নিজস্ব প্রতিনিধি, জলপাইগুড়ি: দিনবাজারে অবৈধ দোকান ভেঙে দিল জলপাইগুড়ি পুরসভা। সোমবার পুলিসকে সঙ্গে নিয়ে অভিযান চালায় পুর কর্তৃপক্ষ। ভেঙে দেওয়া হয় বেআইনিভাবে তৈরি করা বহু দোকান। বাকিগুলি ২ জানুয়ারির মধ্যে ব্যবসায়ীদের ভেঙে নিতে বলা হয়েছে। নতুবা ফের অভিযান চালিয়ে ওইসব অবৈধ দোকান ভেঙে দেওয়া হবে বলে জানান পুরসভার চেয়ারপার্সন পাপিয়া পাল। অভিযানে চেয়ারপার্সন ছাড়াও ছিলেন ভাইস চেয়ারম্যান, চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল সহ পুর আধিকারিকরা।
Advertisement
এদিকে, ভিনরাজ্য থেকে আসা অনেকেই দিনবাজারে ডালা নিয়ে ব্যবসা করছেন। রাতেও বাজারের বিভিন্ন দোকানে অচেনা লোক থাকছে। আধার কার্ড, ভোটার কার্ড চাইলে দেখাতে পারছে না তারা। এদিনের অভিযানে জলপাইগুড়ি পুরসভার তরফে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, বৈধ নথিপত্র দেখাতে না পারলে ভিনরাজ্যের কাউকে শহরে ব্যবসা করতে দেওয়া হবে না। কারণ কারা ব্যবসার নাম করে কোথা থেকে আসছে, কারা রাতে বাজারেই থেকে যাচ্ছে, এটা স্পষ্ট হওয়া দরকার। নতুবা কোনও ঘটনা ঘটে গেলে তার দায় কে নেবে?
চেয়ারপার্সন বলেন, দিনবাজারকে দখলমুক্ত করতে চাইছি আমরা। এর আগে একাধিকবার নোটিস দেওয়া হয়েছে। তারপরও অনেকে দোকানের বেআইনি অংশ ভাঙেননি। সোমবার অভিযান চালিয়ে ওইসব ভাঙতে শুরু করেছি। আগামী কয়েকদিন অভিযান চলবে।
২০১৫ সালের ৭ মে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড হয়েছিল দিনবাজারে। শতাধিক দোকান পুড়ে গিয়েছিল। ফের যাতে ওই ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেজন্য সতর্ক পুরসভা। এদিন পুর কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, দিনবাজারকে কোনওভাবে জতুগৃহে পরিণত হতে দেওয়া হবে না। পুরসভা বাজারের সৌন্দর্যায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। ৫৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পেভার ব্লকের কাজ হবে। মাছ বিক্রেতাদের জন্য আলাদা জায়গায় শেডের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। পলিথিন টাঙিয়ে কিংবা বেআইনিভাবে যেখানে সেখানে নির্মাণ করে ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর রাজ্য সরকার দিনবাজারে চারতলা ভবন বিশিষ্ট মার্কেট কমপ্লেক্স করেছে। এক টাকার বিনিময়ে সেখানে ইতিমধ্যেই ১১৭ জন ব্যবসায়ীকে দোকানঘর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, মার্কেট কমপ্লেক্সে দোকান পাওয়ার পরও অনেকে সেখানে যাচ্ছেন না। তাঁরা দিনবাজারে ঢোকার রাস্তা আটকে ব্যবসা করছেন। ওইসব ব্যবসায়ীদের বারবার সময় দেওয়া হয়েছে পুরসভার তরফে। এদিন পুর কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, ৬ জানুয়ারি থেকে দিনবাজারে পেভার ব্লকের কাজ শুরু হবে। তার আগে সমস্ত জবরদখল মুক্ত করতে হবে। ব্যবসায়ীরা যদি নিজেরা বেআইনি দোকান না ভাঙেন, তাহলে পুরসভা ভেঙে দেবে। উল্লেখ্য, অবৈধ দোকানদের সতর্ক করতে গত ২৯ নভেম্বর দিনবাজারে প্রথম অভিযান চালিয়েছিল পুরসভা।
চেয়ারপার্সন বলেন, দিনবাজারকে দখলমুক্ত করতে চাইছি আমরা। এর আগে একাধিকবার নোটিস দেওয়া হয়েছে। তারপরও অনেকে দোকানের বেআইনি অংশ ভাঙেননি। সোমবার অভিযান চালিয়ে ওইসব ভাঙতে শুরু করেছি। আগামী কয়েকদিন অভিযান চলবে।
২০১৫ সালের ৭ মে বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ড হয়েছিল দিনবাজারে। শতাধিক দোকান পুড়ে গিয়েছিল। ফের যাতে ওই ধরনের ঘটনা না ঘটে, সেজন্য সতর্ক পুরসভা। এদিন পুর কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়েছে, দিনবাজারকে কোনওভাবে জতুগৃহে পরিণত হতে দেওয়া হবে না। পুরসভা বাজারের সৌন্দর্যায়নের উদ্যোগ নিয়েছে। ৫৪ লক্ষ টাকা ব্যয়ে পেভার ব্লকের কাজ হবে। মাছ বিক্রেতাদের জন্য আলাদা জায়গায় শেডের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে। পলিথিন টাঙিয়ে কিংবা বেআইনিভাবে যেখানে সেখানে নির্মাণ করে ব্যবসা চলতে দেওয়া হবে না।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর রাজ্য সরকার দিনবাজারে চারতলা ভবন বিশিষ্ট মার্কেট কমপ্লেক্স করেছে। এক টাকার বিনিময়ে সেখানে ইতিমধ্যেই ১১৭ জন ব্যবসায়ীকে দোকানঘর দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিযোগ, মার্কেট কমপ্লেক্সে দোকান পাওয়ার পরও অনেকে সেখানে যাচ্ছেন না। তাঁরা দিনবাজারে ঢোকার রাস্তা আটকে ব্যবসা করছেন। ওইসব ব্যবসায়ীদের বারবার সময় দেওয়া হয়েছে পুরসভার তরফে। এদিন পুর কর্তৃপক্ষের তরফে জানানো হয়, ৬ জানুয়ারি থেকে দিনবাজারে পেভার ব্লকের কাজ শুরু হবে। তার আগে সমস্ত জবরদখল মুক্ত করতে হবে। ব্যবসায়ীরা যদি নিজেরা বেআইনি দোকান না ভাঙেন, তাহলে পুরসভা ভেঙে দেবে। উল্লেখ্য, অবৈধ দোকানদের সতর্ক করতে গত ২৯ নভেম্বর দিনবাজারে প্রথম অভিযান চালিয়েছিল পুরসভা।



