নিজস্ব প্রতিনিধি, আসানসোল: মেঝের উপর শতরঞ্জি পাতা। তাতে বসে ব্লেজার পরা ঝকঝকে এক তরুণ। চারপাশে খুদের ভিড়। তাদের সঙ্গে নিজের খেয়ালে খুনসুঁটি করে যাচ্ছেন তিনি। ভালো কিছু মুহূর্ত দামি মোবাইলে বন্দি করছেন। আবার কখনও সেল্ফি। শিশুরা তাঁকে কাছে পেয়ে আনন্দে মশগুল। তাদের আনন্দে তাল মিলিয়ে আত্মহারা সেই তরুণও। যেন শৈশবে ফিরেছেন!
Advertisement
ব্লেজার পরিহিত তরুণ আসলে পোন্নমবলম এস। পশ্চিম বর্ধমানের জেলাশাসক। আইএএস অফিসার। বুধবার জেলার একটি আইসিডিএস পরিদর্শনে এসে শৈশব-স্মৃতিতে ডুব দিলেন তিনি। খেলার ছলে পালন করলেন নিজের প্রশাসনিক দায়িত্বও। শিশুদের শোনালেন বর্ণপরিচয়ের ছড়া। স্কুলজীবনে হয়তো এমন অনেক ছড়া তিনি শুনিয়েছেন শিক্ষকদের।
কিন্তু জেলাশাসক কেন আচমকা আইসিডিএসে? সম্প্রতি, রাজ্য সরকার শিশুশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর দিয়েছে। কিছু আইসিডিএস কেন্দ্রে বসতে চলেছে বড় এলইডি টিভি। শিশুরা সেই টিভির পর্দায় মজার ছলে পড়বে নান ছড়া। দেখবে শিক্ষামূলক কার্টুন। বেসরকারি স্কুলের অডিও ভিজুয়াল ক্লাস রুমের সুবিধাও মিলবে আইসিডিএসে। শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বসবে অত্যাধুনিক মেশিনপত্রও। এদিন জেলাশাসকের সারপ্রাইজ ভিজিটের কারণ মূলত এটাই। প্রাথমিক ঝালিয়ে নেওয়া উন্নত পরিকাঠামো গ্রহণ করতে আইসিডিএসগুলি কতটা উপযুক্ত। সেই সঙ্গে জেলাশাসক খোঁজ নিলেন খুদেদের খাবার-দাবারের ব্যাপারেও।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের ১০২টি আইসিডিএস সেন্টারকে সক্ষম অঙ্গনওয়াড়ি হিসেবে গড়ে তোলার অনুমোদন এসেছে। প্রতি অঙ্গনওয়াড়ি পিছু এক লক্ষ টাকা করে প্রাথমিক পর্যায়ে বরাদ্দ করা হয়েছে। যা দিয়ে কেনা হবে বড় এলইডি টিভি, অত্যাধুনিক ওয়াটার ফিল্টার সহ নানা সামগ্রী। সেন্টারে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রেও বরাদ্দ অর্থের কিছু অংশ খরচ হবে। বিল মেটা রাজ্য। এই নয়া পরিকল্পনায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। ছোটরা নানা শিক্ষামূলক কার্টুন দেখবে। সবমিলিয়ে শিশুরা যাতে ভালোবেসে পঠনপাঠনে মনযোগী হয়ে ওঠে, তার ব্যবস্থা করা।
শিল্পাঞ্চলের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে বিশুদ্ধ পানীয় জল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আধুনিক ফিল্টারের জল পান করলে শিশুদের বহু শারীরিক সমস্যাও কমবে। মা ও শিশুর শারীরিক অবস্থা আরও খুঁটিয়ে দেখার জন্য চারটি গ্রোথ মনিটারিং ডিভাইস দেওয়া হচ্ছে। ২ থেকে ৬ বছরে শিশুদের ওজন ও উচ্চতা মাপার জন্য স্টেডিওমিটার, ০ থেকে ২ বছরের শিশুদের একই কাজের জন্য এনফ্যান্টোমিটার থাকবে সেন্টারে। এছাড়াও থাকবে ডায়াল টাইপ চাইল্ড ওয়িং স্কেল ও মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ওয়িং স্কেল। জেলার ২ হাজার ৮৪৫টি আইডিসিএস সেন্টারেই এই চারটি মেশিন দেওয়া হচ্ছে। তাতে জেলার প্রায় এক লক্ষ ১৫ হাজার আইসিডিএস পড়ুয়ার ওজন ও উচ্চতা বৃদ্ধি আরও নিশ্চিতভাবে চিহ্নিত করা যাবে।
বুধবার জেলাশাসকের নির্দেশে অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক থেকে শুরু করে জেলা ও ব্লক প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা একযোগে জেলার আইডিসিএস সেন্টারগুলিতে সারপ্রাইজ ভিজিট করেন। তাঁরা খতিয়ে দেখেন আইডিসিএস কেন্দ্রে কী ধরনের খাবার দেওয়া হচ্ছে, সরকারের ঠিক করে দেওয়া ব্র্যান্ডের সামগ্রী দিয়ে রান্না হচ্ছে কিনা। জেলাশাসক পোন্নমবলম এস নিজে হাজির ছিলেন সালানপুরের একটি আইসিডিএসে। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক সঞ্জয় পাল। আসানসোলের মহকুমা শাসক বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য অন্য কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। জেলাশাসক বলেন, ‘রাজ্য সরকার কেন্দ্রগুলির মানোন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সেই পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে আমরা বিভিন্ন আইসিডিএস পরিদর্শন করছি।’
কিন্তু জেলাশাসক কেন আচমকা আইসিডিএসে? সম্প্রতি, রাজ্য সরকার শিশুশিক্ষা ব্যবস্থার উন্নয়নে জোর দিয়েছে। কিছু আইসিডিএস কেন্দ্রে বসতে চলেছে বড় এলইডি টিভি। শিশুরা সেই টিভির পর্দায় মজার ছলে পড়বে নান ছড়া। দেখবে শিক্ষামূলক কার্টুন। বেসরকারি স্কুলের অডিও ভিজুয়াল ক্লাস রুমের সুবিধাও মিলবে আইসিডিএসে। শিশুদের স্বাস্থ্য পরীক্ষায় বসবে অত্যাধুনিক মেশিনপত্রও। এদিন জেলাশাসকের সারপ্রাইজ ভিজিটের কারণ মূলত এটাই। প্রাথমিক ঝালিয়ে নেওয়া উন্নত পরিকাঠামো গ্রহণ করতে আইসিডিএসগুলি কতটা উপযুক্ত। সেই সঙ্গে জেলাশাসক খোঁজ নিলেন খুদেদের খাবার-দাবারের ব্যাপারেও।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিম বর্ধমানের ১০২টি আইসিডিএস সেন্টারকে সক্ষম অঙ্গনওয়াড়ি হিসেবে গড়ে তোলার অনুমোদন এসেছে। প্রতি অঙ্গনওয়াড়ি পিছু এক লক্ষ টাকা করে প্রাথমিক পর্যায়ে বরাদ্দ করা হয়েছে। যা দিয়ে কেনা হবে বড় এলইডি টিভি, অত্যাধুনিক ওয়াটার ফিল্টার সহ নানা সামগ্রী। সেন্টারে বিদ্যুৎ সংযোগ নেওয়ার ক্ষেত্রেও বরাদ্দ অর্থের কিছু অংশ খরচ হবে। বিল মেটা রাজ্য। এই নয়া পরিকল্পনায় অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলি আকর্ষণীয় হয়ে উঠবে। ছোটরা নানা শিক্ষামূলক কার্টুন দেখবে। সবমিলিয়ে শিশুরা যাতে ভালোবেসে পঠনপাঠনে মনযোগী হয়ে ওঠে, তার ব্যবস্থা করা।
শিল্পাঞ্চলের অঙ্গনওয়াড়ি কেন্দ্রগুলিতে বিশুদ্ধ পানীয় জল অত্যন্ত প্রয়োজনীয়। আধুনিক ফিল্টারের জল পান করলে শিশুদের বহু শারীরিক সমস্যাও কমবে। মা ও শিশুর শারীরিক অবস্থা আরও খুঁটিয়ে দেখার জন্য চারটি গ্রোথ মনিটারিং ডিভাইস দেওয়া হচ্ছে। ২ থেকে ৬ বছরে শিশুদের ওজন ও উচ্চতা মাপার জন্য স্টেডিওমিটার, ০ থেকে ২ বছরের শিশুদের একই কাজের জন্য এনফ্যান্টোমিটার থাকবে সেন্টারে। এছাড়াও থাকবে ডায়াল টাইপ চাইল্ড ওয়িং স্কেল ও মাদার অ্যান্ড চাইল্ড ওয়িং স্কেল। জেলার ২ হাজার ৮৪৫টি আইডিসিএস সেন্টারেই এই চারটি মেশিন দেওয়া হচ্ছে। তাতে জেলার প্রায় এক লক্ষ ১৫ হাজার আইসিডিএস পড়ুয়ার ওজন ও উচ্চতা বৃদ্ধি আরও নিশ্চিতভাবে চিহ্নিত করা যাবে।
বুধবার জেলাশাসকের নির্দেশে অতিরিক্ত জেলাশাসক, মহকুমা শাসক থেকে শুরু করে জেলা ও ব্লক প্রশাসনের শীর্ষ কর্তারা একযোগে জেলার আইডিসিএস সেন্টারগুলিতে সারপ্রাইজ ভিজিট করেন। তাঁরা খতিয়ে দেখেন আইডিসিএস কেন্দ্রে কী ধরনের খাবার দেওয়া হচ্ছে, সরকারের ঠিক করে দেওয়া ব্র্যান্ডের সামগ্রী দিয়ে রান্না হচ্ছে কিনা। জেলাশাসক পোন্নমবলম এস নিজে হাজির ছিলেন সালানপুরের একটি আইসিডিএসে। সঙ্গে ছিলেন অতিরিক্ত জেলাশাসক সঞ্জয় পাল। আসানসোলের মহকুমা শাসক বিশ্বজিৎ ভট্টাচার্য অন্য কেন্দ্র পরিদর্শন করেন। জেলাশাসক বলেন, ‘রাজ্য সরকার কেন্দ্রগুলির মানোন্নয়নে একাধিক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। সেই পরিকল্পনার অঙ্গ হিসেবে আমরা বিভিন্ন আইসিডিএস পরিদর্শন করছি।’



