গোসাবায় সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা সরেজমিনে খতিয়ে দেখল প্রশাসন
  • ৮ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: গোসাবায় কি এবার নদী পারাপারের যন্ত্রণা মিটতে চলেছে? সেতুর মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হবে? আধিকারিকদের পরিদর্শনের পর আশায় বুক বাঁধছেন সুন্দরবনের মানুষজন। এক দ্বীপ থেকে আরেকটি দ্বীপে যেতে সেতু করা যাবে কি না, তা নিয়ে সুন্দরবন উন্নয়ন দপ্তরের তরফে শুরু হয়েছে পরিদর্শন। স্থানীয় বিধায়ক বিকর্ণ নস্করের উপস্থিতিতে একাধিক দ্বীপের ফেরিঘাট এলাকা থেকে শুরু করে পারাপারের সম্ভাব্য স্থান ঘুরে দেখেন আধিকারিকরা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, প্রথমে কচুখালি দ্বীপে যান তাঁরা। সেখানে কোথায় সেতু করা যেতে পারে, খতিয়ে দেখা হয়। এছাড়াও গৌরাঙ্গঘাট এবং দক্ষিণ রাধানগরের নটবর বিশ্বাস ঘেরি এলাকায় সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা ও বর্তমান পরিস্থিতি সরেজমিনে দেখেন তাঁরা। রাধানগর বাজার এলাকায় সেতু নির্মাণের সম্ভাবনাও খতিয়ে দেখেন। পাশাপাশি, চুনাখালি বাজার থেকে শম্ভুনগর পর্যন্ত সেতু নির্মাণের সম্ভাবনা ও প্রয়োজনীয়তা কতটা,  সে বিষয়ে খোঁজখবর নেন তাঁরা। সরকারি জমি কতটা আছে, কোথাও দখলদারি হয়ে আছে কি না, জানার চেষ্টা করেন দপ্তরের কর্তারা। পর্যালোচনা করে পরবর্তী পদক্ষেপ করা হবে। গোসাবাবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি। দিন-রাতে নৌকার উপর নির্ভর করতে হয় তাঁদের। অসুস্থদের চিকিৎসা করাতে নিয়ে যাওয়া সবচেয়ে সমস্যার। সেতু হয়ে গেলে সেসব অসুবিধা  দূর হবে বলে আশা স্থানীয়দের। গোসাবার বিধায়ক বলেন, ‘আমাদের মূল লক্ষ্য হল সুন্দরবনের দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের যাতায়াত সমস্যার স্থায়ী সমাধান। সেতু নির্মাণের মাধ্যমে দ্বীপগুলির মধ্যে যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত করে মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে সংযোগ আরও সহজ ও সুগম করে তোলার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করা হবে।’