নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আবাসের টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে ফেরার সময় ছিনতাইয়ের ঘটনায় পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট তলব করল হুগলি জেলা প্রশাসন। কীভাবে দিনমজুর ওই পরিবারের পাশে থাকা যায়, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই পরিকল্পনা শুরু হয়েছে। ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা হুগলি জেলা পরিষদের এক আধিকারিক বলেন, গোঘাটের ঘটনা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজ্যের সঙ্গে কথা বলা হচ্ছে। নির্দেশমতো ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Advertisement
গোঘাট-২ ব্লকের জয়েন্ট বিডিও কুন্তলকুমার মণ্ডল বলেন, আবাসের প্রথম কিস্তির টাকা ছিনতাইয়ের ঘটনা সংবাদমাধ্যম মারফত পেয়েছি। এব্যাপারে জেলা প্রশাসনও রিপোর্ট চেয়েছে। সেইমতো সংশ্লিষ্ট ব্যাঙ্ক ও থানা থেকে তথ্য নিয়ে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে। জেলা প্রশাসনের নির্দেশমতো পরবর্তী পদক্ষেপ হবে।
মাটির ঘরেই দিন গুজরান করেন গোঘাটের গড় মান্দারণের সহদেব রায় ও তাঁর পরিবার। সেই ঘরটিও বেহাল হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি আবাস প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে ঢোকে। সোমবার সেই টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে মেয়েকে নিয়ে ফিরছিলেন। সেই সময় দুই বাইক আরোহী তাঁর ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালায়। দিনের বেলায় ব্যস্ততম রাস্তায় তাঁদের ব্যাগ ছিনতাই হতে পারে, তা স্বপ্নেও ভাবেননি সহদেববাবু। এই ঘটনায় তাঁর পাকা ঘরে থাকার স্বপ্ন চুরমার হয়ে যায়। এখন কীভাবে তিনি প্রশাসনের শর্ত মেনে ঘর তৈরি করবেন, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন।
সহদেববাবুর মেয়ে রত্না রায় বলেন, আবাসের টাকা দিয়ে বাবা পাকা ঘর করবেন ভেবেছিলেন। সেই জন্য ওইদিন ব্যাঙ্ক থেকে ৬০ হাজার টাকা তুলে ফিরছিলাম। হঠাৎ দুই বাইক আরোহী রাস্তা কোন দিকে জানার অজুহাতে টাকার ব্যাগটি ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। যিনি বাড়ি তৈরি করে দিতেন তাঁর বাড়িতে টাকা পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলাম। এখন সরকারি নির্দেশ মেনে কী করে বাড়ি তৈরি হবে, আমরা ভেবে পাচ্ছি না।
মাটির ঘরেই দিন গুজরান করেন গোঘাটের গড় মান্দারণের সহদেব রায় ও তাঁর পরিবার। সেই ঘরটিও বেহাল হয়ে পড়েছে। সম্প্রতি আবাস প্রকল্পের প্রথম কিস্তির টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে ঢোকে। সোমবার সেই টাকা ব্যাঙ্ক থেকে তুলে মেয়েকে নিয়ে ফিরছিলেন। সেই সময় দুই বাইক আরোহী তাঁর ব্যাগ ছিনিয়ে নিয়ে পালায়। দিনের বেলায় ব্যস্ততম রাস্তায় তাঁদের ব্যাগ ছিনতাই হতে পারে, তা স্বপ্নেও ভাবেননি সহদেববাবু। এই ঘটনায় তাঁর পাকা ঘরে থাকার স্বপ্ন চুরমার হয়ে যায়। এখন কীভাবে তিনি প্রশাসনের শর্ত মেনে ঘর তৈরি করবেন, তা নিয়ে চিন্তায় পড়েছেন।
সহদেববাবুর মেয়ে রত্না রায় বলেন, আবাসের টাকা দিয়ে বাবা পাকা ঘর করবেন ভেবেছিলেন। সেই জন্য ওইদিন ব্যাঙ্ক থেকে ৬০ হাজার টাকা তুলে ফিরছিলাম। হঠাৎ দুই বাইক আরোহী রাস্তা কোন দিকে জানার অজুহাতে টাকার ব্যাগটি ছিনতাই করে পালিয়ে যায়। যিনি বাড়ি তৈরি করে দিতেন তাঁর বাড়িতে টাকা পৌঁছে দিতে যাচ্ছিলাম। এখন সরকারি নির্দেশ মেনে কী করে বাড়ি তৈরি হবে, আমরা ভেবে পাচ্ছি না।



