সংবাদদাতা, ডোমকল: প্রসূতি স্ত্রীর মৃত্যুতে খোদ সরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকের বিরুদ্ধেই গাফিলতি ও ভুল চিকিৎসার অভিযোগ তুলেছিলেন তাঁর স্বামী। বিভিন্ন মহলে চিকিৎসকের নামে অভিযোগও দায়ের করেছিলেন। সুরাহা না হওয়ায় শেষ পর্যন্ত অভিযুক্ত চিকিৎসকের নামে বহরমপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা করেছিলেন তাঁর স্বামী। সেই মামলায় এবারে চিকিৎসকের বিরুদ্ধে এফআইআর রুজু করার নির্দেশ দিল আদালত। আদালতের নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার ডোমকল থানায় অভিযুক্ত চিকিৎসক স্বপন বিশ্বাসের নামে অভিযোগ দায়ের হয়। পুলিস সূত্রের খবর, ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতা আইনের ১০৬(১) ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে।
Advertisement
ঘটনার সূত্রপাত গত বছরের জুলাই মাসে। সূত্রের খবর, প্রসব যন্ত্রণা নিয়ে গত বছরের ১৭ জুলাই স্ত্রী চুমকি দেবনাথকে ডোমকল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করেছিলেন জলঙ্গির সাহেবরামপুরের প্রসেনজিৎ দেবনাথ। ওই দিনই অস্ত্রোপচারের পর সন্তান প্রসব করেন চুমকিদেবী। কিন্তু তারপর তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাঁকে রেফার করা হয় মুর্শিদাবাদ মেডিক্যাল কলেজের ‘মাতৃ মা’ বিভাগে। সেখানেই ২৫ জুলাই তাঁর মৃত্যু হয়।
এদিকে, প্রসেনজিৎ তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকের গাফিলতি নিয়ে অভিযোগ তোলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ভুল চিকিৎসা ও কর্তব্যে গাফিলতির কারণে সিজারের পর স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে এবং পরবর্তীতে তার স্ত্রী মারা যায়। তাঁর দাবি, তাঁর স্ত্রী হাসপাতালে থাকা অবস্থায় বয়ান দিয়ে গেছেন ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে, তার ভিডিও রেকর্ডিংও তাঁর কাছে রয়েছে। তাছাড়া মাতৃ মা’র চিকিৎসকরাও অস্ত্রোপচারে ভুল ছিল বলে তাঁকে জানিয়েছেন।
এরপরই ডোমকল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের ওই চিকিৎসক স্বপন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন মৃতার স্বামী। প্রশাসনিক মহলে অভিযোগ জানিয়েও শেষ পর্যন্ত সুরাহা না হওয়ায় মাস কয়েক আগে বহরমপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দ্বারস্থ হন। ওই আদালতের নির্দেশেই শুক্রবার অভিযুক্ত চিকিৎসকের নামে ডোমকল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়।
প্রসেনজিৎবাবু বলেন, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ জানাতেই আমার এত মাস কেটে গেল। কবে বিচার পাব জানি না। তবে লড়াই চালিয়ে যাব আমি। আইনের প্রতি আস্থা রয়েছে আমার।
প্রসেনজিৎবাবুর আইনজীবী মিরাজুল মণ্ডল বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসকের নামে যে ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে তা সঠিক নয়, তাঁর বিরুদ্ধে আরও কড়া ধারায় মামলা রুজু করা দরকার।
যদিও অভিযুক্ত চিকিৎসক স্বপন বিশ্বাস বলেন, যেহেতু পুরো ঘটনা আদালতের বিচারাধীন। তাই এ বিষয়ে আমি আদালতের বাইরে কিছু মন্তব্য করব না। যা বলার আমি আদালতে বলব।
এদিকে, প্রসেনজিৎ তাঁর স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকের গাফিলতি নিয়ে অভিযোগ তোলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ভুল চিকিৎসা ও কর্তব্যে গাফিলতির কারণে সিজারের পর স্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে শুরু করে এবং পরবর্তীতে তার স্ত্রী মারা যায়। তাঁর দাবি, তাঁর স্ত্রী হাসপাতালে থাকা অবস্থায় বয়ান দিয়ে গেছেন ওই চিকিৎসকের বিরুদ্ধে, তার ভিডিও রেকর্ডিংও তাঁর কাছে রয়েছে। তাছাড়া মাতৃ মা’র চিকিৎসকরাও অস্ত্রোপচারে ভুল ছিল বলে তাঁকে জানিয়েছেন।
এরপরই ডোমকল সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালের ওই চিকিৎসক স্বপন বিশ্বাসের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মহলে লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন মৃতার স্বামী। প্রশাসনিক মহলে অভিযোগ জানিয়েও শেষ পর্যন্ত সুরাহা না হওয়ায় মাস কয়েক আগে বহরমপুর চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের দ্বারস্থ হন। ওই আদালতের নির্দেশেই শুক্রবার অভিযুক্ত চিকিৎসকের নামে ডোমকল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের হয়।
প্রসেনজিৎবাবু বলেন, চিকিৎসকের বিরুদ্ধে একটা অভিযোগ জানাতেই আমার এত মাস কেটে গেল। কবে বিচার পাব জানি না। তবে লড়াই চালিয়ে যাব আমি। আইনের প্রতি আস্থা রয়েছে আমার।
প্রসেনজিৎবাবুর আইনজীবী মিরাজুল মণ্ডল বলেন, অভিযুক্ত চিকিৎসকের নামে যে ধারায় মামলা রুজু করা হয়েছে তা সঠিক নয়, তাঁর বিরুদ্ধে আরও কড়া ধারায় মামলা রুজু করা দরকার।
যদিও অভিযুক্ত চিকিৎসক স্বপন বিশ্বাস বলেন, যেহেতু পুরো ঘটনা আদালতের বিচারাধীন। তাই এ বিষয়ে আমি আদালতের বাইরে কিছু মন্তব্য করব না। যা বলার আমি আদালতে বলব।



