১৯৭৯: ইরানে ইসলামিক বিপ্লব। নতুন শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হতেই ইজরায়েলকে মূল শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করল তেহরান। পরমাণু অস্ত্র তৈরির তোড়জোড় শুরু।
১৯৭৯: ইরানে ইসলামিক বিপ্লব। নতুন শাসন ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হতেই ইজরায়েলকে মূল শত্রু হিসেবে চিহ্নিত করল তেহরান। পরমাণু অস্ত্র তৈরির তোড়জোড় শুরু।
২০১০: ইরানের পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচিতে আমেরিকা-ইজরায়েলের তৈরি কম্পিউটার ভাইরাসের হামলা। যার প্রভাবে পরমাণুকেন্দ্রের সমস্ত সেন্ট্রিফিউজ ধ্বংস।
২০১৮: লুকিয়ে পরমাণু অস্ত্র তৈরি করছে তেহরান, অভিযোগ তুলল ইজরায়েল। ইরানের সঙ্গে পরমাণু চুক্তি বাতিল ডোনাল্ডা ট্রাম্পের।
২০২০: ইরানের নাতনজ পরমাণুকেন্দ্রে রহস্যময় বিস্ফোরণ। ওই বছরেই রিমোট পরিচালিত মেশিনগানের গুলিতে ইরানি সেনার শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানীর মৃত্যু। দুটি ঘটনাতেই ইজরায়েলের দিকে আঙুল তেহরানের।
২০২৩: হামাসের হামলায় ১২০০ জন ইজরায়েলি নাগরিকের মৃত্যু। গাজায় পাল্টা হামলা। হামাসের পাশে থাকার ঘোষণা ইরানের। এখনও চলছে গাজা সংঘাত।
২০২৪: ইজরায়েলের এয়ার স্ট্রাইকে সিরিয়ায় ইরানের দুই সেনাকর্তার মৃত্যু। বদলা নিতে তেল আভিভ লক্ষ্য করে ৩০০ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ইরানের। তেহরানে এয়ার স্ট্রাইকে মৃত্যু হামাস নেতা ইসমাইল হানিয়ার। পরে অন্য এক এয়ারস্ট্রাইকে প্রাণ যায় ইরানের মদতপুষ্ট হেজবোল্লা নেতা হাসান নাসরাল্লারও।
২০২৫
ইরানের পরমাণুকেন্দ্রে ইজরায়েলের হামলা। পাল্টা তেল আভিভ সহ ইজরায়েলের বিভিন্ন শহরে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা তেহরানের।