Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবাসের তালিকায় নাম নেই, আবার আবেদনপত্র জমা ক্ষুব্ধ উপভোক্তাদের

আবাসের তালিকায় নাম নেই, আবার আবেদনপত্র জমা ক্ষুব্ধ উপভোক্তাদের
  • ৪ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মানকর: পাকা বাড়ি পাওয়ার তালিকায় নাম নেই। মঙ্গলবার রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের ক্ষুব্ধ বাসিন্দাদের একাংশ গলসি-১ ব্লক অফিসে এসে লিখিত আবেদনপত্র জমা দিলেন। অভিযোগ, তাঁরা খড়ের চাল ও মাটির বাড়িতে বাস করেন। সেই বাড়ির অবস্থাও ভালো নয়। একাধিকবার সমস্ত কাগজপত্র জমা দিয়েছেন। তারপরেও নাম আসেনি আবাস যোজনা প্রাপকের তালিকায়। ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ত্রিস্তরীয় সমীক্ষার পরই তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। কোনও ব্যক্তির নাম বাদ গিয়ে থাকলে তাঁরা ফের আবেদন করলে সত্যতা যাচাই করা হচ্ছে। এদিন লিখিত অভিযোগ দেওয়ার পর হালিমা বেগম বলেন, যাঁদের মাটির বাড়ি তাঁরা বাড়ি পায়নি। অথচ দালান বাড়ি রয়েছে এমন অনেকের নাম তালিকায় রয়েছে। আবাসের প্রাথমিক তালিকায় আমার নাম ছিল। সমীক্ষার পর সেই নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। কেন বাদ দেওয়া হল বুঝতে পারছি না। অথচ আমার মাটির বাড়ি। আবাস যোজনায় বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। একই অভিযোগ করে জরিনা সেখ বলেন, আমার মাটির বাড়ির অবস্থা খুবই খারাপ। বৃষ্টি হলে খুব সমস্যা হয়। গত বর্ষায় ব্যাপক সমস্যায় পড়তে হয়েছে। নতুন বাড়ি তৈরি করার সামর্থ্য নেই। এভাবেই পরিবার নিয়ে কষ্টে দিনযাপন করছি।
Advertisement
অপর আবেদনকারী আরতি হাজরা বলেন, অনেকবার কাগজপত্র জমা দিয়েছি। একবারও নাম আসেনি। আমার বাড়িও পর্যবেক্ষণ করা হয়নি। আবেদনকারী ইমদাদুল শেখ জানান, সঠিকভাবে পর্যবেক্ষণ না হওয়ার জন্যই যোগ্য আবেদনকারীরা বাদ গিয়েছে। তবে ব্লক প্রশাসনের তরফে সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। 
বিষয়টি নিয়ে সিপিএম নেতা হারাধন ঘোষ বলেন, সারা ব্লক জুড়ে অনিয়ম চলছে। যাঁদের মাটির বাড়ি ভেঙে পড়ছে তাঁরা বাড়ি পাচ্ছেন না। অথচ তৃণমূলের নেতা, তাঁদের আত্মীয়দের নাম আবাসের তালিকায় থাকছে। প্রকৃত উপভোক্তারাই এই প্রকল্পের সুবিধা পাক আমরা এটাই চাই। অবশ্য এই অভিযোগ অস্বীকার করে রামগোপালপুর পঞ্চায়েতের প্রধান ফজিলা বেগম বলেন, গ্রাম পঞ্চায়েত এই সমীক্ষা করেনি। ব্লক প্রশাসনের তরফে করা হয়েছে। যোগ্য উপভোক্তারা বাড়ি পাক আমরাও চাই। বিষয়টি নিয়ে গলসি-১ ব্লকের বিডিও জয়প্রকাশ মণ্ডল বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।
সম্পর্কিত সংবাদ