Bartaman Logo
১৭ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর এক সপ্তাহ পরেও দায়ের হয়নি অভিযোগ, বাড়ছে রহস্য

সোনারপুরের তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের মৃত্যু নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। তাঁর পরিবারের দাবি, ছেলেকে মারধর করা হয়েছিল।

তৃণমূল কর্মীর মৃত্যুর এক সপ্তাহ পরেও দায়ের হয়নি অভিযোগ, বাড়ছে রহস্য
  • ১ জুন, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, দক্ষিণ ২৪ পরগনা: সোনারপুরের তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের মৃত্যু নিয়ে রহস্য ঘনীভূত হয়েছে। তাঁর পরিবারের দাবি, ছেলেকে মারধর করা হয়েছিল। তার কয়েক সপ্তাহ বাদে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি করা হয়। ২২ মে মৃত্যু হয় সঞ্জুর। অথচ তাঁকে কারা মারলেন, মৃত্যুর সঠিক কারণই বা কী, এমন অনেক প্রশ্ন উঠছে। এই রহস্যের মধ্যেও রবিবার পর্যন্ত সোনারপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেননি মৃতের বাড়ির লোকজন। এদিকে, দেহ আগেই দাহ হয়ে গিয়েছে। ফলে ময়নাতদন্তের আর সুযোগ নেই। ফলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ অধরাই থেকে গেল বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement

এই তৃণমূল কর্মীর বাড়ি যাওয়ার পথেই আক্রান্ত হন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মৃত যুবককে নিয়ে নানা মত রয়েছে এলাকাবাসীর। কেউ বলেন, সঞ্জু এলাকায় জমির দালালি করতেন। তৃণমূল নেতাদের সঙ্গে তাঁকে দেখা যেত। কারও দাবি, প্রচুর নেশা করতেন। তার জেরেই অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয়েছে তাঁর। কেউ তাঁকে মারধর করতে দেখেননি। সবটাই শোনা কথা। পাড়ায় যে সঞ্জুর খুব একটা সুনাম ছিল, এমনটাও নয়। ফলে অভিষেক কেন এমন এক কর্মীর বাড়িতে এলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন অনেকে। তবে সঞ্জুর পরিবার কেন থানায় অভিযোগ জানায়নি? এ নিয়ে তাঁর দিদি সঙ্গীতা কর্মকার বলেন, কারা বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল, কেন মারধর করেছে, কারা ওই ঘটনায় যুক্ত, আমরা কিছুই জানি না। আগে অভিযোগ করা হয়নি। ভাইয়ের পারলৌকিক কাজ মিটলে এই ব্যাপারে ভাবা হবে। এদিকে, শনিবার যাঁর বাড়িতে যাওয়ার পথে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর হামলার ঘটনা ঘটল, ওই বাড়ির লোকজন রবিবার থেকেই বেপাত্তা। বাড়িতে তালা ঝুলছে। মনে করা হচ্ছে, পূর্বাচলে সঞ্জুর দিদির শ্বশুরবাড়িতে চলে গিয়েছেন তাঁর বাবা-মা।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ