সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: কোচবিহার জেলা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভেন্স সেলে বাংলার বাড়ি প্রকল্পে ঘর পেতে আবেদন করেছেন ১৯১৭ জন। ওই আবেদনগুলি রাজ্য থেকে জেলা প্রশাসনের কাছে পাঠিয়ে সেগুলির সমীক্ষার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। ওই আবেদনগুলি প্রাথমিকভাবে যাচাই করে সমীক্ষার যোগ্য আবেদনকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০২ জন। যদিও এই সংখ্যা আরও কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কোচবিহার জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, আবাসের জন্য জেলায় মোট ৩ লক্ষ ৯১ হাজার ৪৭৫ পরিবারের সমীক্ষা হবে। তাঁদের নাম আবাস যোজনায় তিনটি ভাগে তালিকায় রয়েছে। প্রথম তালিকা রয়েছে ২০২২ সালে অনুমোদিত হওয়া পরিবারগুলির নাম। সেখানে ১ লক্ষ ৩৪ হাজার ৬০৫টি পরিবার রয়েছে। দ্বিতীয় তালিকায় আবাসের স্থায়ী ওয়েটিং লিস্টের ২ লক্ষ ৫৪ হাজার ৯৫৩ পরিবার আছে। এছাড়াও মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভেন্স সেলের মাধ্যমে জেলায় আরও ১৯১৭টি আবেদন জমা পড়েছে। গোটা জেলায় ১১১৪টি দল আবাসের সমীক্ষার কাজ করেছে। গত ৫ ডিসেম্বর সমীক্ষার কাজ শেষ হয় কোচবিহার জেলায়।
Advertisement
তবে আবাসের এই সমীক্ষার পর জেলায় প্রচুর নাম বাদ পড়েছে। কারণ, আবাসের তালিকায় নাম থাকা উপভক্তাদের অনেক পরিবার পাকা বাড়ি বানিয়ে ফেলেছে। আবার অনেকেই নিজেদের নাম প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেছিলেন।
কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলাশাসক সৌমেন দত্ত বলেন, সমীক্ষার কাজ শুরু হওয়ার আগেই আবাসের ঘর পেতে জেলা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভেন্স সেলের মাধ্যমে ১৯১৭ জন আবেদন করেছিলেন। সমীক্ষার পর এখনও পর্যন্ত এই তালিকায় ৬০২ জন ঘর পাওয়ার যোগ্য হয়েছেন। তবে এই সংখ্যাটা বিভিন্ন কারণে আরও কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সবটাই খতিয়ে দেখছি।
কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলাশাসক সৌমেন দত্ত বলেন, সমীক্ষার কাজ শুরু হওয়ার আগেই আবাসের ঘর পেতে জেলা থেকে মুখ্যমন্ত্রীর গ্রিভেন্স সেলের মাধ্যমে ১৯১৭ জন আবেদন করেছিলেন। সমীক্ষার পর এখনও পর্যন্ত এই তালিকায় ৬০২ জন ঘর পাওয়ার যোগ্য হয়েছেন। তবে এই সংখ্যাটা বিভিন্ন কারণে আরও কিছুটা বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আমরা সবটাই খতিয়ে দেখছি।



