সংবাদদাতা, বালুরঘাট: ঝোপ বুঝে কোপ মারছেন নির্মাণ সামগ্রীর ব্যবসায়ীরা। বাংলার বাড়ি প্রকল্পের টাকা দেওয়ার পর বাড়ি তৈরির তোড়জোড় শুরু হতেই নির্মাণ সামগ্রীর দাম আচমকা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠছে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন এলাকায়। ১৫ দিন আগে ইট, বালি, সিমেন্ট, পাথর ও লোহার যা দাম ছিল, তা বেড়েছে অনেকটাই। বেড়েছে রাজমিস্ত্রীদের পারিশ্রমিকও। হার্ডওয়ার ব্যবসায়ীদের দাবি, বেশি দাম দিয়ে সামগ্রী কিনতে হচ্ছে। তাই দাম বেশি হয়েছে। রাতারাতি এমনভাবে দাম বেড়ে যাওয়ায় উপভোক্তারা পড়েছেন মহা সমস্যায়। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের নজরদারির দাবি উঠেছে।
Advertisement
দক্ষিণ দিনাজপুরের অতিরিক্ত জেলাশাসক নবীন কুমার চন্দ্র বলেন, এবিষয়ে আমাদের কাছে কোনও অভিযোগ আসেনি। কেউ জানালে খতিয়ে দেখব।
প্রশাসন সূত্রে খবর, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ৮৩ হাজার ২৭৬ জনের নাম তালিকায় ছিল। তাদের মধ্যে ৭১ হাজার ৯৭২ জন উপভোক্তা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। এদের অনেকের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ঢুকে গিয়েছে। কীভাবে বাড়ি তৈরি করতে হবে, সে বিষয়ে উপভোক্তাদের নিয়ে ব্লক প্রশাসন কর্মশালাও করেছে। প্রথম কিস্তির টাকা দিয়ে দ্রুত বাড়ি তৈরি শুরু করলে দেওয়া হবে পরের কিস্তির টাকা। স্বাভাবিকভাবে উপভোক্তারা নির্মাণ সামগ্রী কিনতে দোকানে দোকানে খোঁজখবর শুরু করেছেন। সামগ্রীর দাম শুনে এখন আঁতকে উঠছেন উপভোক্তারা।
অমৃতখণ্ডের বাসিন্দা উপভোক্তা বাসুদেব দেবনাথ বলেন, তালিকায় নাম ছিল বলে আগে দোকানে গিয়ে বাড়ি তৈরির সামগ্রীর দাম জেনেছিলাম। এখন দেখছি সব জিনিসের দাম অনেকটাই বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে।
জেলায় কিছুদিন আগে এক হাজার এক নম্বর ইটের দাম ছিল ১১ হাজার টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১২ হাজার টাকায়। দু’নম্বর ইটের দামও বেড়েছে। এক ট্রাক্টর বালির দাম ১৭০০ থেকে বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে ৩০০০ এ।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ব্রিকস ফিল্ড ওনারর্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পবন গোয়েঙ্কা বলেন, মাঝখানে দাম কম ছিল। এখন দাম পরিবর্তন হয়েছে।
প্রশাসন সূত্রে খবর, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ৮৩ হাজার ২৭৬ জনের নাম তালিকায় ছিল। তাদের মধ্যে ৭১ হাজার ৯৭২ জন উপভোক্তা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য। এদের অনেকের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০ হাজার টাকা ঢুকে গিয়েছে। কীভাবে বাড়ি তৈরি করতে হবে, সে বিষয়ে উপভোক্তাদের নিয়ে ব্লক প্রশাসন কর্মশালাও করেছে। প্রথম কিস্তির টাকা দিয়ে দ্রুত বাড়ি তৈরি শুরু করলে দেওয়া হবে পরের কিস্তির টাকা। স্বাভাবিকভাবে উপভোক্তারা নির্মাণ সামগ্রী কিনতে দোকানে দোকানে খোঁজখবর শুরু করেছেন। সামগ্রীর দাম শুনে এখন আঁতকে উঠছেন উপভোক্তারা।
অমৃতখণ্ডের বাসিন্দা উপভোক্তা বাসুদেব দেবনাথ বলেন, তালিকায় নাম ছিল বলে আগে দোকানে গিয়ে বাড়ি তৈরির সামগ্রীর দাম জেনেছিলাম। এখন দেখছি সব জিনিসের দাম অনেকটাই বেড়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের নজরদারির প্রয়োজন রয়েছে।
জেলায় কিছুদিন আগে এক হাজার এক নম্বর ইটের দাম ছিল ১১ হাজার টাকা। এখন বিক্রি হচ্ছে সাড়ে ১২ হাজার টাকায়। দু’নম্বর ইটের দামও বেড়েছে। এক ট্রাক্টর বালির দাম ১৭০০ থেকে বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে ৩০০০ এ।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা ব্রিকস ফিল্ড ওনারর্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি পবন গোয়েঙ্কা বলেন, মাঝখানে দাম কম ছিল। এখন দাম পরিবর্তন হয়েছে।



