সংবাদদাতা, রঘুনাথপুর: সচ্ছল চাকরিজীবীদের নাম আবাস যোজনার তালিকায় রয়েছে। বিজেপি পরিচালিত রঘুনাথপুর-২ ব্লকের বড়রা গ্রাম পঞ্চায়েতে গ্রাম সভার বৈঠকে বুধবার তৃণমূলের সদস্যরা এমনই অভিযোগ তোলেন। যদিও তাঁদের অভিযোগকে প্রাধান্য দেওয়া হয়নি। তাই তাঁরা রেজ্যুলিউশনে সই না করে পঞ্চায়েত থেকে বেরিয়ে যান। তাঁদের তরফে ত্রুটি মুক্ত তালিকা প্রকাশের আবেদন জানানো হয়েছে। ত্রুটি মুক্ত তালিকা প্রকাশিত হলে তবে তাঁরা রেজ্যুলিউশনে সই করবেন বলে জানিয়েছেন।
Advertisement
রঘুনাথপুর-২ বিডিও পঙ্কজ দাস বলেন, অভিযোগ থাকতেই পারে। তার জন্য সদস্যরা রেজ্যুলিউশন করার সময় অবশ্যই জানাতে পারতেন। কাদের নাম বাদ দেওয়া প্রয়োজন জানানো হলে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করতাম। কিন্তু, এভাবে ওয়াক আউট করাটা সমস্যার সমাধান নয়। কারা আবাসের অযোগ্য সেই বিষয়ে আমাদের কাছে অভিযোগ এলে অবশ্যই গুরুত্ব দিয়ে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।
পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রঘুনাথপুর-২ ব্লকের প্রতিটি পঞ্চায়েতের পাশাপাশি বড়রা পঞ্চায়েত গ্রাম সভা ডাকা হয়েছিল। গ্রাম সভা পরিচালনার জন্য ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা পঞ্চায়েতে গিয়েছিলেন। ১৮ সদস্যের পঞ্চায়েতে বর্তমানে তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা সাত। এদিন গ্রাম সভায় তিনজন তৃণমূল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। গ্রামবাসী হিসেবে দুই তৃণমূল সদস্যার স্বামী ছিলেন। গ্রাম সভায় তৃণমূল সদস্যরা আবাস যোজনার তালিকা চান। অভিযোগ, তাঁদের কোনও তালিকার কাগজ দেওয়া হয়নি। তখন সদস্যদের তরফে তালিকায় কারা আবাসের যোগ্য এবং কারা অযোগ্য সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাওয়া হয়। সেই মতো তালিকা থেকে যোগ্যদের নাম ধরে ধরে ডাকা হয়। সেখানে দেখা যায়, তালিকায় এমন ব্যক্তিদের নাম রয়েছে যাদের অবস্থা ভালো। পাশাপাশি অনেক অঙ্গনওয়াড়ি, আশাকর্মী থেকে শুরু করে চাকরিজীবীদেরও নাম তালিকায় রয়েছে। আর তাতেই সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। যাদের অবস্থা ভালো তাদের নাম বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়।
অভিযোগ, তৃণমূল সদস্যদের কথাকে কোনও গুরুত্ব না দিয়ে রেজ্যুলিউশনের কাজ শুরু করা হয়। বাধ্য হয়ে তিন তৃণমূল সদস্য ও দুই তৃণমূল সদস্যার স্বামী গ্রাম সভা ওয়াকআউট করে পঞ্চায়েত থেকে বেরিয়ে যান।
তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা বেবি মল্লিক বলেন, আবাস যোজনার তালিকায় এমন ব্যক্তিদের নাম রয়েছে যাঁরা অবস্থাপন্ন। প্রশাসনের আধিকারিকরা অযোগ্যদের অনেকের নাম কেটে দিয়েছিল। কিন্তু, মঙ্গলবার বিজেপি সদস্যরা জোর করে প্রশাসনের আধিকারিকদের দিয়ে তাঁদের নাম পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করিয়েছে। আগেও আধিকারিকদের সঙ্গে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সার্ভের কাজ করেছিল। এনিয়ে আমরা অভিযোগ করেছিলাম। তারপরেও বিজেপি তাদের নিজেদের মতো তালিকা তৈরি করেছে।
যদিও পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পরমেশ্বর বাউরি সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, সমস্ত সার্ভের কাজ প্রশাসনের তরফে করা হয়েছে। আমাদের কোনও হাত নেই। তৃণমূলের তরফে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন।
পঞ্চায়েত সমিতি সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন রঘুনাথপুর-২ ব্লকের প্রতিটি পঞ্চায়েতের পাশাপাশি বড়রা পঞ্চায়েত গ্রাম সভা ডাকা হয়েছিল। গ্রাম সভা পরিচালনার জন্য ব্লক প্রশাসনের আধিকারিকরা পঞ্চায়েতে গিয়েছিলেন। ১৮ সদস্যের পঞ্চায়েতে বর্তমানে তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা সাত। এদিন গ্রাম সভায় তিনজন তৃণমূল সদস্য উপস্থিত ছিলেন। গ্রামবাসী হিসেবে দুই তৃণমূল সদস্যার স্বামী ছিলেন। গ্রাম সভায় তৃণমূল সদস্যরা আবাস যোজনার তালিকা চান। অভিযোগ, তাঁদের কোনও তালিকার কাগজ দেওয়া হয়নি। তখন সদস্যদের তরফে তালিকায় কারা আবাসের যোগ্য এবং কারা অযোগ্য সেই সংক্রান্ত তথ্য জানতে চাওয়া হয়। সেই মতো তালিকা থেকে যোগ্যদের নাম ধরে ধরে ডাকা হয়। সেখানে দেখা যায়, তালিকায় এমন ব্যক্তিদের নাম রয়েছে যাদের অবস্থা ভালো। পাশাপাশি অনেক অঙ্গনওয়াড়ি, আশাকর্মী থেকে শুরু করে চাকরিজীবীদেরও নাম তালিকায় রয়েছে। আর তাতেই সদস্যরা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। যাদের অবস্থা ভালো তাদের নাম বাদ দেওয়ার কথা বলা হয়।
অভিযোগ, তৃণমূল সদস্যদের কথাকে কোনও গুরুত্ব না দিয়ে রেজ্যুলিউশনের কাজ শুরু করা হয়। বাধ্য হয়ে তিন তৃণমূল সদস্য ও দুই তৃণমূল সদস্যার স্বামী গ্রাম সভা ওয়াকআউট করে পঞ্চায়েত থেকে বেরিয়ে যান।
তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্যা বেবি মল্লিক বলেন, আবাস যোজনার তালিকায় এমন ব্যক্তিদের নাম রয়েছে যাঁরা অবস্থাপন্ন। প্রশাসনের আধিকারিকরা অযোগ্যদের অনেকের নাম কেটে দিয়েছিল। কিন্তু, মঙ্গলবার বিজেপি সদস্যরা জোর করে প্রশাসনের আধিকারিকদের দিয়ে তাঁদের নাম পুনরায় তালিকায় অন্তর্ভুক্তি করিয়েছে। আগেও আধিকারিকদের সঙ্গে পঞ্চায়েতের উপপ্রধান সার্ভের কাজ করেছিল। এনিয়ে আমরা অভিযোগ করেছিলাম। তারপরেও বিজেপি তাদের নিজেদের মতো তালিকা তৈরি করেছে।
যদিও পঞ্চায়েতের উপপ্রধান পরমেশ্বর বাউরি সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন। তিনি বলেন, সমস্ত সার্ভের কাজ প্রশাসনের তরফে করা হয়েছে। আমাদের কোনও হাত নেই। তৃণমূলের তরফে যে অভিযোগ করা হচ্ছে, তা ভিত্তিহীন।



