সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: জঙ্গিপুর শহরের রাস্তার মোড়ে বেড়েই চলেছে আবর্জনার স্তূপ। ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। বাড়ছে মশা-মাছির উপদ্রব। ডাম্পিং গ্রাউন্ডের অভাবে আবর্জনা ফেলতে পারছে না পুরসভা। রবিবারও পুর কর্মীরা একটি জায়গায় আবর্জনা ফেলতে গেলে এলাকাবাসী বাধা দেয়। যা নিয়ে পুরসভার দাবি, অকারণেই কিছু মানুষ এই সমস্যার সৃষ্টি করছে। আবর্জনা ফেলার জন্য পুরসভা জমি কিনেছে। ফলে খুব শীঘ্রই এই সমস্যা মিটে যাবে বলে পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে। পুরসভার চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম বলেন, আবর্জনা ফেলার জন্য সম্প্রতি মহকুমা শাসকের নির্দেশে ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে একটি সরকারি জমি চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখানেই আবর্জনা ফেলা হচ্ছিল। কিছু মানুষ আপত্তি জানায়। এছাড়াও এক ব্যক্তি জমিটা নিজের বলে দাবি করে। আমরা তাঁকে কাগজপত্র নিয়ে পুরসভায় দেখা করতে বলেছি।
Advertisement
এদিন সকালে জঙ্গিপুর পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে রঘুনাথগঞ্জের আতিথ্য ভবনের পাশে ট্রাক্টরে করে আবর্জনা ফেলার কাজ চলছিল। পুরসভার আবর্জনা ফেলা হচ্ছে জানতে পেরে স্থানীয় বাসিন্দারা এসে হাজির হয়। তারা সেখানে আবর্জনা ফেলতে বাধা দেয়। স্থানীয় এক ব্যক্তি জায়গাটি নিজের বলে দাবি করেন। ফলে আবর্জনা ফেলা বন্ধ হয়ে যায়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসেন পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান সন্তোষ চৌধুরি, পুরসভার বিরোধী দলনেতা সিপিএমের সুবীর রায় সহ পুরসভার কাউন্সিলাররা। তাঁরা এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলেন। তাদের বুঝিয়ে আপাতত কয়েক ট্রাক্টর আবর্জনা সেখানে ফেলা হয়। শহরের রাস্তায় যত্রতত্র আবর্জনা জমে থাকা আবর্জনা দ্রুত সাফাইয়ের দাবি তুলেছেন এলাকাবাসী।
বিরোধী দলনেতা বলেন, ওই ব্যক্তি দাবি করছেন ওটা তাঁর জমি। যদি দাবি সঠিক হয় তাহলে নিজের জায়গায় কেন আবর্জনা ফেলতে দেবে। কার জমি সেটা খতিয়ে দেখা হোক।
ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, পুরসভার পুরনো ডাম্পিং গ্রাউন্ডে আর আবর্জনা ফেলা যাচ্ছে না। ডাম্পিং গ্রাউন্ডের জন্য আগেই দু’টি জমি কেনা হয়েছে। মাস খানেকের মধ্যেই সেখানেই আবর্জনা ফেলা হবে। বর্তমানে কিছু মানুষ অকারণে আবর্জনা ফেলতে বাধা দিচ্ছে।
বিরোধী দলনেতা বলেন, ওই ব্যক্তি দাবি করছেন ওটা তাঁর জমি। যদি দাবি সঠিক হয় তাহলে নিজের জায়গায় কেন আবর্জনা ফেলতে দেবে। কার জমি সেটা খতিয়ে দেখা হোক।
ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, পুরসভার পুরনো ডাম্পিং গ্রাউন্ডে আর আবর্জনা ফেলা যাচ্ছে না। ডাম্পিং গ্রাউন্ডের জন্য আগেই দু’টি জমি কেনা হয়েছে। মাস খানেকের মধ্যেই সেখানেই আবর্জনা ফেলা হবে। বর্তমানে কিছু মানুষ অকারণে আবর্জনা ফেলতে বাধা দিচ্ছে।



