সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: আবাস যোজনার টাকা ঢুকতে না ঢুকতেই তৃণমূলের নেতা কর্মীদের তোলাবাজি শুরু হয়েছে বলে অভিযোগ। কারও কাছ থেকে ১০ হাজার, আবার কারও কাছ থেকে ২০ হাজার টাকা দাবি করা হচ্ছে। আবার একজনের কাছেই দু’-তিন গোষ্ঠীর নেতারা আসছেন। সূতিতে এমনই অভিযোগ উঠেছে তৃণমূলের এক বুথ সভানেত্রীর বিরুদ্ধে। অভিযোগ, উপভোক্তার কাছে তিনি ২০হাজার টাকা দাবি করেন। সেই টাকার হক এবং অধিকার একমাত্র তাঁরই রয়েছে বলে দাবি করেন। অন্য কেউ টাকা চাইতে এলে তাঁকে যেন এক কানাকড়িও না দেওয়া হয়, এবিষয়ে তিনি সতর্ক করে দেন। শনিবার বিকেলে এমনই একটি ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। শাসকদলের ওই নেত্রী টাকা চাওয়ার কথা স্বীকারও করেছেন। তিনি নতুন কাজ করছেন ঠিক বুঝতে পারেননি বলে জানিয়েছেন। এনিয়ে রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়েছে।
Advertisement
সূতি-২ ব্লকের কাশিমনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের গাজিপুরের বাসিন্দা চেনু বিবির অ্যাকাউন্টে আবাস যোজনার প্রথম কিস্তির টাকা ঢোকে। তাঁর বাড়িতে গিয়েই ২০ হাজার টাকা দাবি করেন তৃণমূল নেত্রী নীলিমা দাস। ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, চেনু বিবির বাড়িতে গিয়ে নীলিমাদেবী নিজেকে তৃণমূলের ৪৯ নম্বর বুথের সভানেত্রী বলে পরিচয় দেন। উপর মহলের নির্দেশে তিনি এখানে এসেছেন বলে জানান। ২০ হাজার টাকা দেওয়ার জন্য তিনি চাপ সৃষ্টি করেন। চেনু বিবির বাড়ি পাওয়ার পিছনে তাঁর এবং দলের নেতাদেরই ভূমিকা রয়েছে বলে জানান। ফলে তাঁকেই টাকা দিতে হবে। এটাই নিয়ম। বাড়ি পাওয়ার পিছনে অন্য কারও ভূমিকা নেই। তাই অন্য কাউকে যাতে টাকা না দেওয়া হয়, সেই বিষয়েও সতর্ক করেন। এমনকী এই টাকা পাওয়ার আসল হকদার কে, তা প্রধানের কাছ থেকে জেনে নিতে বলেন।
চেনু বিবি একজন বিড়ি শ্রমিক। ঘরের বারান্দায় বসে তিনি বিড়ি বাঁধার কাজ করছিলেন। তিনি এসব কিছু বোঝেন না বলে ওই নেত্রীকে জানান। টাকা ঢুকেছে কি না সেটাও তিনি দেখতে জানেন না। ছেলেই বলতে পারবে বলে জানান। চেনু বিবি বলেন, বারবার বাড়িতে লোক আসছে। আর টাকা চাইছে। কেউ ১০ হাজার। কেউ আবার বিশ হাজার দাবি করছে। আমি গরিব মানুষ, কোনওরকমে বিড়ি বেঁধে সংসার চলে। টাকা আমি তুলিনি। তবে ছেলে বলেছে আমাদেরও টাকা ঢুকেছে। ওদের যদি টাকা দিয়ে দেব তাহলে আমি বাড়িটা করব কীভাবে বলুন তো? নীলিমাদেবী বলেন, আমি নতুন কাজ শুরু করেছি। নতুন হিসেবে আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। আমি আর কোনওদিন কারও কাছ থেকে টাকা চাইব না। কেউ আমাকে টাকার জন্য পাঠায়নি।
গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান চায়না খাতুন বলেন, আমি টাকা তুলতে পাঠিয়েছি বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। এটা সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন অভিযোগ। এখন ব্যস্ত রয়েছি। পরে এবিষয়ে কথা বলব।
চেনু বিবি একজন বিড়ি শ্রমিক। ঘরের বারান্দায় বসে তিনি বিড়ি বাঁধার কাজ করছিলেন। তিনি এসব কিছু বোঝেন না বলে ওই নেত্রীকে জানান। টাকা ঢুকেছে কি না সেটাও তিনি দেখতে জানেন না। ছেলেই বলতে পারবে বলে জানান। চেনু বিবি বলেন, বারবার বাড়িতে লোক আসছে। আর টাকা চাইছে। কেউ ১০ হাজার। কেউ আবার বিশ হাজার দাবি করছে। আমি গরিব মানুষ, কোনওরকমে বিড়ি বেঁধে সংসার চলে। টাকা আমি তুলিনি। তবে ছেলে বলেছে আমাদেরও টাকা ঢুকেছে। ওদের যদি টাকা দিয়ে দেব তাহলে আমি বাড়িটা করব কীভাবে বলুন তো? নীলিমাদেবী বলেন, আমি নতুন কাজ শুরু করেছি। নতুন হিসেবে আমার ভুল হয়ে গিয়েছে। আমি আর কোনওদিন কারও কাছ থেকে টাকা চাইব না। কেউ আমাকে টাকার জন্য পাঠায়নি।
গ্রামপঞ্চায়েতের প্রধান চায়না খাতুন বলেন, আমি টাকা তুলতে পাঠিয়েছি বলে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা সঠিক নয়। এটা সম্পূর্ণভাবে ভিত্তিহীন অভিযোগ। এখন ব্যস্ত রয়েছি। পরে এবিষয়ে কথা বলব।



