সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: যাত্রাপথের মাঝে মানুষ পেয়ে প্রথমে শুঁড়ে তুলে আছাড়। পরে মৃত ভেবে সেই জখম ব্যক্তিকে পাতা দিয়ে ঢেকে দিয়ে স্থান ত্যাগ করল একটি বুনো হাতি। বুধবার ঘটনাটি ঘটে খড়িবাড়ি ব্লকের বিন্নাবাড়ি বাঞ্ছাভিটায়। প্রমাণ লোপাট করতে আনারস পাতা দিয়ে তাঁকে ‘সমাধি’ দেওয়ার চেষ্টা করে হাতিটি। যদিও পরে গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। বনবিভাগ জানিয়েছে, জখমের নাম খাঁড়া হাঁসদা (৫৫)। তিনি ওই এলাকারই বাসিন্দা।
Advertisement
বনবিভাগ সূত্রে খবর, এদিন টুকরিয়াঝার বনাঞ্চলের দলছুট একটি দাঁতাল হাতি ওই এলাকায় হানা দেয়। ঘটনাক্রমে এদিন ভোরে একটি আনারস বাগানে শৌচকর্ম করতে গিয়েছিলেন খাঁড়াবাবু। সেখানেই তিনি বুনো হাতির মুখোমুখি পড়েন। হাতিটি তাঁকে শুঁড় দিয়ে আছাড় মারে। ঘটনাস্থলেই অজ্ঞান হয়ে যান তিনি। এদিকে তাঁকে মৃত ভেবে আনারসের পাতা দিয়ে দেহটি ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা করে হাতিটি। অনেকটা সময় কেটে গেলেও তিনি বাড়ি ফিরে না আসায় খোঁজ শুরু করেন পরিবারের সদস্যরা। তাঁর ছেলে এলাকায় দেখেন, পাতা দিয়ে ঢাকা অবস্থায় খাঁড়াবাবু পড়ে রয়েছেন। খবর পেয়ে ঘোষপুকুর রেঞ্জের বনকর্মীরা পৌঁছে তাঁকে উদ্ধার করে খড়িবাড়ি গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। পরে সেখান থেকে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা জখমকে উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে পাঠান।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ওই এলাকায় যান শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ কিশোরীমোহন সিংহ। তিনি জখমের পরিবারকে সাহায্যের আশ্বাস দেন। ঘোষপুকুরের রেঞ্জার প্রমিত লাল বলেন, খবর পেয়ে জখমকে উদ্ধার করে মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। দলছুট একটি হাতিকে জঙ্গলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকায় মাইকিং করেছি।
এরকম কেন করল দাঁতালটি? দীর্ঘদিন হাতি নিয়ে উত্তরবঙ্গে কাজ করা শিলিগুড়ির অভিযান সাহা বলেন, হাতিদের বুদ্ধিমত্তা অনেক বেশি। কোনও মৃত পশু-পাখি সামনে পড়ে থাকলে দেহটি হাতিরা পাতা দিয়ে ঢেকে দেয়। শাবক মারা গেলেও তাকে মাটি দিয়ে চাপা দেওয়ার দৃষ্টান্ত দেখা গিয়েছে একাধিকবার। এমনকী, অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনও প্রাণী বা মানুষকে মেরে ফেললে সেই ক্ষেত্রেও এই ধরনের আচরণ করে হাতি। তাকে মাটি কিংবা পাতা দিয়ে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা। সে বোঝানোর চেষ্টা করে, এই মৃত্যু তার কাছেও অনভিপ্রেত। এক্ষেত্রেও তাই-ই হয়েছে। মানুষকে মারলে অনুশোচনায় সে সেই জঙ্গলও ত্যাগ করে যায় বলে অনেক উদাহরণ রয়েছে।
এদিকে ঘটনার খবর পেয়ে ওই এলাকায় যান শিলিগুড়ি মহকুমা পরিষদের বন ও ভূমি কর্মাধ্যক্ষ কিশোরীমোহন সিংহ। তিনি জখমের পরিবারকে সাহায্যের আশ্বাস দেন। ঘোষপুকুরের রেঞ্জার প্রমিত লাল বলেন, খবর পেয়ে জখমকে উদ্ধার করে মেডিক্যালে পাঠানো হয়েছে। দলছুট একটি হাতিকে জঙ্গলে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে। এছাড়া ওই এলাকায় মাইকিং করেছি।
এরকম কেন করল দাঁতালটি? দীর্ঘদিন হাতি নিয়ে উত্তরবঙ্গে কাজ করা শিলিগুড়ির অভিযান সাহা বলেন, হাতিদের বুদ্ধিমত্তা অনেক বেশি। কোনও মৃত পশু-পাখি সামনে পড়ে থাকলে দেহটি হাতিরা পাতা দিয়ে ঢেকে দেয়। শাবক মারা গেলেও তাকে মাটি দিয়ে চাপা দেওয়ার দৃষ্টান্ত দেখা গিয়েছে একাধিকবার। এমনকী, অনিচ্ছাকৃতভাবে কোনও প্রাণী বা মানুষকে মেরে ফেললে সেই ক্ষেত্রেও এই ধরনের আচরণ করে হাতি। তাকে মাটি কিংবা পাতা দিয়ে ঢেকে দেওয়ার চেষ্টা। সে বোঝানোর চেষ্টা করে, এই মৃত্যু তার কাছেও অনভিপ্রেত। এক্ষেত্রেও তাই-ই হয়েছে। মানুষকে মারলে অনুশোচনায় সে সেই জঙ্গলও ত্যাগ করে যায় বলে অনেক উদাহরণ রয়েছে।



