সংবাদদাতা, বালুরঘাট: আবাস প্রকল্পে উপভোক্তাদের এবার দিতে হবে অনলাইনে মুচলেকা। দুর্নীতি ও স্বজনপোষণ রুখতে এই সিদ্ধান্ত রাজ্য সরকারের তরফে নেওয়া হয়েছে। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, ব্লক প্রশাসনের তরফে আবাস উপভোক্তাদের মোবাইলে একটি লিঙ্ক পাঠানো হবে। সেই লিঙ্কে ক্লিক করে নিজের মোবাইল থেকে মুচলেকা দিতে পারবেন। যাঁদের স্মার্টফোন নেই, তাঁরা পঞ্চায়েতে গিয়ে সেই কাজ করতে পারবেন। আধারের সঙ্গে সংযুক্ত ফোন নম্বরে একটি বার্তা পাঠানো হবে উপভোক্তাদের। সেখানে যাবতীয় নথি যাচাইয়ের পর উপভোক্তার মোবাইলে ওটিপি যাবে। সেই সূত্র ধরে অনলাইনে মুচলেকা জমা দিতে হবে তাঁদের।
Advertisement
বাংলার বাড়ি তালিকায় নাম থাকা অনেকের কাছে এখনও অ্যান্ড্রয়েড ফোন নেই। তাঁদের জন্য বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে কম্পিউটারে নথি যাচাইয়ের কাজ করবেন ব্লক ও পঞ্চায়েতের কর্মীরা।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আবাস যোজনা প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক সঞ্জয় পণ্ডিত বলেন, আমরা ব্লকে ব্ললে মকটেস্ট শুরু করেছি। প্রথম দফায় যাদের মোবাইলে লিঙ্ক যাবে, সেই লিঙ্ক অনুযায়ী সবার নাম পোর্টালে নথিভুক্ত হবে। কুমারগঞ্জের বিডিও শ্রীবাস বিশ্বাস বলেন, আমরা চাইছি, স্বচ্ছভাবে পুরো কাজ হোক। ক্যাম্প করে পুরো কাজ হবে। জানা গিয়েছে, মোবাইল লিঙ্ক মারফত্ আসা মুচলেকায় থাকবে উপভোক্তার নাম, ঠিকানা, ব্যাঙ্কের তথ্য। তারপরে লেখা থাকবে উপভোক্তার আয়। তিনি বাড়ি পাওয়ার জন্য কাউকে ঘুষ দিয়েছেন কি না, সেই প্রশ্নও থাকবে। বাড়ির জন্য পাওয়া টাকা যে তিনি অন্য কাজে ব্যবহার করবেন না, তাও মুচলেকা দিয়ে জানাতে হবে উপভোক্তাকে। এই মুচলেকা অনলাইনে দেওয়ার পর একটি আইডি তৈরি হবে। তারপর সেই ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঘরের টাকা ঢুকবে। যদি কেউ কোনও তথ্য ভুল দেন, তবে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার আবাস যোজনা প্রকল্পের দায়িত্বে থাকা আধিকারিক সঞ্জয় পণ্ডিত বলেন, আমরা ব্লকে ব্ললে মকটেস্ট শুরু করেছি। প্রথম দফায় যাদের মোবাইলে লিঙ্ক যাবে, সেই লিঙ্ক অনুযায়ী সবার নাম পোর্টালে নথিভুক্ত হবে। কুমারগঞ্জের বিডিও শ্রীবাস বিশ্বাস বলেন, আমরা চাইছি, স্বচ্ছভাবে পুরো কাজ হোক। ক্যাম্প করে পুরো কাজ হবে। জানা গিয়েছে, মোবাইল লিঙ্ক মারফত্ আসা মুচলেকায় থাকবে উপভোক্তার নাম, ঠিকানা, ব্যাঙ্কের তথ্য। তারপরে লেখা থাকবে উপভোক্তার আয়। তিনি বাড়ি পাওয়ার জন্য কাউকে ঘুষ দিয়েছেন কি না, সেই প্রশ্নও থাকবে। বাড়ির জন্য পাওয়া টাকা যে তিনি অন্য কাজে ব্যবহার করবেন না, তাও মুচলেকা দিয়ে জানাতে হবে উপভোক্তাকে। এই মুচলেকা অনলাইনে দেওয়ার পর একটি আইডি তৈরি হবে। তারপর সেই ব্যক্তির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঘরের টাকা ঢুকবে। যদি কেউ কোনও তথ্য ভুল দেন, তবে তার বিরুদ্ধে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে ব্লক প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।



