শ্রীকান্ত পড়্যা, পাঁশকুড়া: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির টাকা পেয়ে খুশি পাঁশকুড়ার শ্রীকান্ত চক্রবর্তী। পাঁশকুড়া ব্লকের গোবিন্দনগর পঞ্চায়েতের মানুর গ্রামে শ্রীকান্তবাবুর বাড়ি। গত সেপ্টেম্বর মাসে বন্যায় এই গ্রাম সম্পূর্ণ জলের তলায় চলে গিয়েছিল। শ্রীকান্তবাবুর কাঁচা বাড়ি ভেঙে তছনছ হয়ে গিয়েছে। এক মাসের বেশি সময় কংসাবতী নদীবাঁধে আশ্রয় নিয়েছিলেন। ত্রিপল খাটিয়ে কোনওরকমে বসবাস করছেন। মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে রাজ্য সরকারের আবাসের প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসন শ্রীকান্তবাবুকে রাজ্যে পাঠিয়েছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রীর কাছ থেকে চেক পেয়ে উচ্ছ্বসিত শ্রীকান্তবাবু। আবাস যোজনার টাকায় দ্রুত পাকা বাড়ি বানাবেন বলে জানিয়েছেন।
Advertisement
শ্রীকান্তবাবু মুখ্যমন্ত্রীর হাত থেকে পাকা বাড়ি তৈরির চেক পেয়েছেন। তবে, তাঁর মতো পাঁশকুড়া ব্লকের গোবিন্দনগর পঞ্চায়েতের আরও ন’জন পাকাবাড়ি তৈরির জন্য আবাসের টাকা পেয়েছেন। বন্যায় তাঁদের বাড়ি ভেঙে গিয়েছিল। প্রত্যেকের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির ৬০হাজার টাকা ঢুকেছে। ওই তালিকায় মঙ্গলদাঁড়ি গ্রামের কার্তিকচন্দ্র বল্লভ, নারায়ণ বল্লভ, সৌদামিনী বল্লভ ও সুরজিৎ সামন্ত আছেন। এছাড়া মানুর গ্রামের রাজীব মিশ্র, সঞ্জীব মিশ্র, লক্ষ্মীকান্ত চক্রবর্তী, নন্দ জানা ও সীতারাম মাইতি আছেন। বন্যায় প্রত্যেকের মাটির বাড়ি পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত। ব্লক প্রশাসন তাঁদের নামের তালিকা জোগাড় করে আবাস উপভোক্তা হিসেবে সিলমোহর দিয়েছিল। প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁদের নাম প্রথমে রাখে পাঁশকুড়া ব্লক প্রশাসন।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর পাঁশকুড়ায় চার জায়গায় কেলেঘাই নদীবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যা হয়। গোবিন্দনগর পঞ্চায়েতের মানুরে নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ওই এলাকা পুরোপুরি জলের তলায় চলে গিয়েছিল। নদীবাঁধের উপর সারি সারি তাঁবু খাঁটিয়ে মানুষজন দীর্ঘদিন আশ্রয় নিয়েছিলেন। ১৯ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোবিন্দনগর পঞ্চায়েতের মঙ্গলদারি গ্রামে বন্যা পরিদর্শনে যান। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার বার্তা দেন। বন্যাদুর্গতদের দেওয়া কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যায় পুরোপুরি বাড়ি ভেঙে পড়া ১০জনকে আবাস যোজনায় পাকা বাড়ি তৈরির জন্য টাকা দেওয়া হল।
কোলাঘাট ব্লকের পুলশিটা থেকে শেখ রফিক আলিকে আবাস উপভোক্তাকে রাজ্যে পাঠানো হয়েছিল। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন ওই দুই আবাস উপভোক্তাকে রাজ্যের অনুষ্ঠানে পাঠিয়েছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের হাতে বাড়ি তৈরির চেক তুলে দেন। দু’জনেই আবাস যোজনায় টাকা পেয়ে দ্রুত বাড়ি তৈরির অঙ্গীকার করেছেন। শ্রীকান্তবাবুর ছেলে শিবশঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, বাবা বাড়ি বাড়ি পুজো করে। আমিও একই পেশার সঙ্গে যুক্ত। আমাদের নুন আনতে পান্তা ফুরনোর অবস্থা। মাত্র ছ’কাঠা জমি। তাও বন্যায় ফসল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাড়ি তৈরি নিয়ে ভীষণ চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু, রাজ্য সরকার বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়ায় অনেকটাই দুশ্চিন্তামুক্ত হয়েছি। এজন্য আমরা জেলা প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।
পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সুজিত রায় বলেন, পাঁশকুড়া ব্লকে বন্যায় বাড়ি নষ্ট হওয়া ১০ জনকে পাকা বাড়ি তৈরির জন্য আবাস যোজনায় টাকা দেওয়া হয়েছে।
গত ১৬ সেপ্টেম্বর পাঁশকুড়ায় চার জায়গায় কেলেঘাই নদীবাঁধ ভেঙে বিস্তীর্ণ এলাকায় বন্যা হয়। গোবিন্দনগর পঞ্চায়েতের মানুরে নদীবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় ওই এলাকা পুরোপুরি জলের তলায় চলে গিয়েছিল। নদীবাঁধের উপর সারি সারি তাঁবু খাঁটিয়ে মানুষজন দীর্ঘদিন আশ্রয় নিয়েছিলেন। ১৯ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোবিন্দনগর পঞ্চায়েতের মঙ্গলদারি গ্রামে বন্যা পরিদর্শনে যান। ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থাকার বার্তা দেন। বন্যাদুর্গতদের দেওয়া কথা রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী। বন্যায় পুরোপুরি বাড়ি ভেঙে পড়া ১০জনকে আবাস যোজনায় পাকা বাড়ি তৈরির জন্য টাকা দেওয়া হল।
কোলাঘাট ব্লকের পুলশিটা থেকে শেখ রফিক আলিকে আবাস উপভোক্তাকে রাজ্যে পাঠানো হয়েছিল। পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন ওই দুই আবাস উপভোক্তাকে রাজ্যের অনুষ্ঠানে পাঠিয়েছিল। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁদের হাতে বাড়ি তৈরির চেক তুলে দেন। দু’জনেই আবাস যোজনায় টাকা পেয়ে দ্রুত বাড়ি তৈরির অঙ্গীকার করেছেন। শ্রীকান্তবাবুর ছেলে শিবশঙ্কর চক্রবর্তী বলেন, বাবা বাড়ি বাড়ি পুজো করে। আমিও একই পেশার সঙ্গে যুক্ত। আমাদের নুন আনতে পান্তা ফুরনোর অবস্থা। মাত্র ছ’কাঠা জমি। তাও বন্যায় ফসল নষ্ট হয়ে গিয়েছে। বাড়ি তৈরি নিয়ে ভীষণ চিন্তায় ছিলাম। কিন্তু, রাজ্য সরকার বাড়ি তৈরির টাকা দেওয়ায় অনেকটাই দুশ্চিন্তামুক্ত হয়েছি। এজন্য আমরা জেলা প্রশাসন ও রাজ্য সরকারের কাছে কৃতজ্ঞ।
পাঁশকুড়া পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি সুজিত রায় বলেন, পাঁশকুড়া ব্লকে বন্যায় বাড়ি নষ্ট হওয়া ১০ জনকে পাকা বাড়ি তৈরির জন্য আবাস যোজনায় টাকা দেওয়া হয়েছে।



