সংবাদদাতা, হবিবপুর: অনুগামীদের দিয়ে বাংলার বাড়ির জন্য ২০ হাজার টাকা কাটমানি নেওয়ার অভিযোগ উঠল বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য গোবিন্দ চৌধুরীর বিরুদ্ধে। উপভোক্তা শান্তি চৌধুরীর ছেলে সারিয়ন চৌধুরীর কাছে পরবর্তীতে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়ার নাম করে আরও ১০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। কিন্তু কেন দেব, প্রশ্ন করায় উপভোক্তাকে মারধর করে বিজেপি সদস্যের অনুগামীরা। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে হবিবপুর ব্লকের ঋষিপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের দেবীনগর এলাকায়। এই ঘটনার পরই গ্রামের অন্য উপভোক্তাদের একাংশ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তাঁদের কেউ কেউ বলছেন, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার আবাসের টাকা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। অথচ তাদের দলের সদস্যরাই আবার রাজ্যের দেওয়া টাকায় ভাগ বসাচ্ছেন!
Advertisement
পঞ্চায়েত সদস্য গোবিন্দ অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, যেহেতু আমি পঞ্চায়েতে বিজেপির সদস্য এবং বিরোধী দলনেতা, সেজন্য আমাকে ফাঁসানোর চক্রান্ত করা হচ্ছে। কারও কাছ থেকে কোনও টাকা নেওয়া হয়নি।
অভিযোগ, মুদি ব্যবসায়ী সারিয়নের মায়ের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ঢুকেছিল। প্রায় দুই মাস আগে তখন পঞ্চায়েত সদস্যের অনুগামী বিপ্লব চৌধুরী ২০ হাজার টাকা নেন। এখন দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়ার নাম করে বিপ্লব আরও ১০ হাজার টাকা ওই যুবকের কাছে দাবি করে।
সারিয়ন বলেছেন, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টা নাগাদ কয়েকজন অনুগামীর সঙ্গে বাড়ির কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন গোবিন্দ। টাকা চাওয়ার বিষয়টি তাঁর কাছে জানতে চাইলে অনুগামীরা গালিগালাজ ও হুমকি দিতে শুরু করে। পরবর্তীতে কয়েকজন কিল, চর, ঘুষি মারতে মারতে মাটিতে ফেলে দেয় আমাকে। একাধিক জায়গায় আঘাত লেগেছে। মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়েছিল তারা।
এরপর পরিবারের লোকরা সারিয়নকে উদ্ধার করে স্থানীয় বুলবুলচণ্ডী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা করার পর হবিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
বিপ্লবের দাবি, কোনও টাকা নিইনি। বিজেপির বদনাম করার জন্য চক্রান্ত করা হচ্ছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে হবিবপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি কেষ্ট মুর্মু বলেন, কেন্দ্র আবাসের টাকা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী গরিব মানুষের কথা ভেবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আবাসের টাকা দিচ্ছেন। অন্যদিকে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যরা আবার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সেই টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে তোলা তুলছেন। এটি অত্যন্ত নিন্দাজনক ঘটনা। এটাই বিজেপির আসল ছবি। প্রশাসনকে অনুরোধ করব, অভিযুক্ত বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।
অভিযোগ, মুদি ব্যবসায়ী সারিয়নের মায়ের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ঢুকেছিল। প্রায় দুই মাস আগে তখন পঞ্চায়েত সদস্যের অনুগামী বিপ্লব চৌধুরী ২০ হাজার টাকা নেন। এখন দ্বিতীয় কিস্তির টাকা দেওয়ার নাম করে বিপ্লব আরও ১০ হাজার টাকা ওই যুবকের কাছে দাবি করে।
সারিয়ন বলেছেন, মঙ্গলবার দুপুর সাড়ে ১২ টা নাগাদ কয়েকজন অনুগামীর সঙ্গে বাড়ির কাছে দাঁড়িয়ে ছিলেন গোবিন্দ। টাকা চাওয়ার বিষয়টি তাঁর কাছে জানতে চাইলে অনুগামীরা গালিগালাজ ও হুমকি দিতে শুরু করে। পরবর্তীতে কয়েকজন কিল, চর, ঘুষি মারতে মারতে মাটিতে ফেলে দেয় আমাকে। একাধিক জায়গায় আঘাত লেগেছে। মোবাইল ফোনও কেড়ে নিয়েছিল তারা।
এরপর পরিবারের লোকরা সারিয়নকে উদ্ধার করে স্থানীয় বুলবুলচণ্ডী গ্রামীণ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে চিকিৎসা করার পর হবিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তিনি।
বিপ্লবের দাবি, কোনও টাকা নিইনি। বিজেপির বদনাম করার জন্য চক্রান্ত করা হচ্ছে।
ঘটনা প্রসঙ্গে হবিবপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি কেষ্ট মুর্মু বলেন, কেন্দ্র আবাসের টাকা দিতে ব্যর্থ হয়েছে। আমাদের মানবিক মুখ্যমন্ত্রী গরিব মানুষের কথা ভেবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে আবাসের টাকা দিচ্ছেন। অন্যদিকে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যরা আবার সাধারণ মানুষের কাছ থেকে সেই টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে তোলা তুলছেন। এটি অত্যন্ত নিন্দাজনক ঘটনা। এটাই বিজেপির আসল ছবি। প্রশাসনকে অনুরোধ করব, অভিযুক্ত বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের বিরুদ্ধে আইনত ব্যবস্থা নেওয়া হোক।



