সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: ভগ্নপ্রায় কুঁড়ে ঘরে বাস এতোয়া মুন্ডার। আবেদন করেও নাম নেই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে। গ্রাম পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের দাবি, একাধিক সার্ভে এর জেরে বাতিল হতে পারে।
Advertisement
নকশালবাড়ি ব্লকের হাতিঘিসা গ্রাম পঞ্চায়েতের রঘুজোতের ছলছলিয়া এলাকায় থাকেন এতোয়া। সেখানে দশ বাই আটের মাটি বাঁশের তৈরি কুঁড়ে ঘরে বউ সাবিনা ও পুত্র সন্তানকে নিয়ে সংসার তাঁর। বছরখানেক ধরে বিল বকেয়া থাকায় নেই বিদ্যুতের সংযোগ। ঝড়, বৃষ্টি এলে মাথার ছাদ নিয়ে ভাবায় তাদের। সঙ্গে রয়েছে হাতির তাণ্ডব। পাশে রয়েছে উত্তম চন্দ ছাট সংরক্ষিত বনাঞ্চল। মাঝেমধ্যেই বুনোর আতঙ্ক জাঁকিয়ে বসে এলাকায়। ইতিমধ্যে ওই কুঁড়ে ঘরের পাশ দিয়েও ঘুরে গিয়েছে হাতি। নেহাত বুনোর নজর না পড়ায় রক্ষা পেয়েছে মুন্ডা দম্পতির আস্তানা। বছর পাঁচেক আগে গঙ্গারাম চা বাগানের বাসিন্দা সবিনা মাঝিকে বিয়ে করে ওই ঘরে সংসার করছেন এতোয়া। তিন বছরের পুত্রসন্তান রয়েছে। দিনে এতোয়া নকশালবাড়িতে মজুরি করেন। তার বউ সবিনা সন্তানের দেখভাল করেন। স্বভাবতই ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে নাম থাকার মতো সমস্ত বিষয় থাকা সত্বেও তালিকায় তাদের নাম নেই। এতেই ক্ষোভে ফুঁসছেন মুন্ডা দম্পতি। হাতিঘিসা গ্রাম পঞ্চায়েতের রঘুজোত সংসদে ২৫ জনের নাম তালিকায় রয়েছে। এর মধ্যে ছলছলিয়ার ৫জনের মধ্যে তিন জনের নাম তালিকায় আছে। তবে আবেদন কারার পর নাম নেই এতোয়ার বলে দাবি। তিনি বলেন, এর আগে তালিকায় বাবা কান্দ্রা মুন্ডার নাম ছিল। তবে ১২ বছর আগে বাবার মৃত্যু হয়েছে। আবাস নিয়ে খোঁজ খবর নিতে গেলে গ্রাম পঞ্চায়েত থেকে কোনও সদুত্তর পাইনি। এজন্য গত বছর আমার নামে আবেদন করেছি। কিন্তু নতুন তালিকায় নাম নেই।
যদি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা অ্যান্টিনা খালকো বলেন, ছলছলিয়াতে ৫ জনের নাম ছিল। সার্ভে চলাকালীন একজনের নথি ছিল না। আরেকজনকে গ্রামে পাওয়ায় যায়নি। এজন্য দুই জনের বাদে বাকি তিনজন পাবেন। তবে ওই তালিকায় এতোয়ার নাম ছিল না। সার্ভে দুই তিনবার হয়েছে। যাদের নাম ছিল সেখানে গিয়েছি। এতোয়ার বিষয়টি দেখতে হবে।
হাতিঘিসা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ক্যাথরিনা তামাং বলেন, ২০১৩ সালের তালিকা ধরে বাংলার বাড়ি-প্রকল্পে নাম চিহ্নিত করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এতোয়ার বাবার মৃত্যু হলে ওয়ারিশ সূত্রে তার নাম থাকার কথা। তবে চূড়ান্ত তালিকায় নাম না থাকলে এখন কিছু করার নেই।
যদি স্থানীয় পঞ্চায়েত সদস্যা অ্যান্টিনা খালকো বলেন, ছলছলিয়াতে ৫ জনের নাম ছিল। সার্ভে চলাকালীন একজনের নথি ছিল না। আরেকজনকে গ্রামে পাওয়ায় যায়নি। এজন্য দুই জনের বাদে বাকি তিনজন পাবেন। তবে ওই তালিকায় এতোয়ার নাম ছিল না। সার্ভে দুই তিনবার হয়েছে। যাদের নাম ছিল সেখানে গিয়েছি। এতোয়ার বিষয়টি দেখতে হবে।
হাতিঘিসা গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ক্যাথরিনা তামাং বলেন, ২০১৩ সালের তালিকা ধরে বাংলার বাড়ি-প্রকল্পে নাম চিহ্নিত করা হয়েছে। সেক্ষেত্রে এতোয়ার বাবার মৃত্যু হলে ওয়ারিশ সূত্রে তার নাম থাকার কথা। তবে চূড়ান্ত তালিকায় নাম না থাকলে এখন কিছু করার নেই।



