নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: বন্যায় হুগলি জেলায় ১০৫০টি বাড়ি পুরোপুরি ভেঙে গিয়েছে। এমন গৃহহীন পরিবারগুলিকে আগেই চিহ্নিত করেছে জেলা প্রশাসন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণামতো গৃহহীন পরিবারগুলিকে আবাস প্লাসের আওতায় এনে পাকা বাড়ি দিতে তৎপর প্রশাসন। ফলে সেইসব ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কাছে গিয়ে শুরু হয়েছে সমীক্ষা। আপাতত সমীক্ষায় ৩১৫টি পরিবারকে বাংলা আবাসে ‘যোগ্য’ হিসেবে চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
Advertisement
জেলা প্রশাসনের এক আধিকারিক বলেন, বন্যা পরিস্থিতিতে ভেঙে পড়া ঘরবাড়ির সমীক্ষা হচ্ছে। আপাতত যোগ্য পরিবারগুলির সুপার চেকিংও হচ্ছে। এখনও চূড়ান্ত তালিকা তৈরি হয়নি। সমীক্ষার সব ধাপ পূরণ করে তবেই আর্থিক সহযোগিতা দেওয়া হবে দুর্গতদের। খানাকুল-২ এর বিডিও মধুমিতা ঘোষ বলেন, বন্যায় ভেঙে পড়া বাড়িগুলির সমীক্ষা চলছে। সমস্ত দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
খানাকুলের তালিত এলাকায় দ্বারকেশ্বর নদের জলের তোড়ে ভেঙে যায় বাঁধ। তাতে বেশ কয়েকটি পাকা বাড়ি ভেঙে যায়। সেখানকার বাসিন্দা কাশীনাথ বাগ বলেন, এবারের ভয়াবহ বন্যায় আমাদের ভিটেমাটি সব চলে গিয়েছে। আমরা কার্যত সর্বহারা হয়ে গিয়েছি। প্রশাসন বাড়ি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। সমীক্ষা এখনও পর্যন্ত না হলেও সব নথিপত্র আগে থেকেই জমা দেওয়া আছে। তবে সরকার বাড়ি তৈরির জন্য টাকা দিলেও জমি পাওয়া নিয়ে আমাদের চিন্তা রয়েছে। আগের জমি এখন নদীর গ্রাসে। ধান্যঘোরীর বাসিন্দা সাহেব পোড়ে বলেন, আমাদের বাড়িতে এসে কেউ এখনও সমীক্ষা করেনি। তবে বাড়ির ব্যাপারে আশ্বাস পেয়েছি।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলি জেলায় সাম্প্রতিক বন্যা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য ১০৫০টি বাড়িকে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত রবিবারের রিপোর্ট অনুযায়ী ৩৮২টি বাড়িতে সমীক্ষার কাজ করা হয়েছে। তারমধ্যে ৩১৫টি পরিবারকে প্রাথমিকভাবে যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি পরিবারগুলির সমীক্ষা চলছে। একইসঙ্গে যোগ্য প্রাপকদের তথ্যও সুপার চেকিং হচ্ছে। তবে বন্যা পরিস্থিতিতে হুগলিতে খানাকুলের দু’টি ব্লকে বাড়ির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। জানা গিয়েছে, আরামবাগে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির সংখ্যা ৩৮টি। খানাকুল-১ ব্লকে ৪০৬, খানাকুল-২ ব্লকে ২৪২, পুরশুড়ায় ১২৬, গোঘাট-১ ব্লকে ১৪, গোঘাট-২ ব্লকে ২১টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বলে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। এখনও পর্যন্ত আরামবাগ ব্লকে ১৪টি, খানাকুল-১ এ ৪৫টি, খানাকুল-২ ব্লকে ৯১, পুরশুড়ায় ৪৮টি পরিবারকে যোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আবাসের বরাদ্দ চেয়ে এদিন গোঘাটের বেঙ্গাই পঞ্চায়েতে এসে বিক্ষোভ দেখান বহু মহিলা। আবাসের তালিকায় তাঁদের নাম নেই কেন তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। ওই পঞ্চায়েতের প্রধান কাজল রজক বলেন, মহিলারা আবাসের জন্য এসেছিলেন। তাঁদের বলেছি ২০১৮সালের তালিকা অনুযায়ী সমীক্ষা হচ্ছে। যাঁরা যোগ্য তাঁরাই বাড়ি পাবেন। তবে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে অভিযোগ জানাতেও পরামর্শ দিয়েছি।
খানাকুলের তালিত এলাকায় দ্বারকেশ্বর নদের জলের তোড়ে ভেঙে যায় বাঁধ। তাতে বেশ কয়েকটি পাকা বাড়ি ভেঙে যায়। সেখানকার বাসিন্দা কাশীনাথ বাগ বলেন, এবারের ভয়াবহ বন্যায় আমাদের ভিটেমাটি সব চলে গিয়েছে। আমরা কার্যত সর্বহারা হয়ে গিয়েছি। প্রশাসন বাড়ি দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছে। সমীক্ষা এখনও পর্যন্ত না হলেও সব নথিপত্র আগে থেকেই জমা দেওয়া আছে। তবে সরকার বাড়ি তৈরির জন্য টাকা দিলেও জমি পাওয়া নিয়ে আমাদের চিন্তা রয়েছে। আগের জমি এখন নদীর গ্রাসে। ধান্যঘোরীর বাসিন্দা সাহেব পোড়ে বলেন, আমাদের বাড়িতে এসে কেউ এখনও সমীক্ষা করেনি। তবে বাড়ির ব্যাপারে আশ্বাস পেয়েছি।
প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, হুগলি জেলায় সাম্প্রতিক বন্যা ও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের জন্য ১০৫০টি বাড়িকে পুরোপুরি ক্ষতিগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। গত রবিবারের রিপোর্ট অনুযায়ী ৩৮২টি বাড়িতে সমীক্ষার কাজ করা হয়েছে। তারমধ্যে ৩১৫টি পরিবারকে প্রাথমিকভাবে যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। বাকি পরিবারগুলির সমীক্ষা চলছে। একইসঙ্গে যোগ্য প্রাপকদের তথ্যও সুপার চেকিং হচ্ছে। তবে বন্যা পরিস্থিতিতে হুগলিতে খানাকুলের দু’টি ব্লকে বাড়ির ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ সবচেয়ে বেশি। জানা গিয়েছে, আরামবাগে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ির সংখ্যা ৩৮টি। খানাকুল-১ ব্লকে ৪০৬, খানাকুল-২ ব্লকে ২৪২, পুরশুড়ায় ১২৬, গোঘাট-১ ব্লকে ১৪, গোঘাট-২ ব্লকে ২১টি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত বলে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। এখনও পর্যন্ত আরামবাগ ব্লকে ১৪টি, খানাকুল-১ এ ৪৫টি, খানাকুল-২ ব্লকে ৯১, পুরশুড়ায় ৪৮টি পরিবারকে যোগ্য বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।
আবাসের বরাদ্দ চেয়ে এদিন গোঘাটের বেঙ্গাই পঞ্চায়েতে এসে বিক্ষোভ দেখান বহু মহিলা। আবাসের তালিকায় তাঁদের নাম নেই কেন তা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন। ওই পঞ্চায়েতের প্রধান কাজল রজক বলেন, মহিলারা আবাসের জন্য এসেছিলেন। তাঁদের বলেছি ২০১৮সালের তালিকা অনুযায়ী সমীক্ষা হচ্ছে। যাঁরা যোগ্য তাঁরাই বাড়ি পাবেন। তবে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীতে অভিযোগ জানাতেও পরামর্শ দিয়েছি।



