সংবাদদাতা, দুর্গাপুর: মঙ্গলবার দুর্গাপুর কোকওভেন থানা এলাকায় এক ব্যক্তিকে মাথায় লোহার রড দিয়ে মেরে খুনের অভিযোগ উঠল এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। মৃতের নাম যীশু কুমার(৪৬)। তাঁর বাড়ি ভগৎপল্লি এলাকায়। ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরিস্থিতি বেগতিক বুঝে অভিযুক্ত পিন্টু বাউরি থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। ধৃতকে বুধবার দুর্গাপুর মহকুমা আদালতে পেশ করলে বিচারক সাতদিনের পুলিসি হেফাজতের নির্দেশ দেন। পুলিস ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, যীশু কুমার পেশায় ট্যাঙ্কার চালক। তিনি কাজের সূত্রে ২০ দিন ভিনরাজ্যে ছিলেন। কয়েকদিন আগে বাড়ি ফিরেছেন। ওই দিন দুপুরে করঙ্গপাড়ার মোড়ে স্থানীয় বাসিন্দা পিন্টুর সঙ্গে যীশুর বচসা হয়। দু’জনেই মদ্যপ অবস্থায় ছিল। অভিযোগ, পিন্টু একটি লোহার রড দিয়ে যীশুর মাথাই সজোরে আঘাত করে। রক্তাক্ত অবস্থায় তিনি সেখানেই দীর্ঘক্ষণ লুটিয়ে পড়ে থাকে। পিন্টু থানায় গিয়ে আত্মসমর্পণ করে। পুলিস ও পরিবারের লোকজন এসে যীশুকে উদ্ধার করে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসা চলাকালীন ওই রাতে তাঁর মৃত্যু হয়। স্থানীয় বাসিন্দা শ্যামসুল মল্লিক ও সুন্দরী গড়াই বলেন, করঙ্গপাড়ার বাসিন্দা পিন্টু বাউরির নামে এর আগেও খুনের অভিযোগ রয়েছে। আমরা চাই এর কঠোর শাস্তি হোক। মৃতের স্ত্রী উত্তরা কুমার বলেন,আমি খবর পেয়েছি দু’জনেই মদ্যপ অবস্থায় ছিল। তাই বলে এইভাবে খুন করে দিল। আমি পিন্টুর কঠোর শাস্তি চাই। আমার ছেলে দ্বাদশে ও মেয়ে দশম শ্রেণিতে পড়ে। কীভাবে এবার আমার সংসার চলবে। এসিপি (দুর্গাপুর) সুবীর রায় বলেন, লোহার রড দিয়ে আঘাত করে খুন করা হয়েছে। আমরা লোহার রডটি উদ্ধারের প্রচেষ্টা চালাচ্ছি। অভিযুক্তকে হেফাজতে নিয়ে খুনের তদন্ত চলছে।



