সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: বাংলার বাড়ির নামে কাটমানি নেওয়ায় অভিযুক্ত বিজেপি নেতা। সোমবার হরিরামপুর ব্লক অফিসে গিয়ে লিখিত অভিযোগ করেছেন উপভোক্তারা। স্থানীয়দের অভিযোগ, হরিরামপুর ব্লকের সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মোবারকপুর ও কানাইপুর সংসদের আবাসের উপভোক্তাদের কাছে বাড়ি বাড়ি গিয়ে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢুকিয়ে দেওয়ার নামে পাঁচ হাজার টাকা করে তোলেন বিজেপি নেতা তাপস সরকার।
Advertisement
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, সৈয়দপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের জয়ী নির্দল প্রার্থী অঞ্জলি সরকারের স্বামী তাপস। হরিরামপুর মণ্ডলের সহ সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন অভিযুক্ত। উপভোক্তাদের দাবি, তাপসের সঙ্গীসাথীরা উপভোক্তাদের বাড়ি গিয়ে দ্বিতীয় কিস্তির টাকা আটকে দেওয়ার হুমকি পর্যন্ত দিয়েছেন। উপভোক্তাদের অভিযোগ, হরিরামপুর ব্লকে আবাসের কন্ট্রোল রুমের নম্বর সকলে জানেন না। অভিযোগকারী উপভোক্তা নির্মল সরকারের কথায়, আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যের স্বামী তাপস সরকার আবাসের দ্বিতীয় কিস্তির টাকা পাইয়ে দেওয়ার নামে আমাদের অনেকের কাছে পাঁচ হাজার টাকা করে তুলেছেন। বাকি উপভোক্তাদের হুমকি দিচ্ছে কাটমানি না দিলে বাকি টাকা আটকে দেবে। তাপসের বক্তব্য, আমার হয়ে ভোটে যে ছেলেরা খেটেছে, তারা মিষ্টি খাওয়ার জন্য এক হাজার টাকা করে নিয়েছে। জোর করে টাকা নেওয়া ও হুমকি দেওয়া হয়নি। হরিরামপুরের বিডিওকে এবিষয়ে একাধিকবার ফোন ও মেসেজ করলেও তিনি উত্তর দেননি। গঙ্গারামপুর মহকুমা শাসক অভিষেক শুক্লা বলেন, প্রত্যেকটি ব্লকে আবাসের কন্ট্রোল রুম খোলা রয়েছে। হরিরামপুর ব্লকে যেসব উপভোক্তা সরকারি প্রকল্পের জন্য টাকা নেওয়ার অভিযোগ করেছেন, তাঁদের বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা বিজেপি সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, বিজেপির কর্মী যদি সরকারি প্রকল্পের সুবিধে পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা তোলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিক প্রশাসন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল থেকে বহিস্কার করা হবে। রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের মন্তব্য, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দিতে যদি কেউ টাকা তোলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা বিজেপি সভাপতি স্বরূপ চৌধুরী বলেন, বিজেপির কর্মী যদি সরকারি প্রকল্পের সুবিধে পাইয়ে দেওয়ার নামে টাকা তোলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিক প্রশাসন। অভিযোগ প্রমাণিত হলে দল থেকে বহিস্কার করা হবে। রাজ্যের মন্ত্রী বিপ্লব মিত্রের মন্তব্য, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা দিতে যদি কেউ টাকা তোলেন, তাঁর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।



