সংবাদদাতা, রামপুরহাট: বাংলার বাড়ি প্রকল্পের তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগ তুলে সোমবার রামপুরহাট-১ বিডিও’র চেম্বারে ঢুকে তৃণমূলের পতাকা নিয়ে বিক্ষোভ দেখালেন দাদপুর গ্রামের বঞ্চিতরা। এই ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। অভিযোগ, বিক্ষোভকারীরা বিডিওকে হেনস্তাও করে। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছে বিক্ষোভকারীরা। তড়িঘড়ি রামপুরহাট থানার আইসির নেতৃত্বে পুলিস এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। পুলিস জানিয়েছে, বিডিও অভিযোগ করবেন বলে জানিয়েছেন। অভিযোগ পেলেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
Advertisement
বিক্ষোভকারী নূর মহম্মদ বলেন, দিদি বলেছেন তদন্ত করে প্রকৃত গরিব মানুষদের বাংলার আবাস প্রকল্পের সুবিধা দিতে হবে। কিন্তু আমাদের গ্রামের অনেক গরিব মানুষের নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। অথচ যাদের পাকা দোতলা বাড়ি আছে, তাঁদের নাম তালিকায় রয়েছে। এই নিয়ে সাতবার বিডিওর সঙ্গে দেখা করতে এসেছি। আরটিআইও করেছি। প্রশাসন সরেজমিনে তদন্ত করে দেখুক আমরা বাড়ি পাওয়ার যোগ্য কি না।
অভিযোগ, এদিন কিছুক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর তৃণমূলের পতাকা কাঁধে তারা বিডিওর চেম্বারে ঢুকে উচ্চস্বরে কথা বলার পাশাপাশি হম্বিতম্বি শুরু করে। পুনরায় তদন্তের দাবি তোলে। এই নিয়ে কথাবার্তা চলাকালীন বিডিওকে বিক্ষোভকারীরা মারতে উদ্যত হন বলে অভিযোগ। পরে বিডিওর চেম্বারের বাইরে গেটে থাকা মহিলা কর্মীকে ঘিরে চিৎকার করতে থাকেন। বিক্ষোভকারী রাকিবুল শেখ বলেন, তখন বিডিও বেরিয়ে আসেন। আমি মোবাইলে ভিডিও করছিলাম। সেই সময় বিডিও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টার পাশাপাশি মারার জন্য হাত তোলেন। বলেন, তোমাদের সঙ্গে কথা বলব না। ভিডিওতে বিডিওকে বলতে দেখা যাচ্ছে, কেন গেটে থাকা মহিলা কর্মীর উপর তোমরা চিৎকার চেঁচোমেচি করছ। আমি কারও উপর হাত তুলিনি। পাল্টা নূর মহম্মদ বলছেন, আপনি কেন অসহায় মানুষদের হুমকি দিচ্ছেন। আপনি আমাকে গ্রেপ্তার করান। এরপর বিডিও চেম্বারে ঢুকে পড়ে। পিছুপিছু বিক্ষোভকারীরাও ঢুকে বিডিওকে ঘুষখোর বলার পাশাপাশি মারতে উদ্যত হয় বলে অভিযোগ। মিনিট পনেরো ধরে বিডিওকে হেনস্তা করা হয়।
অভিযোগ, এদিন কিছুক্ষণ বিক্ষোভ চলার পর তৃণমূলের পতাকা কাঁধে তারা বিডিওর চেম্বারে ঢুকে উচ্চস্বরে কথা বলার পাশাপাশি হম্বিতম্বি শুরু করে। পুনরায় তদন্তের দাবি তোলে। এই নিয়ে কথাবার্তা চলাকালীন বিডিওকে বিক্ষোভকারীরা মারতে উদ্যত হন বলে অভিযোগ। পরে বিডিওর চেম্বারের বাইরে গেটে থাকা মহিলা কর্মীকে ঘিরে চিৎকার করতে থাকেন। বিক্ষোভকারী রাকিবুল শেখ বলেন, তখন বিডিও বেরিয়ে আসেন। আমি মোবাইলে ভিডিও করছিলাম। সেই সময় বিডিও মোবাইল কেড়ে নেওয়ার চেষ্টার পাশাপাশি মারার জন্য হাত তোলেন। বলেন, তোমাদের সঙ্গে কথা বলব না। ভিডিওতে বিডিওকে বলতে দেখা যাচ্ছে, কেন গেটে থাকা মহিলা কর্মীর উপর তোমরা চিৎকার চেঁচোমেচি করছ। আমি কারও উপর হাত তুলিনি। পাল্টা নূর মহম্মদ বলছেন, আপনি কেন অসহায় মানুষদের হুমকি দিচ্ছেন। আপনি আমাকে গ্রেপ্তার করান। এরপর বিডিও চেম্বারে ঢুকে পড়ে। পিছুপিছু বিক্ষোভকারীরাও ঢুকে বিডিওকে ঘুষখোর বলার পাশাপাশি মারতে উদ্যত হয় বলে অভিযোগ। মিনিট পনেরো ধরে বিডিওকে হেনস্তা করা হয়।



