নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: শহরে সাফাইয়ের কাজে গতি আনতে ১৪টি নতুন ই-রিকশ কিনছে কৃষ্ণনগর পুরসভা। সেগুলি ১৪টি ওয়ার্ডে আবর্জনা সংগ্রহের গাড়ি হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এজন্য প্রায় ৩২লক্ষ টাকা খরচ হচ্ছে। পুর কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইতিমধ্যে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হয়েছে। এতদিন কৃষ্ণনগর পুরসভার কাছে আটটি বর্জ্য সংগ্রহের ই-রিকশ ছিল। আরও ১৪টি কিনলে সেই সংখ্যা বেড়ে ২২ হবে। শহরের প্রতিটি ওয়ার্ডেই নিয়ম করে আবর্জনা সংগ্রহ করা হবে। সেই আবর্জনা যথাস্থানে ফেলে আসবেন পুরসভার সাফাইকর্মীরা। নতুন অর্থবর্ষ শুরুর আগেই এই ১৪টি ই-রিকশ শহরের রাস্তায় নামবে।
Advertisement
কৃষ্ণনগর পুরসভার চেয়ারপার্সন রীতা দাস বলেন, শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে আমরা লাগাতার কাজ করে চলেছি। এখন দিনের পাশাপাশি রাতেও আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়। নতুন করে ১৪টি ই-রিকশ আনা হচ্ছে। এর ফলে শহর সাফাইয়ের কাজে আরও গতি বাড়বে।
কৃষ্ণনগর শহরে বহুদিন ধরেই যেখানে সেখানে আবর্জনা পড়ে থাকা ঘিরে মানুষের ক্ষোভ রয়েছে। অনেকসময়ই বেলা হয়ে গেলেও শহরের নানা জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সেই বর্জ্য ডাম্পিং গ্রাউন্ডে সরানো হয় না। বিশেষ করে কৃষ্ণনগর আদালতের কাছে রাস্তার উপর আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়। বর্জ্য সংগ্রহের অতিরিক্ত গাড়ি এলে সাফাই অভিযানের গতি বাড়বে-এমনটাই আশা শহরের মানুষের।
কৃষ্ণনগর পুরসভার বিরোধী দলনেত্রী কংগ্রেসের শান্তশ্রী সাহা বলেন, পুরসভা আবর্জনা সাফাইয়ে ব্যর্থ। টাকা দিতে না পারায় ‘নির্মলবন্ধু’রা কাজ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ফলে সময়মতো আবর্জনা সাফাই হচ্ছে না। আমাদের দাবি, জঞ্জাল সাফাইয়ের এই পুরো প্রক্রিয়ার বেসরকারিকরণ হোক। কারণ শুধু টোটো কিনলে হবে না, সাফাইয়ের জন্য লোকও রাখতে হবে।
এখন সপ্তাহের নির্দিষ্ট কিছু দিনে শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়। বেশিরভাগ ওয়ার্ডে পুরসভার সাফাইকর্মীরা ঠেলাগাড়ি নিয়ে আবর্জনা সংগ্রহ করেন। শহরের আটটি ওয়ার্ডে ই-রিকশর ব্যবস্থা ছিল। এবার নতুন করে আরও ১৪টি ওয়ার্ডে ই-রিকশ চালু হতে চলায় খুশি কৃষ্ণনগরবাসী।
কৃষ্ণনগর শহরে বহুদিন ধরেই যেখানে সেখানে আবর্জনা পড়ে থাকা ঘিরে মানুষের ক্ষোভ রয়েছে। অনেকসময়ই বেলা হয়ে গেলেও শহরের নানা জায়গায় ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা সেই বর্জ্য ডাম্পিং গ্রাউন্ডে সরানো হয় না। বিশেষ করে কৃষ্ণনগর আদালতের কাছে রাস্তার উপর আবর্জনা পড়ে থাকতে দেখা যায়। বর্জ্য সংগ্রহের অতিরিক্ত গাড়ি এলে সাফাই অভিযানের গতি বাড়বে-এমনটাই আশা শহরের মানুষের।
কৃষ্ণনগর পুরসভার বিরোধী দলনেত্রী কংগ্রেসের শান্তশ্রী সাহা বলেন, পুরসভা আবর্জনা সাফাইয়ে ব্যর্থ। টাকা দিতে না পারায় ‘নির্মলবন্ধু’রা কাজ ছেড়ে চলে যাচ্ছে। ফলে সময়মতো আবর্জনা সাফাই হচ্ছে না। আমাদের দাবি, জঞ্জাল সাফাইয়ের এই পুরো প্রক্রিয়ার বেসরকারিকরণ হোক। কারণ শুধু টোটো কিনলে হবে না, সাফাইয়ের জন্য লোকও রাখতে হবে।
এখন সপ্তাহের নির্দিষ্ট কিছু দিনে শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আবর্জনা সংগ্রহ করা হয়। বেশিরভাগ ওয়ার্ডে পুরসভার সাফাইকর্মীরা ঠেলাগাড়ি নিয়ে আবর্জনা সংগ্রহ করেন। শহরের আটটি ওয়ার্ডে ই-রিকশর ব্যবস্থা ছিল। এবার নতুন করে আরও ১৪টি ওয়ার্ডে ই-রিকশ চালু হতে চলায় খুশি কৃষ্ণনগরবাসী।



