সংবাদদাতা, মাথাভাঙা: মাথাভাঙা-২ ব্লকের লোকালয়ে ফের বাইসনের হানা। শনিবার পূর্ব রুইডাঙা, উনিশবিশা সহ বিস্তীর্ণ এলাকায় দিনভর দাপিয়ে বেড়ায় বাইসনটি। মাথাভাঙা বনদপ্তরের কর্মী ও ঘোকসাডাঙা থানার পুলিস বাইসনটিকে কাবু করার চেষ্টার পর ঘুমপাড়ানি গুলিতে কাবু করেন। সন্ধ্যায় বাইসনটিকে ধরে পাতলাখাওয়া জঙ্গলে নিয়ে যাওয়া হয়। এদিন বেশকিছু ভুট্টাখেত, আলু খেত ও বোরো চাষের জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে। তবে বারবার লোকালয়ে বাইসন চলে আসার আতঙ্কিত বাসিন্দারা।
Advertisement
চলতি মাসেই মাথাভাঙা-২ ব্লকের লোকালয়ে একাধিকবার বাইসন চলে এসেছিল। সম্প্রতি পাড়ডুবি এলাকায় চলে এসেছিল হাতিও। বারবার লোকালয়ে বন্যপ্রাণী চলে আসায় আতঙ্কিত বাসিন্দারা। যদিও বনদপ্তর জানিয়েছে, মাথাভাঙা-২ ব্লকের সর্বত্রই ভুট্টার ব্যাপক চাষ হয়। ভুট্টা গাছের কাঁচা পাতা খেতেই বন্যপ্রাণীরা লোকালয়ে চলে আসছে। বাসিন্দাদের এব্যাপারে সচেতনও করছে বনকর্মীরা।
এদিন সকালে পূর্ব রুইডাঙা এলাকায় একটি ভুট্টাখেতে বাইসনটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় ঘোকসাডাঙা থানা ও মাথাভাঙা বনদপ্তরের অফিসে। বনকর্মীরা খবর পাওয়ার পর এলাকায় চলে আসে। যদিও খোলা মাঠ ও ভুট্টাখেতের কারণে বাইসনটিকে বাগে আনতে সমস্যায় পড়েন বনকর্মীরা। শেষমেষ উনিশবিশা পাটাকামারী এলাকায় ঘুমপাড়ানি গুলিছোড়া হয়। যদিও সেটিকে ধরতে অনেকটা সময় লাগে। কোচবিহারের ডিএফও অসিতাভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ঘোকসাডাঙার রুইডাঙা এলাকায় একটি বাইসন লোকালয়ে চলে এসেছিল। পরে সেটি উনিশবিশা এলাকায় যায়। অনেক চেষ্টার পর বাইসনটিকে ঘুমপাড়ানিগুলিতে কাবু করা সম্ভব হয়েছে। বাইসনটিকে পাতলাখাওয়া জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে।
এদিন সকালে পূর্ব রুইডাঙা এলাকায় একটি ভুট্টাখেতে বাইসনটিকে দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর দেওয়া হয় ঘোকসাডাঙা থানা ও মাথাভাঙা বনদপ্তরের অফিসে। বনকর্মীরা খবর পাওয়ার পর এলাকায় চলে আসে। যদিও খোলা মাঠ ও ভুট্টাখেতের কারণে বাইসনটিকে বাগে আনতে সমস্যায় পড়েন বনকর্মীরা। শেষমেষ উনিশবিশা পাটাকামারী এলাকায় ঘুমপাড়ানি গুলিছোড়া হয়। যদিও সেটিকে ধরতে অনেকটা সময় লাগে। কোচবিহারের ডিএফও অসিতাভ চট্টোপাধ্যায় বলেন, ঘোকসাডাঙার রুইডাঙা এলাকায় একটি বাইসন লোকালয়ে চলে এসেছিল। পরে সেটি উনিশবিশা এলাকায় যায়। অনেক চেষ্টার পর বাইসনটিকে ঘুমপাড়ানিগুলিতে কাবু করা সম্ভব হয়েছে। বাইসনটিকে পাতলাখাওয়া জঙ্গলে ছেড়ে দেওয়া হবে।



