নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিঁথিতে ৩৫ লক্ষ টাকা লুটের গল্প ফেঁদে গ্রেপ্তার সংস্থারই এক কর্মী। এই গল্প সাজাতে গিয়ে পুলিসের নামও জড়ানো হয়েছিল। ধৃতের নাম বিক্রম সিং। শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে। কলকাতা পুলিসের এক সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।
নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: সিঁথিতে ৩৫ লক্ষ টাকা লুটের গল্প ফেঁদে গ্রেপ্তার সংস্থারই এক কর্মী। এই গল্প সাজাতে গিয়ে পুলিসের নামও জড়ানো হয়েছিল। ধৃতের নাম বিক্রম সিং। শুক্রবার রাত ৮টা নাগাদ এই ঘটনাটি ঘটেছে। কলকাতা পুলিসের এক সূত্রে এই খবর জানা গিয়েছে।
সংস্থার মালিক সন্তু সাহা সিঁথি থানায় দায়ের করা অভিযোগে জানিয়েছেন, শুক্রবার বিকেলে তাঁর সংস্থার দুই কর্মচারীকে এক ব্যক্তির কাছে পাঠিয়েছিলেন পাওনা ৩৫ লক্ষ টাকা আনতে। রাত ৮টা নাগাদ সুজন সাহা নামে এক কর্মী তাঁকে ফোন করে জানান, বি টি রোডে দুই ব্যক্তি পুলিস পরিচয় দিয়ে তাঁদের স্কুটার থামায়। জায়গাটি সিঁথি থানা এলাকার মধ্যে পড়ে। তারপর ব্যাগ পরীক্ষার নাম করে তাঁরা টাকা ভর্তি ওই ব্যাগ কেড়ে নিয়ে পালিয়ে যায়। সন্ধ্যায় ৩৫ লক্ষ টাকা লুটের অভিযোগ পেয়ে তদন্তে নামেন সিঁথি থানার পুলিস। পাশাপাশি লালবাজারের ডাকাতি দমন শাখা, ওয়াচ শাখার গোয়েন্দারাও তদন্ত শুরু করেন। তাঁরা ওই দুই কর্মচারীকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ করেন। পাশাপাশি, ঘটনাস্থলের সিসি ক্যামেরার ফুটেজও খতিয়ে দেখেন তাঁরা।
তবে জেরাপর্বে দুই কর্মচারীর মধ্যে একজনের বক্তব্যে কিছু অসঙ্গতি লক্ষ্য করেন গোয়েন্দারা। তাকে আটক করে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করলে ভেঙে পড়েন অভিযুক্ত কর্মী বিক্রম সিং। পুলিসের দাবি, বিক্রম স্বীকার করেছেন, ‘বন্ধুদের সাহায্য নিয়ে তিনি পরিকল্পনা করেই ৩৫ লক্ষ টাকা লুট করেছেন’। এই টাকা লুটের ঘটনায় অপর কর্মচারীর যোগ না থাকায় তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এই ঘটনায় জড়িত বাকি দুষ্কৃতীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিস। তবে খোয়া যাওয়া টাকা এখনও উদ্ধার হয়নি বলে জানা গিয়েছে।