বেরিলি: গ্রীষ্মের দাবদাহে চড়ছে পারদ। গাছের ছায়ায় বিশ্রাম নিতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিলেন এক সব্জি বিক্রেতা। কিছুক্ষণ পর সেখানে এসে দাঁড়ায় পুরসভার একটি ট্রলি। তাতে ছিল শহরের নিকাশি নালা পরিষ্কারের পর উঠে আসা পাঁক। ট্রলিটি খালি করতে সেই পাঁক ঢেলে দেওয়া হয় গাছের নীচে। সেখানে যে একজন শুয়ে ঘুমাচ্ছেন, তা খেয়ালই করেননি পুরসভার কর্মীরা। পাঁক চাপা পড়ে শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু হয় সুনীল কুমার প্রজাপতি (৪৫) নামে সেই সব্জি বিক্রেতার। উত্তরপ্রদেশের বেরিলি জেলার বরাদরি থানা এলাকায় এই ঘটনা ঘটেছে। পুরকর্মীদের গাফিলতিতে যেভাবে একটি তরতাজা প্রাণ চলে গেল, তা নিয়ে নিন্দার ঝড় উঠেছে।
মৃত ব্যক্তির বাবা গিরওয়ার সিং প্রজাপতি বলেন, কাকরাইয়া কবরস্থানের উল্টোদিকে একটি গাছের নীচে শুয়ে বিশ্রাম নিতে গিয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল আমার ছেলে। পুরসভার ঠিকাদার নইম শাস্ত্রী ও তাঁর নিকাশি কর্মীরা ট্রলিভর্তি পাঁক ঢেলে দেয় সেই গাছের নীচে। সেখানে যে একজন শুয়ে ঘুমাচ্ছে, সেটা তারা খেয়ালই করেনি। শুধু তাই নয়, ওই স্থানটি পুরসভার জঞ্জাল ও পাক ফেলার জায়গাও নয়। স্থানীয়রাই কোনওরকমে সুনীলকে পাঁচের নীচে থেকে উদ্ধার করে একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যান। চিকিৎসকেরা তাঁকে মৃত বলে ঘোষণা করেন। পুলিস জানিয়েছে, অভিযুক্ত ঠিকাদারের নামে অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করা হয়েছে। মৃত ব্যক্তির ময়নাতদন্তের রিপোর্ট আসার পর পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে।