শ্রীকান্ত পড়্যা, তমলুক: আবাসের বাড়ি তৈরিতে গরিব উপভোক্তারা যাতে সিন্ডিকেট চক্রের খপ্পরে না পড়েন তার জন্য কঠোর পদক্ষেপ নিল পূর্ব মেদিনীপুর জেলা প্রশাসন।
Advertisement
বাংলা আবাস প্রকল্পে যোগ্য উপভোক্তাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। এবার ইট, বালি, সিমেন্ট ও রড কিনে বাড়ি নির্মাণের প্রস্তুতি নেবেন তাঁরা। অতীতের অভিজ্ঞতা বলছে, এইসব নির্মাণ সামগ্রী সরবরাহ করতে মুখিয়ে থাকে অনেকেই। তাদের সিংহভাগই প্রভাবশালী দলের নেতা-নেত্রীর ঘনিষ্ঠজন। উপভোক্তাদের কার্যত বাধ্য করা হয় তাঁদের কাছ মাল-মেটিরিয়াল কিনতে। নেপথ্যে কাজ করে সিন্ডিকেট চক্র। এবার সেই চক্রকেই উৎখাত করতে চাইছে জেলা প্রশাসন। ঠিক হয়েছে, উপভোক্তাদের সিন্ডিকেট সংস্রব এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হবে। এরজন্য সচেতনতামূলক শিবির হবে। প্রাথমিকভাবে ৫৫ হাজার উপভোক্তাকে আবাস যোজনায় প্রথম কিস্তির টাকা দেওয়া হচ্ছে। ওই টাকা অ্যাকাউন্টে ঢোকার পরই শিবির হবে। উপভোক্তারা যাতে নিজের পছন্দের জায়গা থেকে ইমারতী সামগ্রী কিনতে পারেন, তা নিয়ে আলোচনা হবে। কোনও নির্দিষ্ট দোকান থেকে সামগ্রী কেনার জন্য নেতা কিংবা দাদা চাপ দিলে তা প্রশাসনের নজরেও আনতে পারবেন। তৎক্ষনাৎ পদক্ষেপ নেবে জেলা প্রশাসন জেলাশাসক পূর্ণেন্দু মাজী বলেন, ‘আমরা আবাস উপভোক্তাদের নিয়ে শিবির করতে চলেছি। তাঁরা নিজেদের পছন্দের জায়গা থেকে নির্মাণসামগ্রী কিনতে পারবেন। বাড়ি তৈরির কাজে রাজমিস্ত্রিদের মজুরি যাতে একলাফে না বেড়ে যায়, সেটাও দেখা হবে।’
বাংলা আবাসে প্রথম কিস্তি বাবদ পূর্ব মেদিনীপুর জেলাকে ৩৩২কোটি ৪৭ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়েছে রাজ্য। ২৫টি ব্লকে মোট ৫৫ হাজার ৪২২ জন উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে। দু’দিনের মধ্যে ওই টাকা ঢুকে যাবে। আবাসের টাকা ঢোকা শুরু হতেই অনেক জায়গায় নির্মাণসামগ্রীর সিন্ডিকেট ও নেতাদের উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু হয়েছে। ইট, বালি, সিমেন্ট তাঁদের কাছ থেকে নেওয়ার জন্য হুইপ দেওয়া হচ্ছে। আবাসের টাকা পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কৃতিত্ব দাবি করে একপ্রকার চাপ তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতে কিছু অসাধু লোকজন নিজের এলাকায় উপভোক্তাদের তালিকা সংগ্রহ করছেন। ইমারতী দ্রব্যের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কমিশনের বিনিময়ে নির্মাণসামগ্রী সরবরাহ করার চুক্তিও সেরে ফেলছেন। রাজমিস্ত্রি থেকে ইট, বালি, সিমেন্ট, রড সবই বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার বরাত নেওয়া হচ্ছে। উপভোক্তাদের উদ্দেশ্যে প্রশাসনের আর্জি, নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন। নিজের বাড়ি নিজে করুন। পছন্দের জায়গা থেকে মালপত্র কিনুন। কেউ চাপ দিলে মুখ বুজে মেনে নেবেন না।
জেলায় মোট ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত। তার দুই-তৃতীয়াংশ তৃণমূলের দখলে। শাসক কিংবা বিরোধী কোনও রাজনৈতিক দলের লোকজন যাতে আবাস উপভোক্তাদের সফট টার্গেট না করে, সেজন্য সতর্ক প্রশাসন। পাঁশকুড়ার গোবিন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুর গ্রামের লক্ষ্মীকান্ত চক্রবর্তী, নন্দ জানা ও সীতারাম মাইতি আবাসের টাকা পেয়েছেন। প্রশাসনের বার্তা পেয়ে সাহস পেয়েছেন সকলেই। একযোগে বলছিলেন, ‘আমরা নিজেরাই ইমারতী দ্রব্য কিনব। রাজমিস্ত্রি লাগিয়ে কাজ করাব। অন্য কারও হস্তক্ষেপ মানব না।’
বাংলা আবাসে প্রথম কিস্তি বাবদ পূর্ব মেদিনীপুর জেলাকে ৩৩২কোটি ৪৭ লক্ষ ২০ হাজার টাকা দিয়েছে রাজ্য। ২৫টি ব্লকে মোট ৫৫ হাজার ৪২২ জন উপভোক্তার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকা শুরু হয়েছে। দু’দিনের মধ্যে ওই টাকা ঢুকে যাবে। আবাসের টাকা ঢোকা শুরু হতেই অনেক জায়গায় নির্মাণসামগ্রীর সিন্ডিকেট ও নেতাদের উপভোক্তাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়া শুরু হয়েছে। ইট, বালি, সিমেন্ট তাঁদের কাছ থেকে নেওয়ার জন্য হুইপ দেওয়া হচ্ছে। আবাসের টাকা পাইয়ে দেওয়ার ক্ষেত্রে কৃতিত্ব দাবি করে একপ্রকার চাপ তৈরি করা হচ্ছে বলে অভিযোগ।
জানা গিয়েছে, বিভিন্ন গ্রাম পঞ্চায়েতে কিছু অসাধু লোকজন নিজের এলাকায় উপভোক্তাদের তালিকা সংগ্রহ করছেন। ইমারতী দ্রব্যের ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কমিশনের বিনিময়ে নির্মাণসামগ্রী সরবরাহ করার চুক্তিও সেরে ফেলছেন। রাজমিস্ত্রি থেকে ইট, বালি, সিমেন্ট, রড সবই বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ার বরাত নেওয়া হচ্ছে। উপভোক্তাদের উদ্দেশ্যে প্রশাসনের আর্জি, নিজের অধিকার সম্পর্কে সচেতন হোন। নিজের বাড়ি নিজে করুন। পছন্দের জায়গা থেকে মালপত্র কিনুন। কেউ চাপ দিলে মুখ বুজে মেনে নেবেন না।
জেলায় মোট ২২৩টি গ্রাম পঞ্চায়েত। তার দুই-তৃতীয়াংশ তৃণমূলের দখলে। শাসক কিংবা বিরোধী কোনও রাজনৈতিক দলের লোকজন যাতে আবাস উপভোক্তাদের সফট টার্গেট না করে, সেজন্য সতর্ক প্রশাসন। পাঁশকুড়ার গোবিন্দনগর গ্রাম পঞ্চায়েতের মানুর গ্রামের লক্ষ্মীকান্ত চক্রবর্তী, নন্দ জানা ও সীতারাম মাইতি আবাসের টাকা পেয়েছেন। প্রশাসনের বার্তা পেয়ে সাহস পেয়েছেন সকলেই। একযোগে বলছিলেন, ‘আমরা নিজেরাই ইমারতী দ্রব্য কিনব। রাজমিস্ত্রি লাগিয়ে কাজ করাব। অন্য কারও হস্তক্ষেপ মানব না।’



