নিজস্ব প্রতিনিধি, তমলুক: ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার ভাশুর, দেওর ও স্বামীর নামে আবাসে বাড়ি পাচ্ছেন। পাঁশকুড়া ব্লকের হাউরের ঘটনা। হাউর বুথের বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যা দেবশ্রী বর। ওই গ্রাম পঞ্চায়েতও বিজেপির দখলে। আবাস তালিকায় নাম নিশ্চিত করার জন্য গত জুলাই মাসে দেবশ্রীর পরিবার সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করেছিলেন। দেবশ্রীর স্বামী প্রদীপ, ভাশুর এবং দেওর পঙ্কজ ও অরুণের নামে আবাস যোজনায় বাড়ির জন্য আর্জি জানিয়েছিলেন। সেইমতো ব্লক প্রশাসন ভিজিট করে। সদ্য প্রকাশিত আবাস তালিকায় দেবশ্রীর পরিবারের তিনজনেরই নাম উঠেছে।
Advertisement
এনিয়ে দেবশ্রী বর বলেন, আমাদের যৌথ পরিবার। মাটির বাড়িতে সকলে মিলে বসবাস করি। প্রায় ৪০-৫০বছরের পুরনো বাড়ি। ২০১২সালে নাগাদ শ্বশুরের নামে একবার ইন্দিরা আবাস যোজনায় বাড়ি বরাদ্দ হলেও টাকা আসেনি। সেজন্য বাড়ি তৈরি হয়নি। তারপর এক বছরের বেশি সময় কেটে গেলেও আবাস যোজনায় বাড়ি পাওয়া যায়নি। এই অবস্থায় গত জুলাই মাসে আমরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করে বাড়ির জন্য আবেদন করেছিলাম। সেইমতো বিডিও অফিস থেকে সার্ভে হয়। আবাস যোজনার প্রকাশিত তালিকায় নাম অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস পাঁশকুড়া ব্লক সভাপতি সুজিত রায় বলেন, রাজ্যের মা মাটি মানুষের সরকার কোনও রং না দেখে উপভোক্তা তালিকা তৈরি করেছে। যেকারণে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার পরিবারের তিনজনের নাম উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকার এরাজ্যের গরিব মানুষের বাড়ি তৈরির জন্য টাকা দেয়নি। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক রং না দেখে যোগ্যদের জন্য আবাসের বাড়ির টাকা দিচ্ছেন।
বিজেপির স্থানীয় নেতা সমীরণ দুয়ারি বলেন, দেবশ্রী বরের পরিবার এতদিন সরকারি পাকাবাড়ি থেকে বঞ্চিত ছিল। সেজন্য তাঁরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করেছিলেন। তাতে তিনজনের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।
তৃণমূল কংগ্রেস পাঁশকুড়া ব্লক সভাপতি সুজিত রায় বলেন, রাজ্যের মা মাটি মানুষের সরকার কোনও রং না দেখে উপভোক্তা তালিকা তৈরি করেছে। যেকারণে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যার পরিবারের তিনজনের নাম উঠে এসেছে। কেন্দ্রীয় সরকার এরাজ্যের গরিব মানুষের বাড়ি তৈরির জন্য টাকা দেয়নি। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী রাজনৈতিক রং না দেখে যোগ্যদের জন্য আবাসের বাড়ির টাকা দিচ্ছেন।
বিজেপির স্থানীয় নেতা সমীরণ দুয়ারি বলেন, দেবশ্রী বরের পরিবার এতদিন সরকারি পাকাবাড়ি থেকে বঞ্চিত ছিল। সেজন্য তাঁরা সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী নম্বরে ফোন করেছিলেন। তাতে তিনজনের নাম তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হয়েছে।



