সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: হাউস ফর অল প্রকল্পে মেলেনি সম্পূর্ণ টাকা। ফলে উপভোক্তারা পড়েছেন ফাঁপরে। তাই আবাস যোজনা প্রকল্পের পুরো টাকা চেয়ে বুধবার শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের উপভোক্তারা রঘুনাথপুর পুরসভার চেয়ারম্যানকে ঘেরাও করে বিক্ষোভ দেখান।
Advertisement
চেয়ারম্যানের তরফ থেকে বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানানো হয়েছে। অবিলম্বে টাকা না পেলে উপভোক্তাদের তরফ থেকে বৃহত্তর আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে। রঘুনাথপুর পুরসভার চেয়ারম্যান তরণী বাউরি বলেন, হাউস ফর অল প্রকল্পে যেমন টাকা আসে উপভোক্তাদের সেইমতো টাকা দিয়ে দেওয়া হয়। ওই ওয়ার্ডের কাউন্সিলার কিছু উপভোক্তার বাড়ির টাকা না ছাড়ার জন্য আবেদন করেছেন।
রঘুনাথপুর পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে রঘুনাথপুর পুরসভায় হাউস ফর অল প্রকল্পের সূচনা হয়। ওই অর্থবর্ষে ৪৮৬ জনের নামে বাড়ি অনুমোদন করা হয়। এছাড়া ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে মোট ৪০০ জনের বাড়ির অনুমোদন করা হয়েছে। প্রায় সকলের বাড়ির কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষ ও তারপরের অর্থবর্ষগুলির উপভোক্তারা বিপাকে পড়েছেন। ওই অর্থবর্ষগুলির কোনও উপভোক্তা প্রকল্পের পুরো টাকা পাননি। ফলে কারও বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। কয়েক বছর হয়ে গেলেও টাকা না পাওয়ায় উপভোক্তারা কেউ ত্রিপল টাঙিয়ে, কেউ ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন।
২০১৮-’১৯ অর্থবর্ষের উপভোক্তা পিনাকী সরকার, সুপ্রিয়া মাজি, ২০২১-’২২ অর্থবর্ষের উপভোক্তা বিজয় কুমার মাজি বলেন, বাড়ি তৈরির পুরো টাকা পাইনি। ফলে আমাদের বহু কষ্ট করে থাকতে হচ্ছে। অনেকেই ঘর ভেঙে বিপাকে পড়েছেন। যাঁদের একটি মাত্র ঘর ছিল, সেটি ভেঙে ফেলায় ভাড়া বাড়িতে থাকতে হচ্ছে। সেখানে মাসে মাসে ভাড়া গুনতে হচ্ছে। ওয়ার্ডের কাউন্সিলারকে বলেও কোনও কাজ হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে আমরা চেয়ারম্যানের কাছে গিয়েছিলাম।
রঘুনাথপুর শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলার রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী বলেন, চেয়ারম্যান আমার বিরুদ্ধে বাড়ি তৈরির টাকা না ছাড়ার জন্য আবেদনের একটি অভিযোগ এনেছেন। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারণ আমার ওয়ার্ডে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের নামের তালিকা পর্যন্ত আমাকে দেওয়া হয়নি। বিরোধী দলের কাউন্সিলার থাকায় ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের আবাস যোজনার টাকা আটকে দিয়েছে। এই ওয়ার্ডের মানুষ আমার কাজে অভিযোগ জানালে আমি তাঁদের সরাসরি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করার কথা বলেছিলাম।
রঘুনাথপুর পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০১৬-১৭ অর্থবর্ষে রঘুনাথপুর পুরসভায় হাউস ফর অল প্রকল্পের সূচনা হয়। ওই অর্থবর্ষে ৪৮৬ জনের নামে বাড়ি অনুমোদন করা হয়। এছাড়া ২০১৭-১৮ অর্থবর্ষে মোট ৪০০ জনের বাড়ির অনুমোদন করা হয়েছে। প্রায় সকলের বাড়ির কাজ সম্পন্ন হয়ে গিয়েছে। ২০১৮-১৯ অর্থবর্ষ ও তারপরের অর্থবর্ষগুলির উপভোক্তারা বিপাকে পড়েছেন। ওই অর্থবর্ষগুলির কোনও উপভোক্তা প্রকল্পের পুরো টাকা পাননি। ফলে কারও বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। কয়েক বছর হয়ে গেলেও টাকা না পাওয়ায় উপভোক্তারা কেউ ত্রিপল টাঙিয়ে, কেউ ভাড়া বাড়িতে বসবাস করছেন।
২০১৮-’১৯ অর্থবর্ষের উপভোক্তা পিনাকী সরকার, সুপ্রিয়া মাজি, ২০২১-’২২ অর্থবর্ষের উপভোক্তা বিজয় কুমার মাজি বলেন, বাড়ি তৈরির পুরো টাকা পাইনি। ফলে আমাদের বহু কষ্ট করে থাকতে হচ্ছে। অনেকেই ঘর ভেঙে বিপাকে পড়েছেন। যাঁদের একটি মাত্র ঘর ছিল, সেটি ভেঙে ফেলায় ভাড়া বাড়িতে থাকতে হচ্ছে। সেখানে মাসে মাসে ভাড়া গুনতে হচ্ছে। ওয়ার্ডের কাউন্সিলারকে বলেও কোনও কাজ হচ্ছে না। তাই বাধ্য হয়ে আমরা চেয়ারম্যানের কাছে গিয়েছিলাম।
রঘুনাথপুর শহরের ১১ নম্বর ওয়ার্ডের কংগ্রেস কাউন্সিলার রবীন্দ্রনাথ চৌধুরী বলেন, চেয়ারম্যান আমার বিরুদ্ধে বাড়ি তৈরির টাকা না ছাড়ার জন্য আবেদনের একটি অভিযোগ এনেছেন। এই অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা। কারণ আমার ওয়ার্ডে আবাস যোজনার উপভোক্তাদের নামের তালিকা পর্যন্ত আমাকে দেওয়া হয়নি। বিরোধী দলের কাউন্সিলার থাকায় ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের আবাস যোজনার টাকা আটকে দিয়েছে। এই ওয়ার্ডের মানুষ আমার কাজে অভিযোগ জানালে আমি তাঁদের সরাসরি চেয়ারম্যানের সঙ্গে দেখা করার কথা বলেছিলাম।



