নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আবাসে বিরোধী দলের কর্মী সমর্থকদের বঞ্চনা করা হচ্ছে। তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার অভিযোগে শাসকদলকে শূলে চড়াতে ছাড়েনি বিরোধী শিবির। কিন্তু, গোঘাটের রঘুবাটি পঞ্চায়েতে দেখা গেল অন্য চিত্র। এখানে আবাসের প্রথম কিস্তির টাকা পেয়ে রাজ্য সরকারকে ধন্যবাদ জানালেন বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্য। সেই সঙ্গে তিনি জানিয়েছেন যোগ্য উপভোক্তাদের বাড়িতে আবাসের সমীক্ষা হয়েছে।
Advertisement
‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে ৬০ হাজার টাকা ঢুকেছে অ্যাকাউন্টে। পাকা বাড়ির স্বপ্ন পূরণ হতে চলেছে রঘুবাটি পঞ্চায়েতের বিজেপি সদস্য শিবু সেনের। তিনি বলেন, আমরা গরিব মানুষ। এত দিন কাঁচা বাড়িতেই রয়েছি। পাকা ঘর তৈরি করতে পারিনি। রাজ্য সরকার বাড়ির তৈরির জন্য আর্থিক সুবিধা দেওয়ায় আমরা খুশি। রাজ্য সরকারের এরজন্য ধন্যবাদ প্রাপ্য। তবে তিনি জানিয়েছেন, গ্রামে আরও অনেক যোগ্য উপভোক্তা রয়েছেন। তাঁরাও গরিব। তাঁদেরও পাকা বাড়ির প্রয়োজন। তাঁদের নাম যাতে তালিকায় থাকে তার জন্য জানিয়েছিলাম। প্রায় ৩০ জনের প্রথম কিস্তির টাকা ঢুকেছে বলে মৌখিকভাবে শুনেছি। বাকিদের বরাদ্দ এলেও ভালো হয়। তবেই গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে। তাদের জন্য ফের দরবার করব।
রবিবার আচমকা ওই বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে মিষ্টি নিয়ে হাজির হন গোঘাট-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূলের বিজয় রায়। সঙ্গে ছিলেন রঘুবাটি পঞ্চায়েতের তৃণমূল সভাপতি শ্রীকান্ত চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্য দলীয় কর্মীরাও। শিবুবাবুকে মিষ্টি মুখ করিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানানো হয়। পাশাপাশি ওই গ্রামে আবাসের অন্যান্য উপভোক্তাদেরও হাতে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন সভাপতি। তিনি বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলমত নির্বিশেষে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের বরাদ্দ দিয়েছেন। তিনি কোনও রং দেখেননি। ফলে বিজেপি সহ অন্যান্য দলের সদস্যরাও বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। এদিন বিজলকোণায় উপভোক্তাদের শুভেচ্ছা, অভিনন্দন জানাতে যাই। সেখানে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে গিয়েও মিষ্টির প্যাকেট তুলে দিয়েছি। তাঁরা বাড়ির কাজ শুরু করেছেন কি না, তা নিয়ে খোঁজ নিয়েছি। অন্যান্য উপভোক্তাদের হাতেও মিষ্টি দিয়ে অভিনন্দন জানানো হবে।
শিবুবাবু এবারই ওই পঞ্চায়েতে বিজেপির টিকিটে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর দাবি, আবাসের টাকা ঢুকতেই নতুন পাকা বাড়ি করতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, বর্তমানে বালির সঙ্কট রয়েছে। তার জেরে বালির দাম আকাশ ছোঁয়া। বালি কিনতে গিয়েই তাঁদের মতো গরিবদের নাজেহাল হতে হচ্ছে। প্রশাসন বিষয়টির সমাধান করলে ভালো হয়।
উল্লেখ্য, আবাস নিয়ে রাজ্যজুড়ে নানা ক্ষোভ, বিক্ষোভ ও কমিশন চাওয়ার অভিযোগ উঠছে। বিরোধী দলগুলিও আবাস নিয়ে রাজ্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। কিন্তু, গোঘাটের এই ঘটনা সেখানে কার্যত নজির সৃষ্টি করেছে। যদিও বিজেপির বড় নেতারা তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, অধিকাংশ জায়গায় এই প্রকল্পে আমাদের দলের লোকজনকে বঞ্চিত করা হয়েছে। গরিব মানুষকে আবাসের টাকা দিতে না পারার ব্যর্থতা ঢাকতে আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যকে এদিন মিষ্টি খাইয়েছে তৃণমূল। তাতে তৃণমূলের কোনও রাজনৈতিক লাভ হবে না।
রবিবার আচমকা ওই বিজেপি পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে মিষ্টি নিয়ে হাজির হন গোঘাট-১ পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তৃণমূলের বিজয় রায়। সঙ্গে ছিলেন রঘুবাটি পঞ্চায়েতের তৃণমূল সভাপতি শ্রীকান্ত চট্টোপাধ্যায় সহ অন্যান্য দলীয় কর্মীরাও। শিবুবাবুকে মিষ্টি মুখ করিয়ে তাঁকে অভিনন্দন জানানো হয়। পাশাপাশি ওই গ্রামে আবাসের অন্যান্য উপভোক্তাদেরও হাতে মিষ্টির প্যাকেট তুলে দেন সভাপতি। তিনি বলেন, আমাদের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দলমত নির্বিশেষে বাংলার বাড়ি প্রকল্পের বরাদ্দ দিয়েছেন। তিনি কোনও রং দেখেননি। ফলে বিজেপি সহ অন্যান্য দলের সদস্যরাও বাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। এদিন বিজলকোণায় উপভোক্তাদের শুভেচ্ছা, অভিনন্দন জানাতে যাই। সেখানে বিজেপির পঞ্চায়েত সদস্যের বাড়িতে গিয়েও মিষ্টির প্যাকেট তুলে দিয়েছি। তাঁরা বাড়ির কাজ শুরু করেছেন কি না, তা নিয়ে খোঁজ নিয়েছি। অন্যান্য উপভোক্তাদের হাতেও মিষ্টি দিয়ে অভিনন্দন জানানো হবে।
শিবুবাবু এবারই ওই পঞ্চায়েতে বিজেপির টিকিটে সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর দাবি, আবাসের টাকা ঢুকতেই নতুন পাকা বাড়ি করতে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। কিন্তু, বর্তমানে বালির সঙ্কট রয়েছে। তার জেরে বালির দাম আকাশ ছোঁয়া। বালি কিনতে গিয়েই তাঁদের মতো গরিবদের নাজেহাল হতে হচ্ছে। প্রশাসন বিষয়টির সমাধান করলে ভালো হয়।
উল্লেখ্য, আবাস নিয়ে রাজ্যজুড়ে নানা ক্ষোভ, বিক্ষোভ ও কমিশন চাওয়ার অভিযোগ উঠছে। বিরোধী দলগুলিও আবাস নিয়ে রাজ্যকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। কিন্তু, গোঘাটের এই ঘটনা সেখানে কার্যত নজির সৃষ্টি করেছে। যদিও বিজেপির বড় নেতারা তৃণমূলকে কটাক্ষ করতে ছাড়েননি। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা বিজেপির সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, অধিকাংশ জায়গায় এই প্রকল্পে আমাদের দলের লোকজনকে বঞ্চিত করা হয়েছে। গরিব মানুষকে আবাসের টাকা দিতে না পারার ব্যর্থতা ঢাকতে আমাদের পঞ্চায়েত সদস্যকে এদিন মিষ্টি খাইয়েছে তৃণমূল। তাতে তৃণমূলের কোনও রাজনৈতিক লাভ হবে না।



