‘আফগানিস্তান দেশটা কেমন, সেটা মানুষ জানুক, আমি এটাই চেয়েছিলাম। কিন্তু আলাদা করে সেখানকার ট্যুরিজিমের প্রচার করিনি’— বলছিলেন শরণ্যা আইয়ার। ‘কনটেন্ট ক্রিয়েটর’ তো অনেক শুনেছেন। এবার জানবেন এক ‘ট্রাভেল ক্রিয়েটর’-এর গল্প। ২০২৫-এর নভেম্বরে একাই আফগানিস্তান ভ্রমণে গিয়েছিলেন শরণ্যা। সে দেশ থেকে এককালে এসেছিল রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ‘কাবুলিওয়ালা’। মিনির সঙ্গে তার সখ্য গড়ে ওঠে। সে কাহিনি আপনি জানেন। কিন্তু একা মেয়ের আফগানিস্তান ভ্রমণ কি সহজ ছিল? শরণ্যার কথায়, ‘ভারতীয় ট্যুরিস্ট হিসেবে আমি খুব নিরাপদ বোধ করেছি। যে মুহূর্তে বলছিলাম, আমি ভারত থেকে এসেছি, ওদের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বদলে যাচ্ছিল। ওরা ভারতকে ভালোবাসে। ওরা বলিউড ভালোবাসে। ওখানকার সাধারণ মানুষ কিন্তু সরকার নয়। তারা শাসন চালায় না। আমি পুরুষ গাইডদের সঙ্গেও ঘুরেছি। কোনো সমস্যা হয়নি।’ কাবুলের সাধারণ মানুষ, রাস্তাঘাট, পাহাড়ি পথে মুগ্ধ শরণ্যা। কিন্তু তাঁর মনে হয়েছে, ‘মহিলা’ ট্যুরিস্ট হিসেবে যতটা স্বাধীনতা নিয়ে ঘুরতে পেরেছেন, একজন সাধারণ আফগান মহিলা তা পারেন না। যদিও ভ্রমণার্থীকে পুরুষ বা মহিলা হিসেবে বিবেচনা করতে নারাজ তিনি। তবে ট্যুরিস্ট হিসেবে সে দেশ দেখা একরকম। সেখানকার সাধারণ মানুষের অবস্থা কিন্তু একেবারে আলাদা। সারাক্ষণ পাসপোর্ট সঙ্গে রাখতেন। প্রতিটি চেকপয়েন্টে তা দেখাতে হত। আর সাধারণ মানুষের আতিথেয়তায় চা খেতেন শরণ্যা। সব মিলিয়ে তাঁর এই ভ্রমণবৃত্তান্ত সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল।



