মুম্বই: সঞ্জু স্যামসনের জায়গা হচ্ছে ডাগ-আউটে। খেলছেন ঈশান কিষানই। ওপেনিংয়ে অভিষেক শর্মার সঙ্গী তিনি। জল্পনা থামিয়ে জানিয়ে দিলেন ভারত অধিনায়ক সূর্যকুমার যাদব। আমেরিকার বিরুদ্ধে কাপযুদ্ধের প্রথম ম্যাচের চব্বিশ ঘণ্টা আগে তাঁর মন্তব্য, ‘ঈশানের খেলা নিশ্চিত। গত পাঁচটা টি-২০ ম্যাচে যে পারফরম্যান্স দেখিয়েছে, তাতে ওর দলে থাকা নিয়ে কোনও সংশয় নেই। সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ ট্রফিতেও এই মেজাজে ব্যাট করেছিল ঈশান। সেই ফর্মেই নিজেকে মেলে ধরেছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে। নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন নম্বরে নেমেছিল। তারপর দক্ষিণ আফ্রিকার বিরুদ্ধে প্র্যাকটিস ম্যাচে ওপেনার হিসেবে ঝড় তুলেছে। শনিবারও শুরুতেই নামানো হবে ওকে। আশা করছি, বিশ্বকাপেও চেনা মেজাজেই খেলবে ঈশান। যে পরিস্থিতিতেই ব্যাট করুক না কেন, ওর থেকে আক্রমণাত্মক ব্যাটিংই দেখতে চাইছি।’
স্পিন বোলিংয়ে বরুণ চক্রবর্তীর সঙ্গে কুলদীপ যাদবকে দেখা যাবে কি? এ বিষয়ে ধোঁয়াশা রাখলেন সূর্য। কিউয়িদের বিরুদ্ধে পাঁচ ম্যাচের সিরিজে মাত্র একবারই দু’জনকে একসঙ্গে খেলিয়েছিল ভারত। কিন্তু রায়পুরের সেই ম্যাচ ছাড়া একসঙ্গে তাঁদের খেলতে দেখা যায়নি। কারণ, ভারত আট নম্বর পর্যন্ত ব্যাটসম্যান খেলাতে মরিয়া। তবে বিশ্বকাপে পরিস্থিতি অনুসারে খেলানো হতে পারে বরুণ-কুলদীপকে, জানিয়েছেন অধিনায়ক। তাঁর মতে, ‘দলে এমন দুই বোলারের উপস্থিতি বাড়তি সুবিধার। একইসঙ্গে কম্বিনেশনের কথাও মাথায় রাখতে হয়। কোন বিপক্ষের বিরুদ্ধে কাকে খেলানো দরকার, সেটা ভেবেই গড়া হয় দল। যদি কোনও ম্যাচে এই দুই স্পিনারকে নামানোর প্রয়োজন পড়ে, তবে অবশ্যই ওরা জুটি বাঁধবে। দু’জনেই বিশ্বের সেরা স্পিনারের মধ্যে পড়ে।’
ঘরের মাঠে বিশ্বকাপ। মাথার উপর যে বিপুল চাপ থাকবে খেতাব ধরে রাখার, তা অজানা নয় সূর্যর। তাঁর কথায়, ‘দেশে খেলা সবসময়ই বাড়তি চাপের। আর এটা অস্বীকারের কোনও জায়গা নেই। ইতিবাচক দিক হল, গ্যালারিতে প্রচুর সমর্থন থাকবে আমাদের জন্য। তাছাড়া আমরা দুর্দান্ত ফর্মে রয়েছি। তবুও বাস্তবে থাকা জরুরি।’ নিজেকে অবশ্য ক্যাপ্টেন নয়, ‘লিডার’ বলতে ভালোবাসেন তিনি। মুম্বইকর বলেছেন, ‘ক্যাপ্টেন শব্দটা ওভাররেটেড। এতে আত্মতুষ্টি আসে। বরং লিডার শুনলে ভালো লাগে। ঘরের মাঠে দারুণ প্রতিভাধর একটা দলকে নেতৃত্ব দিতে পারাটা অবশ্যই তৃপ্তিদায়ক। ওয়াংখেড়েতে বিশ্বকাপের প্রথম ম্যাচ খেলাটাও বেশ রোমাঞ্চকর। আমরা তৈরি হয়েই নামছি।’