Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সন্ন্যাসী সহ মৃত ২ জন

আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁরা এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন

জাতীয় সড়কে দুর্ঘটনা ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সন্ন্যাসী সহ মৃত ২ জন
  • ১৮ মার্চ, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা. উলুবেড়িয়া: সোমবার সকালে কলকাতার গড়িয়ার আশ্রম থেকে মহিষাদল যাওয়ার পথে বাগনানে এক পথ দুর্ঘটনায় ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের এক সন্ন্যাসী এবং এক সেবকের মৃত্যু হয়েছে। মর্মান্তিক এই দুর্ঘটনায় আশ্রমের চারণদলের মুখ্য প্রচারক অমরানন্দজি মহারাজ সহ পাঁচজন গুরুতর জখম হয়েছে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাঁরা এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। দুর্ঘটনার খবরে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর নির্দেশে স্থানীয় বিধায়ক তথা রাজ্যের পূর্ত-জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের মন্ত্রী পুলক রায় আহত সন্ন্যাসীদের চিকিৎসা ব্যবস্থার তদারকি করেন। গুরুতর জখমদের কলকাতায় পাঠানোর ব্যবস্থা করেন। এদিন বিকেলে ওই সন্ন্যাসী এবং সেবকের মৃতদেহ ময়নাতদন্তের পর ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘ কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। পুলিস জানিয়েছে, দুর্ঘটনায় মৃতরা হলেন শুভঙ্করানন্দজি ওরফে সুভাষ মহারাজ (৫৫) এবং সেবক বাসুদেব মণ্ডল (৬০)। সুভাষ মহারাজ সঙ্ঘের চারণদলের সহ প্রচারক। 

Advertisement

ভারত সেবাশ্রম সঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক দিলীপ মহারাজ জানিয়েছে, এদিন সকালে গড়িয়ার আশ্রম থেকে অমরানন্দজি এবং শুভঙ্করানন্দজি মহারাজ ছ’জনের একটি দল নিয়ে মহিষাদল আশ্রমে যাচ্ছিলেন। সেখানে বাসন্তী পুজো উপলক্ষেই তাঁদের যাওয়া। পথে দুভার্গ্যজনক এই ঘটনা। আশ্রমের পাঁচজন এখন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। পুলিস জানিয়েছে, মুম্বই রোড বা ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে বাগনানের লাইব্রেরি মোড়ের কাছে সকাল সোয়া ছ’টা নাগাদ মর্মান্তিক ওই দুর্ঘটনাটি ঘটে।  সঙ্ঘের ম্যাটাডরটি ওই সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার ডিভাইডার টপকে উল্টোদিকে কলকাতামুখী লেনে ঢুকে যায়। বালি বোঝাই একটি লরির সঙ্গে ম্যাটাডরটির মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। ওই সময় লরির পিছনে থাকা একটি প্রাইভেট গাড়িও দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। পুলিস ও স্থানীয় বাসিন্দারা দুর্ঘটনায় জখম মোট আটজনকে স্থানীয় শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানেই সন্ন্যাসী সুভাষ মহারাজ এবং সেবক বাসুদেব মণ্ডলকে মৃত বলে ঘোষণা করেন চিকিৎসকরা। জখমদের মধ্যে একজনকে প্রাথমিক চিকিৎসার পর ছেড়ে দেওয়া হলেও, সন্ন্যাসী অমরানন্দজি মহারাজ সহ বাকি পাঁচজনকে কলকাতায় পাঠানো হয়। তাঁদের মধ্যে তিনজনের অবস্থা অত্যন্ত আশঙ্কাজনক। দুর্ঘটনার পর বেশ কিছুক্ষণ যানজটে আবদ্ধ হয়ে যায় জাতীয় সড়কের একটি লেন। দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে সঙ্ঘ শিবিরে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ