সংবাদদাতা, কান্দি: আজ, বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে আবুল বরকতের গ্রামে উড়বে ভাষা দিবসের পতাকা। তারপর টানা তিনদিন ধরে চলবে সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড। সেই লক্ষ্যে সালার থানার বাবলা গ্রামে শুরু হয়েছে চূড়ান্ত প্রস্তুতি। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, আটের দশকের শেষের দিকে বাবলা গ্রামে ভাষা শহিদ আবুল বরকতের স্মৃতিতে স্মরণসভা শুরু হয়। যদিও ন’য়ের দশকে মাঝামাঝি থেকে তা বড় আকারে হতে থাকে। সেই ধারা অক্ষুণ্ণ রেখে এ বছরও সেখানে তিনদিন ধরে ভাষাদিবস পালন করা হবে। এই তিনদিনে বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা ছাড়াও বাংলা ভাষা নিয়ে আলোচনাও রয়েছে। একইসঙ্গে গ্রামে তিনদিন ধরে চলবে মেলা। এবছরও গ্রামে ভাষাদিবস পালনের দায়িত্বে রয়েছে ‘অমর ২১ ফেব্রুয়ারি উদযাপন কমিটি’। কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০ তারিখ ঠিক রাত ১২টা ১ মিনিটে পতাকা উত্তোলনের মাধ্যমে ভাষাদিবসের কর্মসূচি শুরু হবে। এরপর ভোরের দিকে গ্রামজুড়ে মশাল মিছিল করা হবে। পরে টানা তিনদিন ধরে চলবে ভাষা দিবসের অনুষ্ঠান। ২৩ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা পর্যন্ত অনুষ্ঠান চলবে। তিনদিনের এই অনুষ্ঠানে বিশিষ্টরা ছাড়াও রাজ্যের বিভিন্ন জায়গা থেকে শিল্পী, সাহিত্যিক ও সাহিত্যানুরাগীরা আসবেন বলে কমিটির পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
Advertisement
কমিটি সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, সালার থানার কাগ্রাম পঞ্চায়েতের অন্তর্গত বাবলা গ্রাম। ভাষাদিবস উপলক্ষ্যে বাবলা গ্রাম ঢোকার আগেই বড় আকারে একটি তোরণ করা হয়েছে। গ্রামের প্রায় এক কিলোমিটার রাস্তার দু’ পাশ আলো দিয়ে সাজানো হয়েছে। গ্রামের শেষপ্রান্তে শহিদের বাড়ির উল্টোদিকে তৈরি করা হয়েছে শহিদ বেদি। বেদির পূর্বে কিছুটা দূরে অনুষ্ঠান মঞ্চ। আর মঞ্চের সামনে বিশাল এলাকাজুড়ে ভাষাদিবসের মেলা বসছে।
আয়োজক কমিটির পৃষ্ঠপোষক তথা মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান জানান, ভাষা শহিদদের মর্যাদা রক্ষার্থে আমরা কয়েক বছর ধরেই এই অনুষ্ঠান করে আসছি। তিনদিনে বাংলা ভাষা নিয়ে বহু অনুষ্ঠান রয়েছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।
আয়োজক কমিটির পৃষ্ঠপোষক তথা মুর্শিদাবাদ জেলা পরিষদ সদস্য মুস্তাফিজুর রহমান জানান, ভাষা শহিদদের মর্যাদা রক্ষার্থে আমরা কয়েক বছর ধরেই এই অনুষ্ঠান করে আসছি। তিনদিনে বাংলা ভাষা নিয়ে বহু অনুষ্ঠান রয়েছে। দর্শনার্থীদের নিরাপত্তার বিষয়ে বিশেষ জোর দেওয়া হয়েছে।



