নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার ও সংবাদদাতা, তুফানগঞ্জ: বাংলার বাড়ি যোজনার ঘর না পেয়ে কোচবিহার দক্ষিণ বিধানসভার শুকটাবাড়িতে এবং তুফানগঞ্জ-১ ব্লকের নাককাটিগছে স্থানীয়রা শুক্রবার রাস্তা অবরোধ করেন। শুকটাবাড়িতে প্রায় চার ঘণ্টা রাস্তা অবরোধ চলে। অন্যদিকে, তুফানগঞ্জ-বালাভূত রাজ্য সড়কের দ্বীপরপাড়ে দু’ঘণ্টা অবরোধের জেরে ব্যাপক ভোগান্তির মুখে পড়তে হয় সংশ্লিষ্ট সড়ক ব্যবহারকারীদের। যদিও দুই ক্ষেত্রেই প্রশাসনিক আশ্বাসে অবরোধ তুলে নেন আন্দোলনকারীরা।
Advertisement
এদিকে, শুকটাবাড়ির অবরোধে তৃণমূল কংগ্রেসের স্থানীয় অঞ্চল সভাপতি সিরাজুল হক নিজে শামিল হন। বঞ্চিতদের পাশে থাকতে স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্য সহ পঞ্চায়েত সমিতির কয়েকজন সদস্য পদত্যাগ করেছেন বলে তিনি দাবি করেন। দলের কোচবিহার জেলা সভাপতি অভিজিৎ দে ভৌমিক ঘর না পাওয়ায় আন্দোলনের বিষয়টিকে ন্যায্য বলে দাবি করলেও পদত্যাগের কোনও প্রশ্ন নেই বলে জানিয়েছেন।
শুকটাবাড়িতে পরিস্থিতি সামাল দিতে পৌঁছান অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) সৌমেন দত্ত, জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি আব্দুল জলিল আহমেদ। কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিসও চলে আসে। দীর্ঘ আলোচনার পর অবরোধ ওঠে। এ ঘটনায় কোচবিহার-মাথাভাঙা রাজ্য সড়কে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।
সিরাজুল বলেন, কোনও কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০০-১২০০ লোক ঘর পাচ্ছে। আমাদের গ্রামে মাত্র ৪৪৬ জনের নাম রয়েছে। জেলার নেতারা এসব জানেন না। এসব আমরা মানব না। এখানে পঞ্চায়েত স্তরের জনপ্রতিনিধিরা পদত্যাগ করেছেন। জেলা সভাপতিকে হোয়াটসঅ্যাপ তাঁরা সেই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছেন। জেলা তৃণমূল সভাপতি অবশ্য বলেন, পদত্যাগের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আবেদন এলেও গ্রহণ করা হবে না। অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) বলেন, যাঁরা যোগ্য তাঁরা সকলেই ঘর পাবেন। ধাপে ধাপে মিলবে। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকাও রাজ্যে পাঠানো আছে।
শুকটাবাড়িতে পরিস্থিতি সামাল দিতে পৌঁছান অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) সৌমেন দত্ত, জেলা পরিষদের সহকারী সভাধিপতি আব্দুল জলিল আহমেদ। কোচবিহার কোতোয়ালি থানার পুলিসও চলে আসে। দীর্ঘ আলোচনার পর অবরোধ ওঠে। এ ঘটনায় কোচবিহার-মাথাভাঙা রাজ্য সড়কে দীর্ঘক্ষণ যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।
সিরাজুল বলেন, কোনও কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতে ১০০০-১২০০ লোক ঘর পাচ্ছে। আমাদের গ্রামে মাত্র ৪৪৬ জনের নাম রয়েছে। জেলার নেতারা এসব জানেন না। এসব আমরা মানব না। এখানে পঞ্চায়েত স্তরের জনপ্রতিনিধিরা পদত্যাগ করেছেন। জেলা সভাপতিকে হোয়াটসঅ্যাপ তাঁরা সেই বার্তা পাঠিয়ে দিয়েছেন। জেলা তৃণমূল সভাপতি অবশ্য বলেন, পদত্যাগের কোনও প্রশ্নই ওঠে না। আবেদন এলেও গ্রহণ করা হবে না। অতিরিক্ত জেলাশাসক (জেলা পরিষদ) বলেন, যাঁরা যোগ্য তাঁরা সকলেই ঘর পাবেন। ধাপে ধাপে মিলবে। ঝড়ে ক্ষতিগ্রস্তদের তালিকাও রাজ্যে পাঠানো আছে।



