নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: জনগণনার সমীক্ষায় যাতে সাধারণ মানুষ সঠিক ও সম্পূর্ণ তথ্য দেন, তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজর দিচ্ছে জেলা প্রশাসন। বাড়ি, বাড়ি সমীক্ষার সময় কোনো তথ্য যাতে গোপন না করা হয়, সে বিষয়ে এনুমারেটরদেরও সতর্ক করা হচ্ছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: জনগণনার সমীক্ষায় যাতে সাধারণ মানুষ সঠিক ও সম্পূর্ণ তথ্য দেন, তা নিশ্চিত করতে বিশেষ নজর দিচ্ছে জেলা প্রশাসন। বাড়ি, বাড়ি সমীক্ষার সময় কোনো তথ্য যাতে গোপন না করা হয়, সে বিষয়ে এনুমারেটরদেরও সতর্ক করা হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, সমীক্ষার কাজের অগ্রগতি ও তথ্য সংগ্রহের বিষয়ে নিয়মিতভাবে নজরদারি করা হচ্ছে। এজন্য সুপারভাইজারদের ফোন করে বিভিন্ন নির্দেশ দেওয়া হচ্ছে। পাশাপাশি সুপারভাইজাররাও এনুমারেটরদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ রেখে সমীক্ষার কাজের খোঁজ নিচ্ছেন। কোথাও কোনো সমস্যা হলে তা দ্রুত মেটানোরও চেষ্টা হচ্ছে। বর্তমানে গৃহগণনার কাজ চলছে। আগামী ১৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাজ চলবে। এই সময়ে সমীক্ষকরা বাড়ি, বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহ করবেন।
ইতিমধ্যেই তেহট্ট-১, হাঁসখালি, রানাঘাট-১-সহ জেলার একাধিক ব্লক ও পুরসভা এলাকায় সমীক্ষার কাজ প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। তবে বাড়ি, বাড়ি তথ্য সংগ্রহ করতে গিয়ে বেশ কিছু ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের একাংশের তথ্য গোপন করার প্রবণতা নজরে এসেছে বলে প্রশাসন সূত্রে খবর। ফলে সংগৃহীত তথ্যের নির্ভুলতা নিয়ে যাতে প্রশ্ন না ওঠে, সে কারণেই নজরদারি আরও বাড়ানো হয়েছে।
প্রশাসনের আধিকারিকদের বক্তব্য, জনগণনার মতো গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়ায় প্রতিটি পরিবারের সঠিক তথ্য নথিভুক্ত হওয়া জরুরি। এনুমারেটরদেরও বলা হয়েছে, বাড়ি বাড়ি গিয়ে যতটা সম্ভব নির্ভুল তথ্য সংগ্রহ করতে হবে। সঠিক তথ্য উঠে এলে জেলার জনসংখ্যার পাশাপাশি মানুষের আর্থ-সামাজিক অবস্থার একটি স্পষ্ট চিত্র পাওয়া যাবে। সেই তথ্য ভবিষ্যতে বিভিন্ন সরকারি পরিকল্পনা ও উন্নয়নমূলক কাজের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।