Bartaman Logo
৩ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

২০ জুন নিয়ে আজই বিশেষ ঘোষণা হবে, তারকেশ্বরে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী

মুখ্যমন্ত্রী তারকেশ্বরে ২০ জুনের বিশেষ ঘোষণার কথা জানালেন। ক্যাবিনেট বৈঠক শেষে গুরুত্বপূর্ণ পরিকল্পনা প্রকাশিত হবে। বিস্তারিত পড়ুন।

২০ জুন নিয়ে আজই বিশেষ ঘোষণা হবে, তারকেশ্বরে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী
  • ৩ জুন, ২০২৬ ০৪:০০

সংবাদদাতা, তারকেশ্বর: মঙ্গলবার তারকেশ্বর টুরিস্ট লজে দুই মন্ত্রী সহ ১৬ বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠক শেষে তিনি জানান, ১৯৪৭ সালে তারকেশ্বরে ভারত অন্তর্ভুক্তির প্রস্তাব নেওয়া হয়। তারপর ১৯৪৭ সালের ২০ শে জুন তা নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়। বাঙালি হিন্দুদের জন্য হোমল্যান্ড মেলে। পূর্ব পাকিস্তান ও আজকের বাংলাদেশে যার ফলে আমাদের যেতে হয়নি। ভারতভুক্তির রেজল্যুশনের সঙ্গে যুক্ত বলে তারকেশ্বর ঐতিহাসিক জায়গা। তাই ২০ শে জুন নিয়ে আমাদের কিছু পরিকল্পনা আছে। কাল ক্যাবিনেট আছে। তার আগে আমার পক্ষে কিছু ঘোষণা করা ঠিক না। ক্যাবিনেট মিটিংয়ের পর নবান্নে এই বিষয়ে বলব।

Advertisement

এদিন দুপুর সাড়ে তিনটে নাগাদ সড়কপথে তারকেশ্বরে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। মন্দিরের দুধপুকুরে হাত-পা ধুয়ে  প্রথা অনুযায়ী জামা 
খুলে গঙ্গাজল নিয়ে মন্দিরে প্রবেশ করেন শুভেন্দু। তারপর বৈঠকের জন্য যান টুরিস্ট লজে। সেখানে বৈঠক শেষে বলেন, ‘তারকেশ্বর ট্রাস্টি বোর্ডের আর্থিক সহায়তা বন্ধ করা হয়েছে। আজকেই মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল এবং প্রধান সচিবকে নির্দেশ দেব। এডিএম জেলা পরিষদ অনুজ প্রতাপ সিংকে আমরা প্রশাসক করছি। সামনে শ্রাবণী মেলা। বাবা তারকনাথের পবিত্র ভূমি এই তারকেশ্বরে শ্রাবণ মাসে যে পুণ্যার্থীরা আসেন তাঁদের জন্য বড়ো ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। তারকেশ্বর মন্দিরকে কেন্দ্র করে আমরা কিছু কাজ করব। পবিত্র দুধপুকুর পাড়ে কি সব রং করে রেখেছে। রং পরিবর্তন আগে করা দরকার। আধ্যাত্মিকতা বা আমাদের সংস্কৃতির সঙ্গে মানানসই রং দরকার।’ এরপর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হাতে সংবিধান নিয়ে হাঁটছেন প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, ‘আমাকে একটা ছবি পাঠিয়েছিল দেখলাম। এত দুরাবস্থা, দেড়শো লোক আসেনি। সাংবাদিক গিয়েছেন ২০০ জন। সাংবাদিক না থাকলে আরও করুণ অবস্থা হত। রাজ্যসভা-লোকসভা মিলিয়ে এতগুলো এমপি। শুনলাম তিনজন এমপি, ছ’জন এমএলএ গিয়েছেন। দলটার অবস্থা ফলতার মত হয়ে গিয়েছে।’ এরপর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বিধায়কদের কুড়িবার করে ফোন করছেন এই প্রসঙ্গে বলেন, ‘উনি তো অসুস্থ শুনেছিলাম। অসুস্থ হলে ফোন করা যায় নাকি! স্যালাইন টেলাইন কি সব চলছে নাকি।’ এর পাশাপাশি তিনি বলেন, ‘আমি তারকেশ্বরে রামমন্দির মাথায় নিয়ে হেঁটেছিলাম খালি পায়ে।’ প্রশাসনিক বৈঠক শেষ করে ২০ জুন তারকেশ্বরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সভাস্থলের মাঠ পরিদর্শন করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর কলকাতার দিকে রওনা দেন।

সম্পর্কিত সংবাদ