শ্রীকান্ত পড়্যা, তমলুক: এসি বসানো পাকা বাড়ি। ২০১৫-’১৬আর্থিক বছরে ইন্দিরা আবাস যোজনায় পাকাবাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। আবার সেই বাড়ির মালিক আবাস যোজনায় বাড়ি তৈরির জন্য ৬০হাজার টাকা পেলেন। সুতাহাটা ব্লকের গুয়াবেড়িয়া পঞ্চায়েতের গুয়াবেড়িয়া গ্রামের ঘটনা। ওই গৃহকর্তার নাম বংশীধর ভট্টাচার্য। স্ত্রী শান্তি ভট্টাচার্য গুয়াবেড়িয়া আইসিডিএস সেন্টারের সহায়িকা। গ্রামে একটি পাকাবাড়ি থাকলেও সপরিবারে সুতাহাটায় পাকাবাড়ি বানিয়ে সেখানেই থাকেন। সেই বাড়ির একটা অংশে কম্পিউটার সেন্টার চালান তাঁর ছেলে মধুসূদন। বাড়িতে এসি বসানো রয়েছে। অথচ সেই বংশীধরবাবুর আবার আবাস যোজনার উপভোক্তা। প্রথম কিস্তির ৬০হাজার টাকা তাঁর অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে।
Advertisement
শুধু বংশীধর ভট্টাচার্য নয়, তাঁর মতো গুয়াবেড়িয়া গ্রামের উত্তম দাস, ট্যাবাখালি গ্রামের আবু কালাম খান আগে পাকাবাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। সেই টাকায় বাড়ি বানিয়েছেন। তারপরও এবার আবাস যোজনায় তাঁরা প্রত্যেকেই ৬০হাজার টাকা পেয়েছেন। সরকারি কর্মীদের গাফিলতির ফলে সুতাহাটার গুয়াবেড়িয়া পঞ্চায়েতে এধরনের ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ। একবার আবাস যোজনায় টাকা পেলে তাঁদের নামে আইডি থাকে। সেই আইডির সূত্র ধরেই নন্দীগ্রাম-২ ব্লকে ১৪জন উপভোক্তাকে এবার আবাসের টাকা ফেরত দিতে নির্দেশ দিয়েছেন সেখানকার ব্লক প্রশাসন। অথচ, সুতহাটা ব্লকের বিডিওর কাছে ওই উপভোক্তাদের বিরুদ্ধে নির্দিষ্ট অভিযোগ হওয়ার পরও ব্লক প্রশাসন পদক্ষেপ নিচ্ছে না।
২০১৭-’১৮সালে ট্যাবাখালি গ্রামের আবু কালাম খান ও তাঁর তিন ভাই পাকাবাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। সেই টাকায় আবু কালাম পাকাবাড়িও বানিয়েছেন। তারপরও ওই ব্যক্তি ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করে আবাসের বাড়ির জন্য আবেদন করেন। ওই গ্রামে আবু কালাম নামে আরও একজন আছেন। তাঁরও পাকাবাড়ি রয়েছে। কিন্তু, তাঁর পাকাবাড়ি লাগোয়া একটি কাঁচাবাড়িও আছে। সরকারি কর্মীরা সার্ভে করার সময় এলাকায় যেতেই আবু কালাম খান আর এক আবু কালামের কাঁচা বাড়ি দেখিয়ে সরকারি কর্মীদের ধোঁকা দিয়েছেন গ্রামবাসীরা জানান।
বংশীধরবাবুর ছেলে মধুসূদন বলেন, আমার বাবা ২০১৫-’১৬সালে আবাস যোজনায় ৭০হাজার টাকা পেয়েছিলেন। তার অর্ধেক নেতাকে ভাগ দিতে হয়েছিল। ওই টাকায় মাত্র একটি রুম তৈরি হয়। সুতাহাটায় আমাদের বাড়ি থাকলেও গ্রামের এক কামরার বাড়ি ভালোভাবে করার জন্য আমরা আবাসের টাকার জন্য আবেদন করি। সেই আবেদন মঞ্জুরও হয়।
আবু কালাম খান বলেন, এরআগে আবাসে টাকা পেলেও বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। এবারে আবাসের টাকায় বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ করতে পারব। এনিয়ে সুতাহাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অশোক মিশ্র বলেন, আবাস তালিকা ভেরিফিকেশনের সময় কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছিলেন না। গোটাটাই সরকারি কর্মীরা করেছেন। সুতাহাটার বিডিও দেবলীনা দাস বলেন, আমার কাছে অভিযোগ এসেছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি।
২০১৭-’১৮সালে ট্যাবাখালি গ্রামের আবু কালাম খান ও তাঁর তিন ভাই পাকাবাড়ি তৈরির টাকা পেয়েছেন। সেই টাকায় আবু কালাম পাকাবাড়িও বানিয়েছেন। তারপরও ওই ব্যক্তি ‘সরাসরি মুখ্যমন্ত্রী’ নম্বরে ফোন করে আবাসের বাড়ির জন্য আবেদন করেন। ওই গ্রামে আবু কালাম নামে আরও একজন আছেন। তাঁরও পাকাবাড়ি রয়েছে। কিন্তু, তাঁর পাকাবাড়ি লাগোয়া একটি কাঁচাবাড়িও আছে। সরকারি কর্মীরা সার্ভে করার সময় এলাকায় যেতেই আবু কালাম খান আর এক আবু কালামের কাঁচা বাড়ি দেখিয়ে সরকারি কর্মীদের ধোঁকা দিয়েছেন গ্রামবাসীরা জানান।
বংশীধরবাবুর ছেলে মধুসূদন বলেন, আমার বাবা ২০১৫-’১৬সালে আবাস যোজনায় ৭০হাজার টাকা পেয়েছিলেন। তার অর্ধেক নেতাকে ভাগ দিতে হয়েছিল। ওই টাকায় মাত্র একটি রুম তৈরি হয়। সুতাহাটায় আমাদের বাড়ি থাকলেও গ্রামের এক কামরার বাড়ি ভালোভাবে করার জন্য আমরা আবাসের টাকার জন্য আবেদন করি। সেই আবেদন মঞ্জুরও হয়।
আবু কালাম খান বলেন, এরআগে আবাসে টাকা পেলেও বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ হয়নি। এবারে আবাসের টাকায় বাড়ির কাজ সম্পূর্ণ করতে পারব। এনিয়ে সুতাহাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি অশোক মিশ্র বলেন, আবাস তালিকা ভেরিফিকেশনের সময় কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি ছিলেন না। গোটাটাই সরকারি কর্মীরা করেছেন। সুতাহাটার বিডিও দেবলীনা দাস বলেন, আমার কাছে অভিযোগ এসেছে। আমরা তদন্ত করে দেখছি।



