Bartaman Logo
১ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

অসুস্থতার জন্য ভবানী ভবনে হাজির হলেন না অভিষেক, সিআইডিকে চিঠি দিয়ে জানালেন তিনি

সিআইডির তলবে সোমবার ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে না পারার কারণ জানিয়ে তিনি সিআইডিকে চিঠি পাঠিয়েছেন।

অসুস্থতার জন্য ভবানী ভবনে হাজির হলেন না অভিষেক, সিআইডিকে চিঠি দিয়ে জানালেন তিনি
  • ১ জুন, ২০২৬ ১৩:৫৭

নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিআইডির তলবে সোমবার ভবানী ভবনে হাজিরা দিলেন না অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। দলীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে না পারার কারণ জানিয়ে তিনি সিআইডিকে চিঠি পাঠিয়েছেন।

Advertisement

সই সংক্রান্ত তদন্তের বিষয়ে সোমবার দুপুর ১২টায় ভবানী ভবনে অভিষেককে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে সূত্রের খবর, শারীরিক অসুস্থতার কারণেই তিনি এদিন যেতে পারছেন না। শনিবার ভোট-পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের দেখতে গিয়ে নিজেই আক্রান্ত হন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর তাঁকে বাইপাস সংলগ্ন একটি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও সেখানে চিকিৎসা না হওয়ার অভিযোগ ওঠে। পরে তাঁকে মিন্টো পার্কের একটি বেসরকারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। চিকিৎসকদের মতে, তাঁর শারীরিক অবস্থা হাসপাতালে ভর্তি করার মতো গুরুতর নয়। তাই তাঁকে বাড়িতে বিশ্রাম নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। 

বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নাম প্রস্তাব করার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করেই সই বিতর্কের সূত্রপাত। প্রথমে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিধানসভায় একটি চিঠি পাঠান। তবে পরিষদীয় বিধি অনুযায়ী সেই চিঠির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে বিধানসভা সচিবালয়। এরপর দলীয় বৈঠকে গৃহীত প্রস্তাবটি বিধায়কদের স্বাক্ষরসহ জমা দেওয়া হয়।

তদন্তে অভিযোগ ওঠে, ওই প্রস্তাবে থাকা কয়েকজন বিধায়কের স্বাক্ষর বিধানসভার নথিভুক্ত স্বাক্ষরের সঙ্গে মেলেনি। এই অভিযোগের ভিত্তিতে হেস্টিংস থানায় মামলা দায়ের করা হয় এবং তদন্তভার গ্রহণ করে সিআইডি। তদন্তের অগ্রগতিতে মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (বিএনএস) ৩৩৮ ধারা, অর্থাৎ নথি জালিয়াতির অভিযোগও যুক্ত করা হয়েছে। এই ধারা সংযুক্ত করার জন্য সিআইডি ব্যাঙ্কশাল আদালতের দ্বারস্থ হলে আদালত তাদের আবেদন মঞ্জুর করে। উল্লেখযোগ্যভাবে, বিএনএসের ৩৩৮ ধারায় দোষী সাব্যস্ত হলে সর্বোচ্চ যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে।

সম্পর্কিত সংবাদ