Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবাস যোজনার সমীক্ষার কাজ বর্ধমানে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক

আবাস যোজনার সমীক্ষার কাজ বর্ধমানে উচ্চপর্যায়ের বৈঠক
  • ৫ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, মানকর: বাংলা আবাস যোজনার সমীক্ষা ও শস্যবিমার আবেদনের কাজ খতিয়ে দেখতে সোমবার প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকরা  পূর্ব বর্ধমানে বৈঠক করেন। গলসি-১ ব্লকে ও বর্ধমানে সার্কিট হাউসে দু’দফায় বৈঠক করা হয়। রাজ্যের পঞ্চায়েত সচিব পি উলগানাথন, জেলাশাসক আয়েশা রানি এ, বর্ধমান সদর মহকুমা শাসক(উত্তর) তীর্থঙ্কর বিশ্বাস সহ অন্য আধিকারিকরা বৈঠকে যোগ দিয়েছিলেন। আবাস যোজনা প্রকল্পে সমীক্ষার কাজের গতি দেখে আধিকারিকরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন। শস্যবিমার কাজও ভালোভাবে চলছে বলে জানানো হয়। ‘ডানা’য় বেশকিছু এলাকার ধানজমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ওই এলাকাগুলিতে বিশেষ ক্যাম্প করা হয়েছে। টার্গেটের কাছাকাছি জেলা পৌঁছে গিয়েছে। তবে আবাস যোজনার সমীক্ষার কাজে আরও কিছুদিন সময় চাওয়া হয়। 
Advertisement
জেলাশাসক বলেন, আবাসের যে সমস্ত নাম বাতিল হয়েছে, তা নতুন করে একবার দেখতে হবে। বিনা কারণে বা যাতে কারও নাম বাদ না দেওয়া হয়-সেটা দেখা হবে। শস্যবিমার ক্ষেত্রে মাঠে ক্ষতির সমীক্ষা চাষিদের ভালোভাবে জানিয়ে করতে হবে।
এদিন প্রথমে গলসি-১এর বিডিও অফিসে দু’টি প্রকল্প নিয়ে দীর্ঘক্ষণ বৈঠক হয়। পরে বুদবুদের তিলডাং এলাকার শস্যবিমার একটি শিবিরে আধিকারিকরা উপস্থিত হন। তাঁরা কৃষকদের সঙ্গে কথাও বলেন। পরে ডানা ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মাঠ পরিদর্শন করে জেলাশাসক বর্ধমানের উদ্দেশে রওনা দেন। গলসি-১এর বিডিও জয়প্রকাশ মণ্ডল বলেন, ব্লকে কাজের মান দেখে তাঁরা সন্তোষ প্রকাশ করেছেন।
ব্লক প্রশাসন জানিয়েছে, ২০১৮ সালের আবাস যোজনার তালিকা অনুযায়ী আবেদনকারীদের যাচাই শুরু করেছেন সমীক্ষকরা। বেশকিছু আবেদনকারীকে অযোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। গলসি-১ ব্লকে নয়টি পঞ্চায়েতে সমীক্ষা শুরু হয়েছে। প্রতিটি পঞ্চায়েতে তিনটি বা চারটি দলে ভাগ হয়ে কাজ চলছে। তবে অনেকসময় আবেদনকারীর বাড়ির ছবি তুলতে গিয়ে সমীক্ষকদের সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। সেকথা এদিন উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে তুলে ধরা হয়। সূত্রের খবর, বৈঠকে আবাস যোজনায় আর্থিক সাহায্যের ক্ষেত্রে মানবিক দৃষ্টিভঙ্গি থাকতে হবে বলে জানানো হয়।
তিলডাংয়ে শস্যবিমার আবেদনের শিবিরে আধিকারিকদের কাছে ডানার ক্ষয়ক্ষতির কথা চাষিরা তুলে ধরেন। এলাকার কমবেশি সমস্ত চাষিই ডানার প্রভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। বিমার টাকা যাতে পাওয়া যায়, সেটা নিশ্চিত করার জন্য চাষিরা আধিকারিকদের অনুরোধ করেন। ডানার প্রভাবে বেশকিছু মাঠে ধান নুয়ে পড়েছে। এদিন আধিকারিকরা তা সরেজমিনে দেখেন।
সম্পর্কিত সংবাদ