সৌরাংশু দেবনাথ, কলকাতা: মুহূর্তের পাগলামো এবং স্বপ্নভঙ্গ! গুজরাতের বিরুদ্ধে রনজির প্রথম দিনের শেষে ইডেনে তাই আক্ষেপ আর আপশোস। ইস, সুদীপ ঘরামি আর অভিষেক পোড়েল যদি পঞ্চাশের পর উইকেট ছুড়ে না দিতেন! টস হেরে ব্যাট করতে নেমে সাত উইকেটে ধুঁকতে ধুঁকতে ২৪৪ রান নয়, সেক্ষেত্রে চালকের আসনে থাকত বাংলা। এখন বড় রানে পৌঁছতে ভরসা সুমন্ত গুপ্তই (৫৮ ব্যাটিং)।
ম্যাচ দেখতে বক্সে হাজির জাতীয় নির্বাচক রুদ্রপ্রতাপ সিং। তাঁর উপস্থিতি উঠতি ক্রিকেটারদের কাছে জ্বলে ওঠার মোটিভেশন হওয়া উচিত। অভিষেক-সুদীপরা এই শিক্ষাটা যত তাড়াতাড়ি নেবেন, তত মঙ্গল। দুই ওপেনার সুদীপ চট্টোপাধ্যায় (৩) ও ক্যাপ্টেন অভিমন্যু ঈশ্বরণ (২০) অবশ্য বেশিক্ষণ থাকেননি। চরিত্রবিরোধী আগ্রাসনের শিকার অনুষ্টুপ মজুমদারও (০)। সুদীপ ঘরামি (৫৬) উত্তরাখণ্ডের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ইনিংসে নজর কেড়েছিলেন আকর্ষণীয় সব শটে। এদিনও জমাট দেখাচ্ছিল। কিন্তু লাঞ্চের পরই বাঁ-হাতি স্পিনারকে ক্রিজ ছেড়ে মারতে গিয়ে লাইন মিস করে বোল্ড! স্কোরবোর্ড যখন ৯৫-৪, সুমন্ত গুপ্তের সঙ্গে জুটি বাঁধলেন অভিষেক পোড়েল। মাত্র ৫৩ বলে পৌঁছলেন পঞ্চাশে। তার পরেই ছন্দপতন। ফিরলেন ৫১ রানে। শেষবেলায় চাপের মুখে ভরসা দিলেন সুমন্ত গুপ্ত। আলোর অভাবে এদিন ৭২ ওভারের বেশি খেলা হয়নি। গুজরাতের হয়ে তিনটি উইকেট নেন স্পিনার সিদ্ধার্থ দেশাই।