নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি ও কোচবিহার: আদালতের নির্দেশে কাটল জট। অবশেষে ছটপুজো হল কোচবিহারের সাগরদিঘিতে। প্রশাসনের তরফে প্রথমে বলা হয়েছিল, এবার সাগরদিঘিতে ছটপুজো করা যাবে না। ন্যাশনাল গ্রিন ট্রাইব্যুনালের গাইড লাইন সামনে রেখে সাগরদিঘিতে ছটপুজোয় নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে জানানো হয় কোচবিহার জেলা প্রশাসনের তরফে। এর বিরুদ্ধে হাইকোর্টের জলপাইগুড়ি সার্কিট বেঞ্চে দায়ের হয় রিট পিটিশন। তারই পরিপ্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার গ্রিন ট্রাইব্যুনালের গাইড লাইন মেনে সাগরদিঘিতে ছটপুজোর অনুমতি দেয় আদালত। দুপুর পর্যন্ত অবশ্য সাগরদিঘির ঘাটে ছটের কোনও প্রস্তুতি চোখে পড়েনি। এলাকায় মোতায়েন ছিল পুলিস। দুপুরের পর থেকে বদলাতে থাকে ছবি। সাগরদিঘির ঘাটে ভিড় জমান ছটব্রতীরা। সাগরদিঘির উত্তর দিকে কোর্ট ঘাট, পূর্বদিকের ঘাটের ধারে বেশকিছু পুণ্যার্থী এদিন ছটপুজোর আয়োজন করেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তাঁরা সেখানে পুজোয় শামিল হন।
Advertisement
কোচবিহারের মহকুমা শাসক কুণাল বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, সার্কিট বেঞ্চের রায় দুপুর আড়াইটে নাগাদ আমাদের কাছে এসে পৌঁছয়। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানিয়েছি। আদালত বলেছে, এ বছরের জন্য কিছু শর্ত সাপেক্ষে অনুমতি দিতে। সিসি ক্যামেরা লাগানো, বর্জ্য সাফ, আলো, সঠিক সাফাইয়ের ব্যবস্থা, জীববৈচিত্র্য যাতে ব্যাহত না হয়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। জেলা প্রশাসন যত দ্রুত সম্ভব এর ব্যবস্থা করবে। যতক্ষণ না ব্যবস্থা হচ্ছে, পুণ্যার্থীরা অপেক্ষা করবেন। এর মধ্যেই বিকেল সোয়া তিনটে নাগাদ পুলিসের কাছ থেকে খবর পাই কিছু মানুষ আলোচনা না করে কিংবা অনুমতি না নিয়েই পুজো করছেন।
প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সার্কিট বেঞ্চে রিট পিটিশন করেন নর্থবেঙ্গল বাসফোর অ্যান্ড হরিজন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সভাপতি দীপু হরিজন এবং অন্যান্য। এদিন আদালতের নির্দেশের পর দীপু হরিজন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাগরদিঘিতে কয়েকশো ছটব্রতী পুজো করে আসছেন। কিন্তু এবার প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, সেখানে ছটপুজো করা যাবে না। এরই বিরুদ্ধে সার্কিট বেঞ্চে মামলা দায়ের করি। আদালতের নির্দেশ মেনে সেখানে ছটপুজোর আয়োজন করা হয়।
প্রশাসনিক নিষেধাজ্ঞার বিরুদ্ধে সার্কিট বেঞ্চে রিট পিটিশন করেন নর্থবেঙ্গল বাসফোর অ্যান্ড হরিজন ওয়েলফেয়ার অর্গানাইজেশনের সভাপতি দীপু হরিজন এবং অন্যান্য। এদিন আদালতের নির্দেশের পর দীপু হরিজন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে সাগরদিঘিতে কয়েকশো ছটব্রতী পুজো করে আসছেন। কিন্তু এবার প্রশাসনের তরফে জানানো হয়, সেখানে ছটপুজো করা যাবে না। এরই বিরুদ্ধে সার্কিট বেঞ্চে মামলা দায়ের করি। আদালতের নির্দেশ মেনে সেখানে ছটপুজোর আয়োজন করা হয়।



