সংবাদদাতা, পতিরাম: বালুরঘাট শহরে আবাস যোজনার বহু উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকলেও বাড়ির কাজ শুরু করেননি। নোটিস করেও লাভ হয়নি। তাই এবারে বাড়ি বাড়ি গেলেন বালুরঘাটের পুর চেয়ারম্যান অশোক মিত্র। টাকা পেয়েও কেন বাড়ির কাজ শুরু করেননি, উপভোক্তাদের কাছে তা জানতে চান চেয়ারম্যান। শুধু তাই নয় সাত দিনের মধ্যে ওই টাকায় বাড়ি তৈরি শুরু না করলে টাকা ফেরতের পাশাপাশি আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণেরও হুঁশিয়ারি দেন চেয়ারম্যান। এদিকে শুক্রবার বালুরঘাটের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডেই এমন পাঁচ-ছ’জন উপভোক্তার হদিশ মিলেছে। আর কোন কোন ওয়ার্ডে এমন বাড়ি রয়েছে, তা খতিয়ে দেখছে পুরসভা।
Advertisement
বালুরঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক মিত্র বলেন, শহর জুড়ে আবাস যোজনার বহু উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে বাড়ি তৈরির টাকা ঢুকেছে।
সেই কাজগুলি কেমন চলছে তা দেখার জন্য ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যাচ্ছি। পাশাপাশি বেশকিছু উপভোক্তা রয়েছেন, যাঁদের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকলেও বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি। আমরা কাউকে একবার, কাউকে দু’বার এনিয়ে নোটিস করেছি। কিন্তু তবুও তারা বাড়ি করেননি।
এদিন ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে শেষবার এসে সতর্ক করলাম। তাঁরা সাত দিনের মধ্যে কাজ শুরু না করলে টাকা ফেরত দিতে হবে। তা না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার বালুরঘাটের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে দেখা যায় বুধরাই বাস্কে নামে এক উপভোক্তা জুন মাসে প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও ঘর তৈরির কাজ শুরু করেননি। শুক্রবার চেয়ারম্যান তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। দ্রুত ঘর তৈরির জন্য পরামর্শ দিয়েছেন চেয়ারম্যান। এবিষয়ে বুধরাই বাস্কে বলেন, যেহেতু প্রথম কিস্তির টাকায় ঘর হবে না তাই ভেবেছিলাম দ্বিতীয় কিস্তি একবারে পেলেই ঘর করব।
এদিন চেয়ারম্যান এসেছিলেন। শীঘ্রই ঘর তৈরির কাজ শুরু করব। আর একজন উপভোক্তা জোৎস্না মুর্মুও প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। কিন্তু ঘর তৈরির কাজ শুরু করেননি। তিনি বলেন, আমার নানারকম সমস্যার জন্য ঘরে কাজ শুরু করতে পারিনি। চেয়ারম্যান বলে গিয়েছেন ঘর তৈরির কথা। দ্রুত কাজ শুরু করব।
পুরসভা সূত্রে খবর, বালুরঘাট শহরে ২৫টি ওয়ার্ড রয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে বালুরঘাটে বহু উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে আবাসের টাকা ঢুকছে। বহু উপভোক্তা ইতিমধ্যেই ঘর করেছেন। আবার বহু উপভোক্তা ঘর তৈরি করছেন। এদিকে অনেকেই আবার ঘরের টাকা পেলেও ঘর তৈরি করেননি। এমন সংখ্যা শতাধিক বলে পুরসভা সূত্রে খবর। তাই এবারে সেই বাড়ি বাড়ি যেতে শুরু করেছেন পুরসভার চেয়ারম্যান। সাত দিনের মধ্যে ঘর তৈরি না করলে টাকা ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে পুরসভা। এদিন পুর চেয়ারম্যান বাড়ি বাড়ি যেতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। তবে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের এমন উপভোক্তার সংখ্যা বেশি। তাই সেই ওয়ার্ডেই এই অভিযান আগে শুরু করেছে পুরসভা।
সেই কাজগুলি কেমন চলছে তা দেখার জন্য ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে যাচ্ছি। পাশাপাশি বেশকিছু উপভোক্তা রয়েছেন, যাঁদের অ্যাকাউন্টে প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকলেও বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেননি। আমরা কাউকে একবার, কাউকে দু’বার এনিয়ে নোটিস করেছি। কিন্তু তবুও তারা বাড়ি করেননি।
এদিন ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে শেষবার এসে সতর্ক করলাম। তাঁরা সাত দিনের মধ্যে কাজ শুরু না করলে টাকা ফেরত দিতে হবে। তা না হলে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শুক্রবার বালুরঘাটের ২৫ নম্বর ওয়ার্ডে দেখা যায় বুধরাই বাস্কে নামে এক উপভোক্তা জুন মাসে প্রথম কিস্তির টাকা পেলেও ঘর তৈরির কাজ শুরু করেননি। শুক্রবার চেয়ারম্যান তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন। দ্রুত ঘর তৈরির জন্য পরামর্শ দিয়েছেন চেয়ারম্যান। এবিষয়ে বুধরাই বাস্কে বলেন, যেহেতু প্রথম কিস্তির টাকায় ঘর হবে না তাই ভেবেছিলাম দ্বিতীয় কিস্তি একবারে পেলেই ঘর করব।
এদিন চেয়ারম্যান এসেছিলেন। শীঘ্রই ঘর তৈরির কাজ শুরু করব। আর একজন উপভোক্তা জোৎস্না মুর্মুও প্রথম কিস্তির টাকা পেয়েছেন। কিন্তু ঘর তৈরির কাজ শুরু করেননি। তিনি বলেন, আমার নানারকম সমস্যার জন্য ঘরে কাজ শুরু করতে পারিনি। চেয়ারম্যান বলে গিয়েছেন ঘর তৈরির কথা। দ্রুত কাজ শুরু করব।
পুরসভা সূত্রে খবর, বালুরঘাট শহরে ২৫টি ওয়ার্ড রয়েছে। ২০১৯ সাল থেকে বালুরঘাটে বহু উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে আবাসের টাকা ঢুকছে। বহু উপভোক্তা ইতিমধ্যেই ঘর করেছেন। আবার বহু উপভোক্তা ঘর তৈরি করছেন। এদিকে অনেকেই আবার ঘরের টাকা পেলেও ঘর তৈরি করেননি। এমন সংখ্যা শতাধিক বলে পুরসভা সূত্রে খবর। তাই এবারে সেই বাড়ি বাড়ি যেতে শুরু করেছেন পুরসভার চেয়ারম্যান। সাত দিনের মধ্যে ঘর তৈরি না করলে টাকা ফেরতের নির্দেশ দিয়েছে পুরসভা। এদিন পুর চেয়ারম্যান বাড়ি বাড়ি যেতেই এলাকায় শোরগোল পড়ে যায়। তবে ২৫ নম্বর ওয়ার্ডের এমন উপভোক্তার সংখ্যা বেশি। তাই সেই ওয়ার্ডেই এই অভিযান আগে শুরু করেছে পুরসভা।



