Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

আবাসে নাম বাদ, পঞ্চায়েত প্রধান বউমাকে দুষে গোঁসা শ্বশুরের

আবাসে নাম বাদ, পঞ্চায়েত প্রধান বউমাকে দুষে গোঁসা শ্বশুরের
  • ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, কালনা: বউমা পঞ্চায়েত প্রধান। বাংলার বাড়ি প্রকল্প থেকে নাম বাদ গিয়েছে শ্বশুরের। তাই পুত্রবধূকে দুষে তাঁর উপর গোঁসা করে বসে আছেন শ্বশুর। বাড়ি না পাওয়ায় বউমার সঙ্গে কথা বলা, এমনকী মুখ দেখাদেখি বন্ধ করেছেন শ্বশুর মশাই। কালনার হাটকালনা পঞ্চায়েতের মুক্তারপুরের ওই পরিবারে কয়েক দফায় অশান্তিও হয়ে গিয়েছে। জানা গিয়েছে, প্রধানের শ্বশুর সত্তর ঊর্ধ্ব রাধেশ্যাম মণ্ডলের নাম ছিল বাংলার বাড়ি প্রকল্পের তালিকায়। তাঁর ছেলে বনমালি মণ্ডলের স্ত্রী শ্রাবন্তী মণ্ডল হাটকালনা পঞ্চায়েতের প্রধান। সম্প্রতি কালনা-১ ব্লক থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে আধিকারিকরা মুক্তারপুরে রাধেশ্যাম মণ্ডলের বাড়িতে যান। তাঁর বাড়ি ভেরিফিকেশন করার পরই আধিকারিকরা তাঁর নাম বাংলার বাড়ি প্রকল্প থেকে বাদ দেন। তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়াতে রাধেশ্যামবাবুর সমস্ত রাগ গিয়ে পড়েছে বউমার উপর। তারপর থেকেই এই অশান্তি শুরু হয়েছে। রাধেশ্যামবাবুর বলেন, আমি ও আমার স্ত্রী আলাদা থাকি। আলাদা খাওয়া-দাওয়া করি। বড়ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক নেই। আমার টিনের ঘর। বৃষ্টি হলে জল পড়ে। ত্রিপল দিয়ে রয়েছি। ঘর পাওয়ার তালিকায় নাম ছিল। দিন চারেক আগে বিডিও অফিস থেকে কয়েকজন এসে আমার টিনের বেড়ার ঘর দেখেছেন। ছেলের দালান ঘর আছে বলে তালিকা থেকে অন্যায়ভাবে আমার নাম বাদ দিয়ে দিয়েছেন। বউমা চাইলে নামটা রাখতে পারত। আমার সঙ্গে বউমার সম্পর্ক খারাপ তাই ইচ্ছা করেই নামটা বাদ দিয়েছে। যদিও প্রধান শ্রাবন্তী মণ্ডল বলেন, শ্বশুর মশাই মিথ্যা অভিযোগ তুলছেন। ২০১৮ সালের তালিকায় নাম উঠেছে। তারপর আমি বউ হয়ে এসে টিনের ঘর দেখেছি। পরে আমার স্বামীর দালান ঘর হয়েছে। বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ভেরিফিকেশনে আমাদের কোনও ভূমিকা নেই। সুপার চেকিংয়ে নাম বাদ গিয়েছে। শ্বশুর মশাই অহেতুক আমাকে দোষারোপ করছেন।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ