তব্য রাখেন। ওই অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার পরেই ক্রীড়া প্রতিযোগিতার সূচনা করা হয়। এদিনের অনুষ্ঠানে কমিটির হিসাবরক্ষক তাপস দত্ত, সদস্য মঙ্গল দে, অরুণ রায়, অরূপ বসু প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।
Advertisement
জানা গিয়েছে, কমিটির পক্ষ থেকে এবছর দ্বিতীয় বর্ষের অনুষ্ঠান করা হচ্ছে। ‘গীতা পাঠের চেয়ে ফুটবল খেলা শ্রেয় উক্তিকে সামনে রেখে এদিন এলাকার কচিকাঁচাদের নিয়ে ক্রীড়া প্রতিযোগিতা করা হয়। জিলাপি, বিস্কুট, চামচ–মার্বেল ও অঙ্ক দৌড়ের মতো প্রতিযোগিতা হয়। প্রতিযোগিতার শেষে খেলায় অংশগ্রহণকারী প্রত্যেককে পুরস্কৃত করা হয়।
কমিটি পক্ষ থেকে জানানো হয়, এদিন কমিটির সম্পাদক বাসুদেব বাউরি তাঁর মা ক্ষমা বাউরির স্মৃতির উদ্দেশ্যে একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার দান করেন। শুধু তাই নয়, এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে মাস্কও দেওয়া হয়। বাসুদেববাবু বলেন, স্বামীজি তাঁর জীবনে মানুষকে দেখিয়ে গিয়েছেন দানের মধ্যেই রয়েছে পূর্ণতা। একজন জীব অপর জীবের সেবা করবে সেটাই তার কর্ম। জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। তাই আমাদের জীবনে প্রতিটি মানুষের স্বামীজিকে জানার প্রয়োজন রয়েছে।
কমিটি পক্ষ থেকে জানানো হয়, এদিন কমিটির সম্পাদক বাসুদেব বাউরি তাঁর মা ক্ষমা বাউরির স্মৃতির উদ্দেশ্যে একটি অক্সিজেন সিলিন্ডার দান করেন। শুধু তাই নয়, এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত সকলকে মাস্কও দেওয়া হয়। বাসুদেববাবু বলেন, স্বামীজি তাঁর জীবনে মানুষকে দেখিয়ে গিয়েছেন দানের মধ্যেই রয়েছে পূর্ণতা। একজন জীব অপর জীবের সেবা করবে সেটাই তার কর্ম। জীবে প্রেম করে যেই জন সেই জন সেবিছে ঈশ্বর। তাই আমাদের জীবনে প্রতিটি মানুষের স্বামীজিকে জানার প্রয়োজন রয়েছে।



