Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

২৬ হাজার পরিবারকে বিনামূল্যে শৌচাগার বানিয়ে দেবে প্রশাসন

২৬ হাজার পরিবারকে বিনামূল্যে শৌচাগার বানিয়ে দেবে প্রশাসন
  • ২৭ মে, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: নদীয়া জেলার প্রায় ২৬ হাজার উপভোক্তাকে বিনামূল্যে শৌচাগার নির্মাণ করে দেবে জেলা প্রশাসন। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বাংলার বাড়ি প্রকল্পে প্রাথমিকভাবে যে ৪৬ হাজার ৪৩৮ জন উপভোক্তা প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন, তাঁদের মধ্যে প্রায় ৫৫ শতাংশ উপভোক্তার জন্য শৌচাগার নির্মাণ করা হবে। ইতিমধ্যেই তাঁদের অ্যাকাউন্টে দ্বিতীয় কিস্তির অর্থ জমা পড়তে শুরু করেছে। মিশন নির্মল বাংলা প্রকল্পের আওতায় ইতিমধ্যেই বহু মানুষের বাড়িতে শৌচাগার তৈরি করে দেওয়া হয়েছে।

Advertisement

প্রশাসনের এক আধিকারিক জানান, যেহেতু এই প্রকল্পের অধীনে অধিকাংশ মানুষ নতুন করে বাড়ি নির্মাণ করছেন, তাই ধরে নেওয়া হয়েছে তাঁদের নিজস্ব শৌচাগার নেই। এই কারণেই ইন্ডিভিজুয়াল হাউজহোল্ড ল্যাট্রিন (আইএইচএইল) প্রকল্পের আওতায় তাঁদের জন্য শৌচাগার নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পের কাজ জেলাজুড়ে জোরকদমে চলছে।
পরিসংখ্যান বলছে, নদীয়া জেলার ১৮টি ব্লকে মোট ২৪,২৮৪টি শৌচাগার নির্মাণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই ২৩ হাজার ৮১২টি শৌচাগার নির্মাণ সম্পন্ন হয়েছে, যা লক্ষ্যমাত্রার ৯৮ শতাংশ। অধিকাংশ ব্লকে কাজ প্রায় সম্পূর্ণ। চাপড়া, হরিণঘাটা, করিমপুর-২, কৃষ্ণনগর-১, কৃষ্ণগঞ্জ, শান্তিপুর, রানাঘাট-১ এবং তেহট্ট-১ ব্লকে ১০০ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। অন্যদিকে, কালীগঞ্জ, কল্যাণী, করিমপুর-১ ও কৃষ্ণনগর-২ ব্লকে ৯৯ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। কিছুটা পিছিয়ে রয়েছে চাকদহ, হাঁসখালি ও নাকাশিপাড়া ব্লক, যেখানে ৯৭ শতাংশ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।
জেলা প্রশাসনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক জানান, স্বচ্ছ ভারত মিশনের লক্ষ্যপূরণের পথে নদীয়া জেলা যথেষ্ট অগ্রগতি করেছে। স্থানীয় পঞ্চায়েত, ব্লক প্রশাসন ও বিভিন্ন সমন্বয়কারী দপ্তরের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই সাফল্য সম্ভব হয়েছে। এই উদ্যোগ শুধু স্বাস্থ্য ও স্যানিটেশন ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে না, পাশাপাশি মানুষের জীবনযাত্রার মানও উন্নত করবে বলে আশা করছে প্রশাসন।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ