কলকাতা, ৩০ মে: সোনারপুরে প্রবল জনরোষের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল জুতো, ডিম, ঢিল। এমনকী তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়।
কলকাতা, ৩০ মে: সোনারপুরে প্রবল জনরোষের মুখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁকে লক্ষ্য করে ছোড়া হল জুতো, ডিম, ঢিল। এমনকী তাঁকে শারীরিকভাবে হেনস্থা করা হয়।
ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় সোনারপুরের বাসিন্দা সঞ্জু কর্মকার নামে তৃণমূলের এক কর্মী খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ। এদিন তাঁর বাড়িতে যান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক। সেসময় তাঁকে দেখে বিক্ষোভ দেখান সাধারণ মানুষ। একসময় হেলমেট পরিয়ে অভিষেককে সঞ্জুর বাড়িতে নিয়ে যায় পুলিশ।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পুলিশ প্রশাসনের উপরে ক্ষোভ উগড়ে দিয়েছেন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন করেছেন তিনি। অভিষেক বলেন, ‘আমি সোনারপুরে যাতে না আসি, তার জন্য সবরকম চেষ্টা হয়েছে। তবু আমি এসেছি। পারলে আমাকে প্রাণে মেরে দিক। এটাই ডাবল ইঞ্জিন সরকারের উন্নয়ন মডেল।’
সোনারপুরের ঘটনার প্রতিবাদ করেছেন বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘নিরাপত্তা তুলে নিয়ে হামলার জের আমরা রাজীব গান্ধীর সময়ে দেখেছি। আবার একই প্রবণতা। এটা হল কী করে? পুলিশ প্রশাসন কী করছিল? কেন অভিষেককে ঘিরে এই তান্ডব এতক্ষণ চলতে দেওয়া হল?’