Bartaman Logo
২১ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

আরও ১৩টি অবৈধ নির্মাণ ভাঙার সিদ্ধান্ত প্রশাসনের

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় প্রশাসন ১৩টি বেআইনি নির্মাণ ভাঙার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। নদীর চর দখল নিয়ে কড়া পদক্ষেপ। বিস্তারিত পড়ুন।

আরও ১৩টি অবৈধ নির্মাণ ভাঙার সিদ্ধান্ত প্রশাসনের
  • ২০ জুলাই, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: শুরু হয়েছিল ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকে শওকত মোল্লার ছেলে ইমরান মোল্লার মালিকানাধীন কাফেটেরিয়া দিয়ে। এবার সেখানে মৌখালি সেতু সংলগ্ন এলাকায় আরও ১৩টি বেআইনি নির্মাণ ভাঙার সিদ্ধান্ত নিল প্রশাসন। অভিযোগ একই, নদীর চর দখল করে দোকান, ঘর ইত্যাদি নির্মাণ। জানা গিয়েছে, আগামী সপ্তাহেই শুরু হবে ভাঙার কাজ। তাঁদের প্রত্যেককেই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নথি পেশ করতে বলা হলেও কেউ তা দেখাতে পারেননি বলে অভিযোগ। এরপর নদীর চরের উপর থাকা নির্মাণ তাঁদেরই ভেঙে ফেলার জন্য সময় দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কেউই সেসব ভাঙেননি। তাই প্রশাসন বুলডোজার চালিয়ে সরকারি জায়গা পুনরুদ্ধার করবে বলে ঠিক করেছে।

Advertisement

জানা গিয়েছে, বছরের পর বছর ধরে মাতলা নদীর চর দখল করে একে একে গজিয়ে উঠেছে একাধিক অস্থায়ী কাফে, কংক্রিটের নির্মাণ, দোকান। সবই হয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের মদতে, এমনই অভিযোগ সাধারণ মানুষের। এসব নিয়ে বলার কেউ ছিল না। সরকার পরিবর্তন হতেই বেআইনি নির্মাণ নিয়ে কড়া অবস্থান নেয় সরকার। তারপর থেকেই বুলডোজার চালানো শুরু হয়। ক্যানিং ২ নম্বর ব্লকের মৌখালি সেতু সংলগ্ন এলাকা এবার দখলমুক্ত করতে চলেছে প্রশাসন। বুলডোজার দিয়ে ওইসব নির্মাণ গুঁড়িয়ে দিতে যা খরচ হবে, তা সংশ্লিষ্ট নির্মাণের মালিকদের থেকে আদায় করবে সরকার। ক্যানিং পশ্চিমের তৃণমূল বিধায়ক পরেশরাম দাসের তৈরি বৃদ্ধাশ্রম নিয়ে এখনই কোনো পদক্ষেপ করা হচ্ছে না বলেই জানা গিয়েছে। সেটি অধিগ্রহণ করা যায় কি না, তা নিয়ে ভাবনাচিন্তা চলছে বলে জানা গিয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ