সংবাদদাতা, চাঁচল: কেন্দ্রীয় সরকারের বঞ্চনা সত্ত্বেও বাংলার বাড়ি প্রকল্প চালু করে গরিবদের মাথায় ছাদ দিতে উদ্যোগী হয়েছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার থেকে ১২ লক্ষ পরিবারকে টাকা দেওয়া শুরু হয়েছে। তারপরেও বঞ্চনার অভিযোগ করে বিক্ষোভ হল মালদহের চাঁচল-১ ব্লকের চণ্ডীগাছি গ্রামে। সেখানে সমীক্ষা করতে গিয়ে বাসিন্দাদের একাংশের বিক্ষোভের মুখে পড়লেন জয়েন্ট বিডিও শ্যামল দাস। মঙ্গলবার রাতে এই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় এলাকায়।
Advertisement
গাড়ি ঘিরে জয়েন্ট বিডিওর বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন বাসিন্দাদের একাংশ। বুধবার গ্রামে গিয়ে জানা যায়, একাধিক পরিবারের কাঁচাবাড়ি থাকলেও বাংলার বাড়ি প্রকল্পে তাঁরা টাকা পাচ্ছেন না। অযোগ্যদের অনেকে সেই সুবিধা পেয়েছেন বলে বঞ্চিতদের অভিযোগ। তাঁদের কথায়, সমীক্ষা চলাকালীন জয়েন্ট বিডিওর কাছে অভিযোগ জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু বাসিন্দাদের এড়িয়ে যান তিনি। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে একাংশ জয়েন্ট বিডিওকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়ম মেনেই এলাকায় সমীক্ষা চলছে। পুরনো তালিকায় থাকা উপভোক্তারা বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা পাচ্ছেন। নির্মাণ কর্মী লক্ষ্মণ দাসের অভিযোগ, মাটির বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। সমীক্ষাও করে গিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিকেরা। কিন্তু আমরা টাকা পাচ্ছি না। অযোগ্যরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন অভিযোগ করে গ্রামবাসীদের একাংশ জয়েন্ট বিডিওকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।
স্থানীয় চম্পা দাসের অভিযোগ,আমাদের কাঁচা বাড়ি রয়েছে। অথচ বাড়ি থেকে বঞ্চিত থাকলাম। পঞ্চায়েত সদস্য অযোগ্যদের কাছ থেকে কাটমানি নিয়ে ঘর পাইয়ে দিচ্ছেন। প্রশাসনের আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলেও শোনেননি।
যদিও পঞ্চায়েত সদস্যা শিপ্রা দাস কাটমানির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন,প্রশাসনই সমীক্ষা চালাচ্ছে। আমাদের পঞ্চায়েতের কোনও যোগ নেই। যাঁরা অভিযোগ করছেন, তাঁদের অনেকে পিডব্লুএল তালিকায় রয়েছেন। কেন্দ্র টাকা না দিলেও ২০২৬ সালে রাজ্য তাঁদের টাকা দেবে।
জয়েন্ট বিডিও শ্যামল দাসের মন্তব্য, সরকারি নিয়ম মেনেই কাজ হচ্ছে। অযোগ্যরা যাতে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের সুবিধা না পান, সেজন্যেই তো সমীক্ষা করা হচ্ছে।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, নিয়ম মেনেই এলাকায় সমীক্ষা চলছে। পুরনো তালিকায় থাকা উপভোক্তারা বাংলার বাড়ি প্রকল্পে টাকা পাচ্ছেন। নির্মাণ কর্মী লক্ষ্মণ দাসের অভিযোগ, মাটির বাড়িতে সন্তানদের নিয়ে কষ্টে দিন কাটাচ্ছি। সমীক্ষাও করে গিয়েছেন প্রশাসনের আধিকারিকেরা। কিন্তু আমরা টাকা পাচ্ছি না। অযোগ্যরা এই প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন অভিযোগ করে গ্রামবাসীদের একাংশ জয়েন্ট বিডিওকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন।
স্থানীয় চম্পা দাসের অভিযোগ,আমাদের কাঁচা বাড়ি রয়েছে। অথচ বাড়ি থেকে বঞ্চিত থাকলাম। পঞ্চায়েত সদস্য অযোগ্যদের কাছ থেকে কাটমানি নিয়ে ঘর পাইয়ে দিচ্ছেন। প্রশাসনের আধিকারিকের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলেও শোনেননি।
যদিও পঞ্চায়েত সদস্যা শিপ্রা দাস কাটমানির অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন,প্রশাসনই সমীক্ষা চালাচ্ছে। আমাদের পঞ্চায়েতের কোনও যোগ নেই। যাঁরা অভিযোগ করছেন, তাঁদের অনেকে পিডব্লুএল তালিকায় রয়েছেন। কেন্দ্র টাকা না দিলেও ২০২৬ সালে রাজ্য তাঁদের টাকা দেবে।
জয়েন্ট বিডিও শ্যামল দাসের মন্তব্য, সরকারি নিয়ম মেনেই কাজ হচ্ছে। অযোগ্যরা যাতে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের সুবিধা না পান, সেজন্যেই তো সমীক্ষা করা হচ্ছে।



